দক্ষিণবঙ্গ

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা আতঙ্কের জেরে শপিং মল খুললেও ক্রেতার দেখা নেই!

করোনা আতঙ্কের জেরে  শপিং মল খুললেও ক্রেতার দেখা নেই!

এতরকমের স্বাস্থ্যবিধি মেনে, কর্মচারীদের বেতন দিয়ে, এত কম ক্রেতা নিয়ে কখনই সম্ভব নয় দোকান চালু রাখা। আশঙ্কা শপিং মল খোলা থাকলেও দোকানগুলি বন্ধ হয়ে যাবে অচিরেই।

  • Share this:

#আসানসোল: আনলক প্রক্রিয়া শুরু। পুজোর মুখে শপিংমল খুললেও দেখা নেই ক্রেতার। কর্মচারি ও ভাড়া সংক্রান্ত সমস্যার কারণে এতদিন দোকান খোলেননি কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।  করোনা আতঙ্কের কারণে  এতদিন মলগুলিতে সেরকম ক্রেতাও পড়েনি। তারপরে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত যাবতীয় ব্যবস্থা করা হলেও ক্রেতার দেখা না মেলায় হতাশ রেস্তোরাঁ, হোটেল মালিক ও বস্ত্র বিপনির দোকানদারেরা। কিছুটা হতাশ হলেও ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলেই আশাবাদী তাঁরা।

তবে মল কর্তৃপক্ষের দাবি সরকার প্রোপাটিস ট্যাক্স কমিয়ে দিলে শপিং মল খুলে রাখতে পারবেন। কিন্তু আবার দোকানদারদেরও একই দাবি। মেইনটেনেন্স ফি কমানোর দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। এতরকমের স্বাস্থ্যবিধি মেনে, কর্মচারীদের বেতন দিয়ে, এত কম ক্রেতা নিয়ে কখনই সম্ভব নয় দোকান চালু রাখা। আশঙ্কা শপিং মল খোলা থাকলেও দোকানগুলি বন্ধ হয়ে যাবে অচিরেই।

আসানসোলের গ্যালাক্সি ও সেন্ট্রাম শপিং মলে ঢোকার আগে থার্মাল স্ক্রিনিং সহ স্যানিটাইজেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিটি গেটেই রয়েছে সেই ব্যবস্থা। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য ফুট প্রিন্টেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে ব্যবস্থা। কিন্তু এত ব্যবস্থা থাকলেও  সাধারণ মানুষের উপস্থিতি সেভাবে লক্ষ্য করা যায়নি। হাতে গোনা কয়েকজন ক্রেতা মলে আসছেন।

মলের সংশ্লিষ্ট দোকানদারদের দাবি, লকডাউনের সময়কার ভাড়া ও মেনটেনেন্স ফি কম করার জন্য মল কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানানো হয়েছিল। কিন্তু কোনও কাজ না হওয়ায় এতদিন দোকান বন্ধ রাখতে বাধ্য হই।’ কোরনা আবহে স্বাস্ত্যবিধি মেনে কোনও কোনও রেঁস্তোরাতে বসে খাওয়ার পরিবর্তে  খাবার পার্সেলের   ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এরফলে আবার লোকজন কম আসছে। পুজোর দিন এগোনোর সঙ্গে খাদ্যরসিক মানুষের আনাগোনা বাড়বে। এই আশাতেই রয়েছ দোকান খোলা। অন্যদিকে জেলা গড়ে প্রতিদিন ১৩০ জন করে আক্রান্ত হচ্ছেন করোনায়। এখনও পর্যন্ত জেলায় সাড়ে ৫ হাজার কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ছাপিয়ে গেছে। মৃত্যু ৪৫ জন পেরিয়ে গেছে। ফলে শপিংমল খুললেও আতঙ্ক কিন্তু রয়েই গেছে। ইদের বাজারে ব্যবসা হয়নি। এবার আসছে দুর্গাপুজো। আতঙ্কের এই পরিবেশে প্রমাদগুনছেন দোকানদারেরা।

Dipak Sharma

Published by: Dolon Chattopadhyay
First published: September 25, 2020, 8:25 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर