corona virus btn
corona virus btn
Loading

বর্ধমানে সোনা লুঠের  সময় বিপদঘন্টি বেজে উঠেছিল, তবু টের পায়নি বাইরের কেউই

বর্ধমানে সোনা লুঠের  সময় বিপদঘন্টি বেজে উঠেছিল, তবু টের পায়নি বাইরের কেউই
বর্ধমানের এই স্বর্ণঋণ সংস্থাতেই ডাকাতি হয়েছিল।

পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পেরেছে, ছ'সাত জন দুষ্কৃতী ভেতরে ঢুকে পড়ার পর স্বমূর্তি ধারণ করে। কর্মীদের মারধর করে এক জায়গায় নিল ডাউন করিয়ে রাখে।

  • Share this:

#বর্ধমান: বর্ধমানে স্বর্ণ ঋণ সংস্থায় লুটপাটের সময় দুষ্কৃতীদের অসতর্কতায় বিপদ ঘন্টি বেজেছিলো। তবে তা বাইরের কেউ শুনতে পায়নি। প্রাথমিক তদন্তের পর এমনটাই জানতে পেরেছে পুলিশ।

বর্ধমান থানার এক তদন্তকারী পুলিশ অফিসার জানান, ভল্ট রুমে ঢোকার মুখেই রয়েছে  বিপদঘন্টির বোতাম। সেখানে অনভিজ্ঞ কারও পা পড়লেই বিপদ ঘন্টি বেজে উঠবে- এমনই ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু সেই শব্দ বাইরের লোক শুনতে পান তার কোনও ব্যবস্থাই ছিল না। ফলে দুষ্কৃতীরা ভল্ট রুমে ঢোকার সময় বিপদ ঘন্টি বাজলেও তার শব্দ সীমাবদ্ধ ছিল ওই সংস্থার ফ্লোরের মধ্যেই। বাইরের কেউই তা শুনতে না পাওয়ায় সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেনি।

পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পেরেছে, ছ'সাত জন দুষ্কৃতী ভেতরে ঢুকে পড়ার পর স্বমূর্তি ধারণ করে। কর্মীদের মারধর করে এক জায়গায় নিল ডাউন করিয়ে রাখে। ব্যাঙ্কের ম্যানেজারের মাথায় বন্দুকের নল ঠেকিয়ে খুন করার ভয় দেখিয়ে ভল্টরুমে ঢুকে ভল্ট খুলতে তাঁকে বাধ্য করে। সেই ঘরে ঢোকার সময় এক দুষ্কৃতী পায়ের চাপে বিপদ ঘন্টা বেজে ওঠে। পরক্ষণেই সে পা সরিয়ে নেয়। এরপর ভল্ট রুম থেকে সোনার গয়না ব্যাগে ভরে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা।

পুলিশ ব্যাঙ্কের ভেতরে থাকা সিসিটিভিতে দুষ্কৃতীদের অপারেশন খুঁটিয়ে দেখেছে। সেই সঙ্গে ব্যাংকের বাইরে রাস্তায় বিভিন্ন সি সি টিভির ফুটেজ ইতিমধ্যেই সংগ্রহ করেছে পুলিশ। সেইসব সি সি টিভি ফুটেজ দেখে দুটি মোটর সাইকেল ও একটি মোটর সাইকেলের নাম্বার প্লেট পুলিশ শনাক্ত করতে পেরেছে। সিসিটিভির ফুটেজ দেখে পুলিশ নিশ্চিত, দুষ্কৃতীরা বর্ধমান শহর থেকে সদরঘাটের কৃষক সেতু হয়ে খণ্ডঘোষ দিয়ে বাঁকুড়ার দিকে গিয়েছে। খণ্ডঘোষের রাস্তার ধারের একটি জলাশয়ে দুষ্কৃতীরা ব্যাগ ফেলে থাকতে পারে বলে অনুমান করে সেখানে পানা সরিয়ে খানাতল্লাশিও চালায় পুলিশ।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আন্তঃরাজ্য কোনও দুষ্কৃতী দল এই ঘটনায় জড়িত বলে মনে করা হচ্ছে। এই কাজে যুক্তদের বয়স চব্বিশ পঁচিশ বছর বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। তারা নিজেদের মধ্যে হিন্দিতে কথা বলছিল। মুখে মাস্ক ছিল। বিহার ঝাড়খণ্ডের সঙ্গে তাদের যোগ থাকতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। দুষ্কৃতীরা যে অপারেশন চালানোর আগে বেশ কয়েকবার এলাকায় রেইকি করেছিল সে ব্যাপারে অনেকটাই নিশ্চিত পুলিশ।

Published by: Arka Deb
First published: July 18, 2020, 6:26 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर