দক্ষিণবঙ্গ

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

লকডাউনে কর্মহীন, সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরতে গিয়ে বাঘের হামলায় মৃত পরিযায়ী শ্রমিক

লকডাউনে কর্মহীন, সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরতে গিয়ে বাঘের হামলায় মৃত পরিযায়ী শ্রমিক
প্রতীকী ছবি৷

অভিযোগ, প্রতি তিন চারদিন অন্তর বাঘের আক্রমণে মৃত্যু হচ্ছে সুন্দরবনের মানুষের।

  • Share this:

#গোসাবা: বাঘের হানায় মৃত্যু হল এক পরিযায়ী শ্রমিকের। মৃত্যু হরিপদ মণ্ডল নামে বছর ৪৫ -এর এক ব্যক্তির। বাড়ি গোসাবার বালি ২ এর ৯ নম্বর পাড়ায়। আহত হয়েছেন সুকান্ত মণ্ডল নামে আরও একজন। মৃত এবং আহত দু' জনেই পরিযায়ী শ্রমিক। তিন দিন আগে মাছ ধরতে সুধন্যখালি জঙ্গলে গিয়েছিলেন তাঁরা। এ দিন সকালে জাল পাতার জন্য জলে নামতেই বাঘ তাঁদের উপরে হামলা চালায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় হরিপদর। আহত সুকান্ত মণ্ডলকে গোসাবা ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

অভিযোগ, প্রতি তিন চারদিন অন্তর বাঘের আক্রমণে মৃত্যু হচ্ছে সুন্দরবনের মানুষের। এঁদের প্রত্যেকের জঙ্গলে প্রবেশের বৈধ পাস ছিল। তা সত্ত্বেও মৃত্যুর পর এঁদের পরিবারের পাশে কেউ দাঁড়ায় না বলে অভিযোগ।যার ফলে, বিপদ ঘাড়ে নিয়েই বার বার বজঙ্গলে প্রবেশ করেন সুন্দরবনের বাসিন্দারা ।

এঁদের মধ্যে অনেকেই বেশ কয়েক বছর ধরে রাজ্যের বাইরে বা এলাকার বাইরে পরিযায়ী শ্রমিক হিসাবে কাজ করছিলেন।কিন্তু লক ডাউনের কারণে আর বাইরে যাওয়া হয়নি। এঁদের প্রত্যেকের দাবি , জঙ্গলকে কেন্দ্র করে সুন্দরবনে প্রচুর পরিমাণে কাজের সুযোগ রয়েছে। কিন্তু সঠিক কর্মসংস্থানের কোনও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না৷ অনেকেরই দাবি, কর্মসংস্থানের বিনিময়ে সিভিক ভলেন্টিয়ারদের মতো ৮ হাজার টাকা বেতন দিলে তাঁদেরও সংসার চলে যেত।

পর্যটন শিল্প গড়ে উঠলেও, যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে এখানে বছরে খুব একটা পর্যটক আসেন না। ফলে পর্যটন শিল্প আরও ভাল করে তুলতে গেলে, দরকার উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা।  হরিপদ বাবুর পরিবারের দাবি, আর জঙ্গলে যাবেন না বলে ঠিক করেছিলেন তিনি৷ ফের আন্দামানে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁর৷ কিন্তু সেই সুযোগ পেলেন না হরিপদবাবু৷ ভিন রাজ্যে কাজ করে ছেলেকে বি এ পাশ করিয়েছেন।ছেলে একটা চাকরি যাতে পায়, তার জন্য অনেক চেষ্টা করছিলেন।  দু - দিন আগেই গ্রামের বটতলার মোড়ে বসে সবাইকে বলেছিলেন, এবারই শেষ জঙ্গল করতে যাওয়া, ফিরে এসে আর যাবেন না। যেকোনও ভাবে ভিন রাজ্যে চলে যাবেন। সেই যাওয়া আর হল না। জঙ্গল থেকে কালো পলিথিনে মুড়ে ফিরল তাঁর দেহ।

SHANKU SANTRA

Published by: Debamoy Ghosh
First published: August 13, 2020, 1:08 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर