দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

সংক্রমণ বাড়তে থাকলেও কমছে না বাজারে ভিড়, আতঙ্কিত ব্যবসায়ীরা

সংক্রমণ বাড়তে থাকলেও কমছে না বাজারে ভিড়, আতঙ্কিত ব্যবসায়ীরা

বর্ধমান শহরে প্রায় সব এলাকা থেকেই ব্যাপকভাবে করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলছে। শহর জুড়ে গোষ্ঠী সংক্রমণ চলছে বলে মনে করছে জেলা প্রশাসনও।

  • Share this:

#বর্ধমান: বর্ধমান শহরের বাজারে রাস্তাঘাটে বাসিন্দাদের ভিড় দেখে আতঙ্কিত ব্যবসায়ীরা। তাঁরা বলছেন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কথা শিকেয় তুলে এভাবে বাসিন্দারা বেরিয়ে পড়লে সংক্রমণ বাড়তেই থাকবে। যে কোনও সময় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা সঙ্গে নিয়েই দোকানপাট খুলে রেখেছেন ব্যবসায়ীরা। অনেক ক্ষেত্রে দোকানের সামনে দড়ি বা গন্ডি কাটা থাকলেও  ক্রেতারা সেসব না মেনে ভেতরে ঢুকে পড়ছেন। আর তাতেই আতঙ্কিত দোকানের কর্মচারী মালিক সকলেই।

তাঁরা বলছেন, এভাবে বাজারে ভিড় হতে থাকলে  লকডাউনের কোনও সুফল মিলবে না। জেলা প্রশাসনের কাছে এই আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। উল্লেখ্য, শুধু বর্ধমান শহরেই আক্রান্তের সংখ্যা আড়াইশো ছাড়িয়ে গিয়েছে। এখন প্রায় ১৫০ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এই শহরে মৃত্যু হয়েছে পনেরো জনের।

বর্ধমান শহরে প্রায় সব এলাকা থেকেই ব্যাপকভাবে করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলছে। শহর জুড়ে গোষ্ঠী সংক্রমণ চলছে বলে মনে করছে জেলা প্রশাসনও। এই মুহূর্তে সংক্রমণ রুখতে করণীয় কি সে ব্যাপারে সব মহলের পরামর্শ নিচ্ছে জেলা প্রশাসন। তেমনই শহরের ব্যবসায়ী মহলের বক্তব্যও শোনা হয়। সেখানে জেলাশাসককে শহরের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, রাজ্যের লকডাউনের দিনে সচেতনতার পরিচয় দিচ্ছেন বর্ধমান শহরের বাসিন্দারা। বেশিরভাগ বাসিন্দা নিজেদের গৃহবন্দি রাখছেন। বাজার এলাকা তো বটেই পাড়ার দোকানও বন্ধ থাকছে। কিন্তু লকডাউনের  পরদিনই যেভাবে বাসিন্দারা রাস্তায় বেরিয়ে পড়ছেন, যেভাবে শহরজুড়ে ভিড় বাড়ছে তাতে করোনার সংক্রমণ আরও ব্যাপক আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে। তাদের মতে, লকডাউনের পরও কিছু কিছু বিধি নিষেধ আরোপ থাকা জরুরি। ধাপে ধাপে বিভিন্ন বাজার খোলার পরামর্শ দিয়েছে তারা।

বর্ধমানের ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই মুহূর্তে বিয়ের মরশুম চলছে। তাই কাপড়ের দোকান থেকে সোনার দোকান সবেতেই ব্যাপক ভিড় দেখা যাচ্ছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকছে না। স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে অনেকে সচেতন নন।এখনও অনেকেই নিয়ম মেনে মাস্ক বা ফেস কভারে মুখ ঢাকছেন না। তার ফলে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। দোকানের কর্মচারীরাও ভয় পাচ্ছেন। আশঙ্কিত তাদের পরিবারের সদস্যরাও। লকডাউন চললে ব্যবসা মার খাবে।সে কথা মাথায় রেখেও  লকডাউন জরুরি বলে আমরা মনে করছি। তবে শুধু বর্ধমান শহর নয়, জেলাজুড়ে একটানা কয়েকদিন  লকডাউন  প্রয়োজন। সেই সঙ্গে বাইরের জেলা থেকে বাস যোগাযোগ বন্ধ রাখতে হবে। অনেকেই কলকাতা যাতায়াত করছেন। তাদের মাধ্যমে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

Published by: Dolon Chattopadhyay
First published: August 7, 2020, 5:03 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर