পাথর ক্রাসারে কাজ করতে গিয়ে মৃত্যু আদিবাসী মহিলার, পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ

পাথর ক্রাসারে কাজ করতে গিয়ে মৃত্যু আদিবাসী মহিলার, পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ

ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে উঠেপড়ে লাগে ক্রাসার মালিক বলে অভিযোগ । মৃতদেহ ঘটনাস্থলে আটকে রেখে মৃত শ্রমিকের পরিবারের সাথে চলে টাকার রফাদফা।

  • Share this:

#বাঁকুড়া: পাথর ক্রসারে কাজ করতে গিয়ে দুর্ঘটনায় মৃত্যু আদিবাসী মহিলা । ৭ ঘণ্টা পর ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহ তোলায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।বাঁকুড়ার শালতোড়ার শিশুতল এলাকায় পাথর ক্রাসারে কাজ করতে গিয়ে মৃত্যু হল এক মহিলা শ্রমিকের ।

প্রতিদিনের মতো রবিবার সকালে ২৮ বছরের ঠাকুরমনি কাজে যোগ দেন শিশুতলে থাকা এক পাথর ক্রাসারে । রবিবার দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ সেখানে কাজ করার সময় ক্রাসার মেশিনে পাথরের চাঁই ঢালতে গিয়ে আচমকাই ক্রাসার মেশিনের বেল্টে তার কাপড় আটকে যাওয়ায় ঘটে ভয়াবহ বিপত্তি । ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় মহিলার।

ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে উঠেপড়ে লাগে ক্রাসার মালিক বলে অভিযোগ । মৃতদেহ ঘটনাস্থলে আটকে রেখে মৃত শ্রমিকের পরিবারের সাথে চলে টাকার রফাদফা। তারপর প্রায় ৪টা থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ঘটনাস্থলেই পড়ে থাকে দেহ। যদিও শেষমেশ মৃত শ্রমিকের পরিবার আইনি পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিলে সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা পর মৃতদেহ উদ্ধার করে শালতোড়া থানার পুলিশ।

পুলিশের ভুমিকা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরেও দ্রুত মৃতদেহ উদ্ধারের চেষ্ট করেনি কেন পুলিশ? তাহলে কি পুলিশ টাকার রফাদফার অপেক্ষায় ছিল? সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকার বাসিন্দাদের মনে।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য বাঁকুড়ার শালতোড়ায় দীর্ঘ কয়েক বছর যাবত মাথাচাড়া দিয়েছে অবৈধ পাথরের রমরমা।

বর্তমানে প্রায় ১৫০ টি বেশি পাথর ক্রাসার ও ৪০০ বেআইনি পাথর খাদান রমরমিয়ে চলছে । অভিযোগ সবকিছু জেনেও চুপ রয়েছে প্রশাসন ৷

First published: 05:57:54 PM Nov 11, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर