দুর্ঘটনা রুখতে সেতুর পাশে পুজো, বছরের পর বছর ধরে এমনই রীতি চলে আসছে

দুর্ঘটনা রুখতে সেতুর পাশে পুজো, বছরের পর বছর ধরে এমনই রীতি চলে আসছে
এই রাস্তায় সব সময় ভারি যান চলাচল করে তাই দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। দুর্ঘটনা যাতে না হয় সেই কামনা করেই সিদ্ধেশ্বরী মায়ের পূজা অনুষ্ঠিত হল।

এই রাস্তায় সব সময় ভারি যান চলাচল করে তাই দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। দুর্ঘটনা যাতে না হয় সেই কামনা করেই সিদ্ধেশ্বরী মায়ের পূজা অনুষ্ঠিত হল।

  • Share this:

 Saradindu Ghosh

#বর্ধমান: দুর্ঘটনা রুখতে পুজো। দশ বছর ধরে সেতুর ধারে এই পুজো চলে আসছে। এলাকার বাসিন্দাদের বিশ্বাস, মা সিদ্ধেশ্বরীকে তুষ্ট করা গেলে দুর্ঘটনায় প্রাণহানি বন্ধ হবে। সেই বিশ্বাস থেকেই দশ বছর ধরে চলে আসছে পুজো। পূজাকে কেন্দ্র করে মেলা বসে এলাকায়। সেই মেলায় ভিড় করলেন অগণিত বাসিন্দা। কোথায় অনুষ্ঠিত হল এমন পুজো?


পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের নর্জায় খড়ি নদীর সেতুতে দুর্ঘটনা আটকাতে সিদ্ধেশ্বরী মায়ের পুজো করলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরা বলেন, এক সময় সরু সেতুতে দুর্ঘটনায় প্রাণহানি নিত্যদিনের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তাই দুর্ঘটনা কমাতে এক দশক আগে এলাকায় সিদ্ধেশ্বরী মায়ের মন্দির তৈরি করে পুজো শুরু হয়। এখন এই সেতু অনেক চওড়া হয়েছে। তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে দুর্ঘটনাও কমেছে অনেকটাই । এই রাস্তায় সব সময় ভারি যান চলাচল করে তাই দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। দুর্ঘটনা যাতে না হয় সেই কামনা করেই সিদ্ধেশ্বরী মায়ের পূজা অনুষ্ঠিত হল।

পূর্ব বর্ধমান জেলায় ভাতার ব্লকের ঢোকার মুখেই রয়েছে খড়ি নদীর সেতু। সেই সেতুতে দুর্ঘটনা ঘটতো মাঝেমধ্যেই। এই দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে তা কামনা করে সেতুর পাশে দশ বছর আগে সিদ্ধেশ্বরী মায়ের মন্দির প্রতিষ্ঠা করা হয়। তখন থেকেই প্রতি বছর মায়ের পূজা হয়ে আসছে। পুজো উপলক্ষে প্রতি বছর নদীর ধারে মেলা বসে। এ বার এই নিউ নর্মালেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। পুজো উপলক্ষে খিচুড়ি ভোগ বিতরণ করা হয়। আশপাশ এলাকার বেশ কয়েকটি গ্রামের সব সম্প্রদায়ের বাসিন্দারা এই পুজোয় অংশ নেন। খিচুড়ি ভোগ গ্রহণ করে বাড়ি ফেরেন তাঁরা। এ বারও দশ হাজার বাসিন্দা খিচুড়ি ভোগ গ্রহণ করেন।

পুজো, ভোগ বিতরণের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় পূজা কমিটির পক্ষ থেকে। স্থানীয় বাসিন্দারা সেই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন। পূজা কমিটির সভাপতি দুর্যোধন দাস জানান, আমাদের এলাকায় বারবার ঘটছে দুর্ঘটনা। আমরা তাই মায়ের মন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। তখন থেকেই প্রতিবছর মহা ধুমধামে মায়ের পুজো হয়ে আসছে। পূজা উপলক্ষে তিনদিন ধরে মেলা বসে এখানে। সচেতন বাসিন্দারা বলছেন, বিশ্বাস থেকে পুজো হোক। সেই সঙ্গে ট্রাফিক আইন মেনে যাতে সকলে চলাচল করেন সে ব্যাপারেও বাসিন্দাদের সচেতন করে তুলতে হবে। তাতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমবে অনেকটাই।

Published by:Simli Raha
First published:

লেটেস্ট খবর