• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • বর্ধমানে দেওয়াল লিখনকে কেন্দ্র করে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ

বর্ধমানে দেওয়াল লিখনকে কেন্দ্র করে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ

বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই উত্তেজনা বাড়ছে পূর্ব বর্ধমান জেলায়

বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই উত্তেজনা বাড়ছে পূর্ব বর্ধমান জেলায়

বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই উত্তেজনা বাড়ছে পূর্ব বর্ধমান জেলায়

  • Share this:

#বর্ধমান: বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই উত্তেজনা বাড়ছে পূর্ব বর্ধমান জেলায়। এবার দেওয়াল লিখনকে কেন্দ্র করে বিজেপি তৃণমূল সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল জেলার সদর শহর বর্ধমানের রায়ান খাঁপুকুর এলাকা। গতকাল সন্ধ্যা থেকে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও পালটা সংঘর্ষে দুপক্ষের বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন। ঘটনায় শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানকে মারধর ও তার বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবারও এলাকায় টানটান উত্তেজনা রয়েছে। ফের সংঘর্ষ যাতে না হয় তা নিশ্চিত করতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

দেওয়াল লিখনকে কেন্দ্র করে বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। জখম হয়েছেন দু'পক্ষের বেশ কয়েকজন। ঘটনায় উদ্বিগ্ন এলাকার শান্তিপ্রিয় বাসিন্দারা। বর্ধমান থানার রায়ান এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের খাঁপুকুর পূর্বপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। বিজেপির বুথ কমিটির সভাপতি-সহ বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। পালটা তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিস ও স্থানীয় উপপ্রধানের বাড়িতে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে।

বিজেপির জেলা নেতৃত্ব জানিয়েছে, শুক্রবার থেকে তাদের সেবা সপ্তাহ শুরু হয়েছে। সেবা সপ্তাহ উপলক্ষ্যে গতকাল রাতে সহনাগরিকদের মধ্যে কেক, বিস্কুট ও লজেন্স বিতরণ করা হচ্ছিল। তাদের অভিযোগ, সেবা সপ্তাহ কর্মসূচি চলাকালীন তৃণমূলের পক্ষ থেকে অতর্কিতে তাদের ওপর আক্রমণ চালানো হয়। ঘটনায় বুথ সভাপতি-সহ তিনজন আহত হন। এলাকায় বিজেপি করা যাবে না বলে হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ।

তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্তের বক্তব্য, ''আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের জন্য ওই এলাকায় আমরা আগেই বেশ কয়েকটি দেওয়াল লিখন করেছিলাম। রাতের অন্ধকারে বিজেপি সেই দেওয়াল মুছে দেয়। এরপর সেগুলিতে বিজেপির নাম লিখে দেওয়া হচ্ছিল।'' তাদের অভিযোগ, এই ঘটনার প্রতিবাদ করলে বিজেপি বহিরাগত দুষ্কৃতীদের নিয়ে এসে তৃণমূল কর্মীদের ওপর চড়াও হয়। স্থানীয় উপপ্রধানের বাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয়। ঘটনায় বেশ কয়েকজন কর্মী জখম হন। সংঘর্ষের খবর পেয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। দুপক্ষই এলাকায় লোক জমায়েত করার চেষ্টা করে। তবে পুলিশ বাহিনী উপস্থিত থাকায় নতুন করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি। উত্তেজনা থাকায় এলাকায় পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে। পুলিশের গাড়ি বারে বারে এলাকায় টহল দিচ্ছে।

SARADINDU GHOSH

Published by:Rukmini Mazumder
First published: