• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • ফিল্মি কায়দায় খুন শ্রীনু নায়ডু, পুলিশের সন্দেহ জড়িত পরিচিতরা

ফিল্মি কায়দায় খুন শ্রীনু নায়ডু, পুলিশের সন্দেহ জড়িত পরিচিতরা

টাটা সুমো থেকে নেমেই এলোপাথাড়ি গুলি পাঁচ দুষ্কৃতীর। পার্টি অফিসে ঢুকে একের পর এক বোমা বিস্ফোরণ। ফিল্মি কায়দায় মিনিট কুড়ির অ্যাকশনে খতম খড়গপুরের লোহা মাফিয়া শ্রীনু নায়ডু।

টাটা সুমো থেকে নেমেই এলোপাথাড়ি গুলি পাঁচ দুষ্কৃতীর। পার্টি অফিসে ঢুকে একের পর এক বোমা বিস্ফোরণ। ফিল্মি কায়দায় মিনিট কুড়ির অ্যাকশনে খতম খড়গপুরের লোহা মাফিয়া শ্রীনু নায়ডু।

টাটা সুমো থেকে নেমেই এলোপাথাড়ি গুলি পাঁচ দুষ্কৃতীর। পার্টি অফিসে ঢুকে একের পর এক বোমা বিস্ফোরণ। ফিল্মি কায়দায় মিনিট কুড়ির অ্যাকশনে খতম খড়গপুরের লোহা মাফিয়া শ্রীনু নায়ডু।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #খড়গপুর: টাটা সুমো থেকে নেমেই এলোপাথাড়ি গুলি পাঁচ দুষ্কৃতীর। পার্টি অফিসে ঢুকে একের পর এক বোমা বিস্ফোরণ। ফিল্মি কায়দায় মিনিট কুড়ির অ্যাকশনে খতম খড়গপুরের লোহা মাফিয়া শ্রীনু নায়ডু। বাথরুমে ঢুকেও নিজেকে বাঁচাতে পারেনি সে। দরজা ভেঙে তার মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি করে দুষ্কৃতীরা।

    প্রতিদিন খড়গপুরের নিউ সেটলমেন্ট এলাকায়, মথুরাকাটি যাওয়ার রাস্তার ধারে ক্লাবেই বসত শ্রীনু। কিন্তু, বুধবারই সে বসেছিল রাস্তার ওপারে, পার্টি অফিসে। অন্যান্য দিন শ্রীনুর সঙ্গে থাকে চার থেকে পাঁচ জন দেহরক্ষী। ওইদিন তার সঙ্গে ছিল কেবল ধর্মা ও শ্রীনু নামে দুই দেহরক্ষী। ধর্মা দুপুরের খাবার খেয়ে পার্টি অফিসের বাইরে এসে বসেছিল।

    দুপুর আড়াইটে নাগাদ আচমকাই ক্লাব ও রেলকোয়ার্টারের দিক থেকে পার্টি অফিসের বাইরে এসে থামে একটি আকাশি রঙয়ের টাটা সুমো। গাড়ির দরজা খুলে দ্রুত নেমে আসে মুখে কালো কাপড় বাঁধা পাঁচ যুবক। পার্টি অফিসের বাইরেই বসে থাকা ধর্মাকে প্রথমেই গুলি করে তারা। এরপর, পার্টি অফিসের ভিতরে ঢুকে বোমাও ছোড়ে হামলাকারীরা। সেসময় নিজের কেবিনে চেয়ারে বসে গল্পগুজব করছিল শ্রীনু নায়ডু। বোমা ও গুলির আওয়াজে সে সতর্ক হয়।

    প্রাণের ভয়ে ঢুকে পড়ে কেবিন লাগোয়া বাথরুমে। দুষ্কৃতীরা তা বুঝতে পেরে বাথরুমের দরজা ভেঙে ফেলে। শ্রীনুকে হাতের নাগালে পেয়ে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে মাথায় গুলি করে তারা। এরপর পার্টি অফিস থেকে বেরিয়ে তারা চলে যায় গিরি ময়দান স্টেশনের দিকে। ঘটনার সময় পার্টি অফিসে ছিলেন স্থানীয় ব্যবসায়ী গোবিন্দ রাও। শ্রীনুর থেকে বকেয়া টাকা আনতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন তিনিও।

    শ্রীনু নায়ডু হত্যায় একাধিক প্রশ্ন উঠেছে।  ঘটনায় বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে অসঙ্গতি ৷ শ্রীনুর সঙ্গে প্রতিদিন ৪ থেকে ৫ জন দেহরক্ষী থাকে। বুধবার তার সঙ্গে ছিল মাত্র ২ জন। কেন দেহরক্ষীর সংখ্যা আচমকা কম? বুধবার শ্রীনুর দেহরক্ষীর সংখ্যা যে কম, সে খবর কি হামলাকারীদের কাছে ছিল? শ্রীনু রোজ ক্লাবে বসত। বুধবারই সে ডেরা বদলে পার্টি অফিসে আসে। তার খবর কি দুষ্কৃতীদের কাছে ছিল?

    শ্রীনু হত্যাকাণ্ডে কি তাহলে পরিচিতরাই জড়িত? নাহলে এত সহজে কী করে নিরাপত্তার ব্যারিকেড ভাঙল দুষ্কৃতীরা? প্রশ্ন উঠছেই।

    First published: