মর্মান্তিক! বিয়েবাড়ি যাওয়ার পথে জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনায় মৃত ৩

মর্মান্তিক! বিয়েবাড়ি যাওয়ার পথে জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনায় মৃত ৩

শুক্রবার ভোর পাঁচটা নাগাদ পূর্ব বর্ধমান জেলার গলসির কুলগড়িয়ার কাছে দু নম্বর জাতীয় সড়কে আচমকা এই দুর্ঘটনা ঘটে।

শুক্রবার ভোর পাঁচটা নাগাদ পূর্ব বর্ধমান জেলার গলসির কুলগড়িয়ার কাছে দু নম্বর জাতীয় সড়কে আচমকা এই দুর্ঘটনা ঘটে।

  • Share this:

#বর্ধমান: কি মর্মান্তিক! বিয়ে বাড়ি যাওয়া সময় পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল তিন জনের। আহত এক জন। মৃত্যু হয়েছে এক দম্পতির। তাঁদের এক আত্মীয় মারা গিয়েছেন। তাঁরা একটি চারচাকা গাড়িতে ছিলেন। গাড়ি চালাচ্ছিলেন ওই দম্পতির ছেলে। ঘটনায় তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে তাঁকে কলকাতায় রেফার করা হয়েছে।

শুক্রবার ভোর পাঁচটা নাগাদ পূর্ব বর্ধমানের গলসির কুলগড়িয়া চটি এলাকায় দু নম্বর জাতীয় সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে। মৃতদের নাম শাহবাজ খান ওরফে বাবলু, অঞ্জু খানম, জাহিদ করিম। ঘটনায় গুরুতর আহত যুবকের নাম ফাহিদ খান।তাদের সবার বাড়ি বিহারের ভাগলপুর এলাকায়।

পরিবার ও পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে নটার সময় একটি চারচাকা গাড়ি নিয়ে বিহারের ভাগলপুর থেকে বেরিয়েছিলেন তাঁরা। কলকাতার তপশিয়া এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন তাঁরা। গাড়িতে ছিলেন শাহবাগ, তাঁর স্ত্রী অঞ্জু খানম, ছেলে ফায়িদ এবং তার আত্মীয়ের ছেলে জাহির করিম।

শুক্রবার ভোর পাঁচটা নাগাদ পূর্ব বর্ধমান জেলার গলসির কুলগড়িয়ার কাছে দু নম্বর জাতীয় সড়কে আচমকা এই দুর্ঘটনা ঘটে। জানা গিয়েছে,গলসির কুলগড়িয়ার কাছে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে সজোরে ধাক্কা মারে। মুহুর্তের মধ্যে দুমড়ে মুচড়ে যায় গাড়িটি। ঘটনার খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় গলসি থানার পুলিশ। ঘটনাস্থলেই মারা যায় তিন জন।গুরুতর আহত এক জনকে গলসি থানার পুলিশ বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে সেখান থেকে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়। এলাকার বাসিন্দাদের অনুমান, চালক ঘুমিয়ে পড়েন। তাতেই তিনি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে ধাক্কা মারেন।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে ধাক্কা মারার পর চারচাকা গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে গিয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধার কাজে হাত লাগান।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: