• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • হাবরাকাণ্ডে অভিযুক্ত কাউন্সিলরকে দলের সতর্কবার্তা

হাবরাকাণ্ডে অভিযুক্ত কাউন্সিলরকে দলের সতর্কবার্তা

হাবরাকাণ্ডে অভিযুক্ত কাউন্সিলরকে সতর্ক করল দল। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে  তৃণমূলের সিদ্ধান্ত, মারধর না করলেও, সেদিনের ঘটনা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ গৌতম বিশ্বাস।

হাবরাকাণ্ডে অভিযুক্ত কাউন্সিলরকে সতর্ক করল দল। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তৃণমূলের সিদ্ধান্ত, মারধর না করলেও, সেদিনের ঘটনা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ গৌতম বিশ্বাস।

হাবরাকাণ্ডে অভিযুক্ত কাউন্সিলরকে সতর্ক করল দল। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তৃণমূলের সিদ্ধান্ত, মারধর না করলেও, সেদিনের ঘটনা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ গৌতম বিশ্বাস।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #উত্তর ২৪ পরগনা : হাবরাকাণ্ডে অভিযুক্ত কাউন্সিলরকে সতর্ক করল দল। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে  তৃণমূলের সিদ্ধান্ত, মারধর না করলেও, সেদিনের ঘটনা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ গৌতম বিশ্বাস।

    ঘটনায় মূল অভিযুক্ত টিটো ঘোষ সহ দু'জনকে চিহ্নিত করেন আক্রান্ত শাশ্বতী ঘোষ। মঙ্গলবার তাঁর বাড়িতে গিয়ে, দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারির আশ্বাস দেন তৃণমূলের উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

    তাঁর উপস্থিতিতেই ঘটেছে সব বিপত্তি। সিসিটিভি ফুটেজেই মিলেছিল তার প্রমাণ। তাই হাবরাকাণ্ডে অভিযুক্ত কাউন্সিলর গৌতম বিশ্বাসকে মঙ্গলবার সতর্ক করল তৃণমূল কংগ্রেস।

    ঘটনার পরই কমিটি গড়ে তদন্ত শুরু করে তৃণমূল ৷  দলের উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে তদন্তের রিপোর্ট দেওয়া হয় ৷ মারধর না করলেও সেদিন ঘটনা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ কাউন্সিলর, তা সিসিটিভি ফুটেজেই স্পষ্ট ৷ তাই সতর্ক করা হয় কাউন্সিলর গৌতম বিশ্বাসকে ৷

    এদিন মূল অভিযুক্ত সহ দু'জনকে চিহ্নিত করেন আক্রান্ত শাশ্বতী ঘোষ। মূল অভিযুক্ত টিটো ঘোষ এলাকায় কাউন্সিলর গৌতম বিশ্বাসের ঘনিষ্ঠ বলে  পরিচিত। আরেক অভিযুক্ত চন্দন ঘোষের বাড়ি দেশবন্ধু পার্কে। মোবাইলে ছবি দেখে দু'জনকে চিহ্নিত করেন শাশ্বতী।

    এদিন হাবরার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে, আক্রান্তের বাড়িতে যান তৃণমূলের উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। ঘটনায় দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারির আশ্বাস দেন তিনি।

    রবিবার সামান্য দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঝামেলার সূত্রপাত। হাবরা থানার পাশে একটি পেট্রোল পাম্পে বচসায় জড়ান কাউন্সিলর গৌতম বিশ্বাস ও শাশ্বতীর জামাইবাবু। কাউন্সিলরের অনুগামীরা শাশ্বতীকে মারধর করে বলে অভিযোগ। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেন গৌতম বিশ্বাস।

    First published: