দক্ষিণবঙ্গ

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

ধারালো অস্ত্র ঠেকিয়ে মহিলাকে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করল তিন দুষ্কৃতী !

ধারালো অস্ত্র ঠেকিয়ে মহিলাকে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করল তিন দুষ্কৃতী !
Representational Image

অসুস্থ ওই মহিলাকে কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

  • Share this:

#বর্ধমান: আদিবাসী মহিলাকে গলায় ধারাল কাস্তে ঠেকিয়ে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠলো তিন দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে কালনার নাদনঘাট থানার সাকরা গ্রামে। অসুস্থ ওই মহিলাকে কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

গত কাল, মঙ্গলবার রাতে বাড়ির সামনে অপেক্ষায় ছিল তিন দুষ্কৃতী। মহিলা ঘর থেকে বের হতেই তিন দুষ্কৃতী ঝাঁপিয়ে পরে তার ওপর গলায় ধারালো কাস্তে ঠেকিয়ে ও মুখ টিপে চ্যাংদোলা করে তুলে নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে পর পর ধর্ষণ করে দুষ্কৃতীরা। তাদের মদত দেয় দুষ্কৃতীদের সাথে থাকা এক মহিলাও। সকলের মুখ ঢাকা থাকার কারণে কাউকে ঠিক মতো চিনতে পারেননি নির্যাতিতা।

অন্ধকারকে সুযোগ নিয়ে কোনও রকমে প্রাণ বাঁচিয়ে দুষ্কৃতীদের হাত থেকে পালাতে সক্ষম হন তিনি। আজ, বুধবার সকালে কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রতিবেশীরা জানান, মহিলা প্রাণ বাঁচিয়ে ফিরে এসে ঘটনার কথা জানান। এরপর দুষ্কৃতীদের হদিশ পেতে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। কিন্তু তখন আর কাউকে পাওয়া যায় নি। এরপর গ্রামবাসীরাই উদ্যোগ নিয়ে গাড়ির ব্যবস্থা করে কালনা হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করে। হাসপাতালে মহিলার সঙ্গে প্রাথমিক কথাবার্তা বলে পুলিশ।

হাসপাতালে নির্যাতিতা হাসপাতালে নির্যাতিতা

পুলিশ জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই ঘটনার বিস্তারিত খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। দুষ্কৃতীদের সঙ্গে এক মহিলাও ছিল বলে জানা গিয়েছে। এক মহিলা উপস্থিত থেকে তিন দুষ্কৃতীদের দিয়ে ধর্ষণ করাচ্ছে এমনটা নজির বিহীন। দুষ্কৃতীরা বাড়ির সামনে অপেক্ষা করছিল। ওই মহিলার স্বামী কর্মসূত্রে পান্ডুয়া যাওয়ায় মহিলা বাড়িতে একা ছিলেন। সে খবর দুষ্কৃতীদের কাছে ছিল। অন্য কোনও আক্রোশ থেকে এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। দুষ্কৃতীরা বাংলায় কথা বলছিল।তাদের হদিশ পাবার চেষ্টা চলছে। নির্যাতিতা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। তাদের কাছ থেকে সূত্র পাওয়ার চেষ্টা চলছে।

Saradindu Ghosh

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: October 14, 2020, 1:32 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर