পুর প্রশাসকের পদ ছাড়লেন কালনা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী

পুর প্রশাসকের পদ ছাড়লেন কালনা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী

ইস্তফা দিচ্ছেন দেবপ্রসাদ বাগ।

মঙ্গলবার তিনি জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকদের কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন।

  • Share this:

#বর্ধমান: তিনি এবারের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী। তাই কালনা পুরসভার প্রশাসক মন্ডলের চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিলেন কালনা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী দেবপ্রসাদ বাগ। পুর প্রশাসকের পদে থেকে বাড়তি রাজনৈতিক সুবিধা পাওয়ার অভিযোগ তুলতে পারে বিরোধীরা। তাই তড়িঘড়ি পুরো প্রশাসকের পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন কালনা বিধানসভা কেন্দ্রের শাসক দলের প্রার্থী। মঙ্গলবার তিনি জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকদের কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন।

২০১৫ সালে কালনা পুরসভার চেয়ারম্যান হন দেবপ্রসাদ বাগ। কালনা পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর হয়েছিলেন তিনি। ২০২০ সালে পুরসভার মেয়াদ শেষ হলে তিনি প্রশাসক হিসেবে নিযুক্ত হন। তার আগে কালনা পুরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন বিধায়ক বিশ্বজিৎ কুণ্ডু। কালনার বিধায়ক বিশ্বজিৎ কুণ্ডু সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন।

তৃণমূলের থাকাকালীন বিশ্বজিৎ কুণ্ডুর সঙ্গে দেবপ্রসাদ বাগের কোন্দলের কথা কালনায় আলোচনার অন্যতম বিষয় ছিল। দেবপ্রসাদ বাগকে কালনা বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপি এখন কাকে প্রার্থী করে সেটাই দেখার। গত লোকসভা আসনের নিরিখে কালনা বিধানসভা এলাকায় শাসকদলের ঘাড়ের উপর নিঃশ্বাস ফেলছে বিজেপি। এই আসন জয়ের ব্যাপারে অনেকটাই আশাবাদী পদ্ম শিবির। তাই সব দিক বিচার বিশ্লেষণ করেই প্রার্থী নির্বাচন করা হবে বলে গেরুয়া শিবির সূত্রে জানা গিয়েছে।

পুর প্রশাসক মন্ডলের চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর দেবপ্রসাদ বাগ পুর কর্মচারীদের সঙ্গে মিলিত হন। পুরো বাসিন্দাদের স্বার্থে পৌর পরিষেবার কাজ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে করার ব্যাপারে তিনি কর্মীদের পরামর্শ দেন। তিনি জানান, কালনা পৌরসভার বহর দিন দিন বাড়ছে। জনসংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে। তাই গঙ্গার পাড় বরাবর একটি চওড়া রাস্তা প্রয়োজন। সেইসঙ্গে কালনা ও শান্তিপুরের মধ্যে ভাগীরথীর ওপর সেতু নির্মাণের কাজ শেষ করা জরুরি। বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হয়ে সবার আগে এই দুটি কাজে তিনি যোগ দেবেন বলে দেবপ্রসাদবাবু জানিয়েছেন।

Published by:Arka Deb
First published:

লেটেস্ট খবর