• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • দলেরই নেতাকে গ্রেফতারের দাবিতে থানা ঘেরাও শাসক দলেরই অন্য গোষ্ঠীর!

দলেরই নেতাকে গ্রেফতারের দাবিতে থানা ঘেরাও শাসক দলেরই অন্য গোষ্ঠীর!

প্রাক্তন কাউন্সিলরকে গ্রেফতারের দাবিতে শুক্রবার সন্ধ্যায় বর্ধমান থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান শাসক দলেরই প্রাক্তন কাউন্সিলর ও তাঁর অনুগামীরা।

প্রাক্তন কাউন্সিলরকে গ্রেফতারের দাবিতে শুক্রবার সন্ধ্যায় বর্ধমান থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান শাসক দলেরই প্রাক্তন কাউন্সিলর ও তাঁর অনুগামীরা।

প্রাক্তন কাউন্সিলরকে গ্রেফতারের দাবিতে শুক্রবার সন্ধ্যায় বর্ধমান থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান শাসক দলেরই প্রাক্তন কাউন্সিলর ও তাঁর অনুগামীরা।

  • Share this:

Saradindu Ghosh

#বর্ধমান: শাসকদলের প্রাক্তন কাউন্সিলরকে গ্রেপ্তারের দাবিতে থানা ঘেরাও করল দলের আর এক প্রাক্তন কাউন্সিলর ও তার অনুগামীরা। শুক্রবার সন্ধ্যায় এমনই ঘটনার সাক্ষী থাকল বর্ধমান শহর। আর এর মধ্য দিয়েই আরও একবার প্রকাশ্যে এলো রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী কোন্দল।

ওই প্রাক্তন কাউন্সিলরকে গ্রেফতারের দাবিতে শুক্রবার সন্ধ্যায় বর্ধমান থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান শাসক দলেরই প্রাক্তন কাউন্সিলর ও তাঁর অনুগামীরা। থানার সামনে বসে স্লোগানও দেন তাঁরা। এই ঘটনায় যথেষ্ট অস্বস্তিতে পূর্ব বর্ধমান জেলার তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব।

এ দিন বর্ধমানের রেলওয়ে বিদ্যাপীঠ স্কুলে দুয়ারে সরকার কর্মসূচির সহায়তা কেন্দ্রের দখল কাদের হাতে থাকবে তা নিয়ে প্রাক্তন কাউন্সিলার খোকন দাস ও আর এক প্রাক্তন কাউন্সিলর সৈয়দ মহাম্মদ সেলিমের অনুগামীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। দুয়ারে সরকার কর্মসূচি সুবিধা নিতে আসা বাসিন্দাদের সহায়তার জন্য স্কুলের সামনে চেয়ার টেবিল পেতে বসে ছিলেন এলাকার প্রাক্তন কাউন্সিলর সৈয়দ মহম্মদ সেলিমের অনুগামীরা।দলে তার বিরোধী গোষ্ঠীর লোক বলে পরিচিত আর এক প্রাক্তন কাউন্সিলর খোকন দাসের অনুগামী শিব শংকর ঘোষ তাদের মারধর করে বলে অভিযোগ এরপর সৈয়দ মহম্মদ সেলিমের অনুগামীরা শিব শংকর ঘোষকে ব্যাপক মারধর করে বলে অভিযোগ। দু'পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়ে যায়। বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। ভাঙচুর করা হয় এলাকায় শাসকদলের একটি পার্টি অফিসও। অনুগামীকে মারধরের খবর পেয়ে খোকন দাস দলবল নিয়ে ওই এলাকায় যেতে চাইলে সার্কিট হাউসের কাছে পুলিশ তাদের পথ আটকায়।

সন্ধ্যের মধ্যে মহম্মদ সেলিম ও তার অনুগামীদের গ্রেফতার করা না হলে থানা ঘেরাও করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিল শাসক দলের নেতা খোকন দাস। সন্ধ্যা পর্যন্ত তাদের দাবি মেনে গ্রেপ্তার না হওয়ায় অনুগামীদের নিয়ে থানা ঘেরাও করেন ওই প্রাক্তন কাউন্সিলর। খোকন দাসের নেতৃত্বে থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায় তৃনমূলের কর্মী-সমর্থকরা।এরপর পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিলে বিক্ষোভ ওঠে।

এই এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে এসে যাওয়ায় যথেষ্ট অস্বস্তিতে দলের জেলা নেতৃত্ব। এ ব্যাপারে জেলা নেতারা প্রকাশ্যে মুখ খুলতে না চাইলেও দুই প্রাক্তন কাউন্সিলর সম্মুখ সমরে অবতীর্ণ হওয়ায় ক্ষুব্ধ তারা।জেলা নেতৃত্ব দু'পক্ষকেই সংযত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধমান পুরসভার ছ নম্বর ওয়ার্ডের কর্তৃত্ব কাদের হাতে থাকবে তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ঠান্ডা লড়াই চলছে খোকন দাস ও সৈয়দ মহম্মদ সেলিমের গোষ্ঠীর সঙ্গে। এদিনের সংঘর্ষ তারই পরিণতি বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।

Published by:Simli Raha
First published: