পদত্যাগের ইচ্ছে প্রকাশ জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষার, চাঞ্চল্য পূর্ব বর্ধমানে

পদত্যাগের ইচ্ছে প্রকাশ জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষার, চাঞ্চল্য পূর্ব বর্ধমানে

তাঁকে কিছু না জানিয়েই সভাধিপতি নিজেই তাঁর দফতরের সব কাজ করে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন কর্মাধ্যক্ষা মিঠু মাঝি।

তাঁকে কিছু না জানিয়েই সভাধিপতি নিজেই তাঁর দফতরের সব কাজ করে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন কর্মাধ্যক্ষা মিঠু মাঝি।

  • Share this:

Saradindu Ghosh

#বর্ধমান: পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের এক কর্মাধ্যক্ষা। জেলা পরিষদের সভাধিপতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানিয়ে পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন জেলা পরিষদের শিশু ও নারী উন্নয়ন স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষা মিঠু মাঝি। জেলা পরিষদে সাংবাদিক বৈঠক ডেকে পদত্যাগের ইচ্ছার কথা জানান ওই কর্মাধ্যক্ষা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলার রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। জেলা পরিষদ পরিচালনার ক্ষেত্রে দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসে যাওয়ায় অস্বস্তিতে জেলা তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। ঘটনার কথা জানতে পেরে দ্রুত সমস্যা মেটাতে উদ্যোগী হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি তথা প্রাণী সম্পদ বিকাশ দফতরের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ।

তাঁকে কিছু না জানিয়েই সভাধিপতি নিজেই তাঁর দফতরের সব কাজ করে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন কর্মাধ্যক্ষা মিঠু মাঝি। জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, কিছুদিন পরে সবলা মেলা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। এই মেলার আয়োজন উপলক্ষে মঙ্গলবার একটি প্রস্তুতি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকের পরই সন্ধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক ডাকেন জেলা পরিষদের শিশু ও নারী উন্নয়ন স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষা মিঠু মাঝি। সেখানেই তিনি পদত্যাগের ইচ্ছার কথা জানান। তিনি বলেন, ‘‘সব কাজ সভাধিপতি নিজের ইচ্ছেমত করে নিচ্ছেন। আমাকে যখন প্রয়োজন নেই তখন আর শুধু শুধু গাড়ির তেল পুড়িয়ে সরকারের টাকার অপচয় করে জেলা পরিষদ আসার কোনও যুক্তি নেই। সে কারণেই আমি পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’’

এ ব্যাপারে পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধারা বলেন, কোনও পদত্যাগ পত্র পাইনি। সবলা মেলা উপলক্ষে একটি বৈঠক ছিল ঠিকই। সেই বৈঠকে ওই কর্মাধ্যক্ষের কাছে পরামর্শ চাওয়া হয়েছিল। তাই তিনি যে অভিযোগ করছেন তা ঠিক নয়। এই জেলা পরিষদে সব কর্মাধ্যক্ষ যথেষ্ট স্বাধীনভাবেই কাজ করেন। বাকি কর্মাধ্যক্ষদের সঙ্গে কথা বললেই তা জানা যাবে।

রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দেবু টুডু এ ব্যাপারে বলেন, খুবই ছোট ব্যাপার। একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে কিছু মান অভিমান হয়ে থাকতে পারে। আলোচনার টেবিলে বসলেই বিষয়টি মিটে যাবে বলে আশা করছি।

Published by:Simli Raha
First published: