কালনায় গুলি করে খুন তৃণমূল নেতা

কালনায় গুলি করে খুন তৃণমূল নেতা
কালনায় শ্যুট-আউট

ইনসান মল্লিকের বাড়ি কালনার বেগপুরে। প্রতিদিনের মতো রাত নটা নাগাদ গদার পাড়ের দলীয় কার্যালয় থেকে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি।

  • Share this:

SARADINDU GHOSH

#কালনা: এ বার দুষ্কৃতীদের গুলিতে কালনায় খুন তৃণমূল নেতা ইনসান মল্লিক। তিনি কালনা এক পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ ছিলেন। শুক্রবার রাতে তিনি মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। সেসময় রাস্তার ধারে অপেক্ষায় থাকা দুষ্কৃতীদের গুলিতে মৃত্যু হয় তাঁর।

ইনসান মল্লিকের বাড়ি কালনার বেগপুরে। প্রতিদিনের মতো রাত নটা নাগাদ গদার পাড়ের দলীয় কার্যালয় থেকে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। মোটরসাইকেলে তিনি একাই ছিলেন। নারায়ণপুর পেরিয়ে বাড়ির কিছুটা আগে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কাছে দুষ্কৃতীরা তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলি পাশ থেকে তাঁর পায়ে ও কোমরের নিচে লাগে। মোটরসাইকেল থেকে পড়ে যান তিনি।

গুলির শব্দ শুনে ছুটে আসেন বাসিন্দারা। রক্তাক্ত ইনসানকে তাঁরা উদ্ধার করে কালনা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে তাঁকে কলকাতায় রেফার করা হয়। পথে অবস্থার অবনতি হলে তাকে পান্ডুয়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিত্সকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে। ছ'মাস আগেও তাঁকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। পুলিশ জানিয়েছে, দুষ্কৃতীরা সম্ভবত রাস্তার ধারে শুয়ে ছিল। সে ভাবেই তারা গুলি চালায়। গুলি করেই তারা মোটর সাইকেলে চড়ে চম্পট দেয় বলে মনে করা হচ্ছে।

ইনসান কালনায় দাপুটে নেতা হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। ভোট করানো থেকে যে কোনও কর্মসূচি - ইনসান ও তার অনুগামীরাই ছিল কালনায় শেষ কথা। মন্ত্রী তথা তৃণমূলের জেলা সভাপতি স্বপন দেবনাথের আশীর্বাদের হাত ছিল তাঁর মাথায়। ​ ইনসান গোষ্ঠীর এই প্রতাপ মেনে নিতে পারছিল না দলের বিরুদ্ধ গোষ্ঠী। সে কারণেই এই খুন বলে দাবি তাঁর আত্মীয় অনুগামীদের। তাঁরা বলছেন, ইনসানের অনুগামী সুলতানপুর পঞ্চায়েতের প্রধান সুকুর আলিকে গত বছর গুলি করে খুন করা হয়েছিল। তারপর ইনসানের ওপর হামলা হয়। ইনসান ও তার গোষ্ঠীর প্রতাপ কমাতেই তাকে সরিয়ে দেওয়া হল।

তৃণমূলের জেলা সভাপতি স্বপন দেবনাথ অবশ্য প্রকাশ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে খুনের কথা মানতে চাননি। তিনি বলেন, 'বিরোধীদের চক্রান্তেই এই খুন। একজন দক্ষ সংগঠককে হারালাম।'

আরও ভিডিও: কালনায় তৃণমূল নেতা খুন, দেখুন

First published: December 7, 2019, 5:08 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर