corona virus btn
corona virus btn
Loading

দলীয় কর্মীদের হাতে নিগৃহীত তৃণমূল বিধায়ক, শুনলেন দূর হঠো স্লোগানও!

দলীয় কর্মীদের হাতে নিগৃহীত তৃণমূল বিধায়ক, শুনলেন দূর হঠো স্লোগানও!

শুনলেন দূর হঠো স্লোগানও!

  • Share this:

Saradindu Ghosh

#ভাতার: নিজের এলাকাতেই দলীয় কার্যালয়ে তুমুল বিক্ষোভের মুখে পড়লেন ভাতারের বিধায়ক সুভাষ মন্ডল। দলীয় কার্যালয়ে তাঁকে নিগৃহীতও হতে হয়। দীর্ঘক্ষণ তাঁকে পার্টি অফিসে আটকে রেখে দলীয় পতাকা নিয়ে স্লোগান দেন নেতা কর্মীরা। 'সুভাষ মন্ডল ভাতার থেকে দূর হঠো' বলে স্লোগানও ওঠে। পরে বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে বিক্ষোভকারী নেতা-কর্মীদের বুঝিয়ে বিধায়ককে পার্টি অফিস থেকে বের করে নিয়ে যায়। এই ঘটনায় জেলার রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।  কেন এমন ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখছে দলের জেলা নেতৃত্ব।

ঠিক কী ঘটেছিল? পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতার ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে বুধবার ভাতার বাজারে দিল্লি হিংসার প্রতিবাদে মিছিলের ডাক দিয়েছিলেন বিধায়ক সুভাষ মণ্ডল। সেই কর্মসূচি উপলক্ষে মিছিল শুরুর আগে ভাতার ব্লক তৃনমূল কংগ্রেস কার্যালয়ে যান তিনি। দলের এক নেতা জানান, পার্টি অফিসে পৌঁছনোর পর পরই বিধারককে টেনে ঘরে ঢুকিয়ে নেওয়া হয়। সপাটে তাঁর গালে চড়ও মারে এক কর্মী। ঘটনায় হকচকিয়ে যান বিধায়ক। তাঁর নিরাপত্তারক্ষী মারতে উদ্যত কর্মীদের কোনও রকমে নিরস্ত করেন। এরপর তাঁকে বসিয়ে রেখে তুমুল বিক্ষোভ চলে।

দলীয় কার্যালয়ে বিধায়ককে আটকে রেখে দলীয় পতাকা নিয়ে বিধায়কের বিরুদ্ধে স্লোগান শুরু করেন বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীরা। সুভাষ মন্ডল ভাতার থেকে দূর হঠো বলে স্লোগান দেন তাঁরা। ভেতরে নানা কাজের জবাবদিহি চাওয়া হয় বিধায়কের কাছে। কার্যত বেশ কিছুক্ষণ মাথা নিচু করে বসে থাকতে বাধ্য হন বিধায়ক। অভিযোগ, ভাতারের দুই প্রভাবশালী নেতা  মান গোবিন্দ অধিকারী ও বনমালী হাজরার অনুগামীরা বিধায়ককে হেনস্তা করে। তাদের অভিযোগ, পুরনো কর্মী নেতাদের কোনও রকম সম্মান না দিয়ে নিজের ইচ্ছেমত কর্মসূচি নিচ্ছেন বিধায়ক। প্রবীণ নেতাদের মতামত না নিয়ে তাদের কিছু না জানিয়ে নিজের পছন্দের লোকদের অঞ্চল সভাপতি করেছেন বিধায়ক। ২ মার্চ নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে দলীয় সভায় এলাকার যোগ্য নেতারা ডাক পাননি। এসবের জবাব চাওয়া হয় বিধায়কের কাছে। বিধায়ককে আটকে রাখা হয়েছে খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিধায়কের বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর কয়েক হাজার কর্মী জড় হয়ে যায়। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে ভাতার থেকে বিশাল পুলিশ বাহিনী আসে। বিধায়ককে হেনস্তার খবর পেয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে আসরে নামেন জেলা নেতারা। পুলিশ ও জেলা নেতাদের মধ্যস্থতায় ঘেরাও মুক্ত হন বিধায়ক। ঠিক হয় আগামী শুক্রবার পুরনো নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন বিধায়ক।

স্থনীয় নেতারা অবশ্য বিধায়ককে নিগ্রহ করা নিয়ে মুখ খুলতে চাননি। এক প্রবীণ নেতা বলেন, বিধায়ককে কাছে পেয়ে দলীয় কর্মীরা ক্ষোভের কথা জানিয়েছেন। মারধর, গালিগালাজের অভিযোগ ভিত্তিহীন। পরে বিধায়ক সহ নেতারা দলীয় মিছিলে অংশ নেন। বিধায়ক সুভাষ মন্ডল বলেন, কোথায় কী বিক্ষোভ হয়েছে জানি না। আমরা একসঙ্গে দলীয় কর্মসূচিতে হাঁটছি।

Published by: Shubhagata Dey
First published: March 4, 2020, 8:01 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर