• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • খাটের উপর রয়েছে খিরিশ কেউটে, বিষধর সাপের সঙ্গে নিরাপদে মানুষের সহবাস !

খাটের উপর রয়েছে খিরিশ কেউটে, বিষধর সাপের সঙ্গে নিরাপদে মানুষের সহবাস !

ঘরে ঢোকার মুখে দুটি সিলভারের হাঁড়ি বসানো রয়েছে।যার মুখটা জাল দিয়ে বাঁধা।ঘরে ঢোকা মানেই, বেশ গা ছমছমে দৃশ্য।

ঘরে ঢোকার মুখে দুটি সিলভারের হাঁড়ি বসানো রয়েছে।যার মুখটা জাল দিয়ে বাঁধা।ঘরে ঢোকা মানেই, বেশ গা ছমছমে দৃশ্য।

ঘরে ঢোকার মুখে দুটি সিলভারের হাঁড়ি বসানো রয়েছে।যার মুখটা জাল দিয়ে বাঁধা।ঘরে ঢোকা মানেই, বেশ গা ছমছমে দৃশ্য।

  • Share this:

#ফ্রেজার গঞ্জ: সাপুড়ে নয়, এমনকি যাদুকরও নয়। তিনি সাধারণ একজন মানুষ, নাম নিরাপদ। যিনি সকলের বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়েন। আর সেই মানুষটির খোঁজ মিলল দক্ষিণ ২৪ পরগনার, ফ্রেজার গঞ্জ কোস্টাল থানা এলাকার,দক্ষিণ শিবপুর গ্রামে। বিষধর সাপের সঙ্গে সহবাস করেন এই ব্যক্তি। নিরাপদের বিষয়ে জানতে পেরেই তার বাড়ি পৌঁছে যান নিউজ ১৮ বাংলার প্রতিনিধি ৷ বাড়িতে ঢুকে দেখেন নিরাপদের বাড়ির খাটের ওপর একটি জায়গায় রাখা খিরিশ কেউটে। তার পাশেই ঘুমোচ্ছিলেন তিনি ৷ কিন্তু কী করে ?

ঘরে ঢোকার মুখে দুটি সিলভারের হাঁড়ি বসানো রয়েছে।যার মুখটা জাল দিয়ে বাঁধা।ঘরে ঢোকা মানেই, বেশ গা ছমছমে দৃশ্য। ফোঁস ফোঁস করে শব্দ। রীতিমতো গা ছম ছম করছিল। এই বোধ হয়,কোনও না কোনও বিষ ধর সাপ এসে ছোবল দিল। নিরাপদ বাবুর পুত্রবধূ প্রতিমা মণ্ডল নিজের ছোট শিশু কন্যাকে নিয়ে অনায়াসেই বাড়ির কাজ কর্ম করছেন ।তার দাবি, ' বিয়ে করে যখন প্রথম এসেছিলাম ,তখন সাপ দেখে খুব ভয় পেতাম। এখন আর ভয় লাগে না। ওরা আমাদের সঙ্গেই থাকে।' ঘরের মধ্যে একটি সি এফ এস এল বাল্ব জ্বলছিল। তাতে যে খুব একটা আলো হয় না। বাড়ির চারিদিকে ধানের জমি। চারিদিকে বেশ জঙ্গল,গাছ পালা রয়েছে। যে কোন ভাবেই মনে হতেই পারে, ওখানেও বিষাক্ত সাপ রয়েছে।

নিরাপদ বাবুকে জিজ্ঞাসা করলাম, উনি কারোর কাছে কোনও দিন সাপ ধরার প্রশিক্ষণ নিয়েছেন কিনা? তিনি জানান তিনি বা তার পূর্ব পুরুষ কোনও দিন সাপুড়ে ছিলেন না। এমনকি সাপ ধরার কোনও প্রশিক্ষণও কোনও দিন নেন নি। প্রথমে উদ্বুদ্ধ হয়েছিলেন গ্রামে আসা এক সাপুড়ের সাপ ধরা দেখে।তার পর থেকেই পাড়ায় বা গ্রামে কারোর বাড়িতে, গোয়াল ঘরে ,মুরগী ঘরে সাপ ঢুকলেই নিরাপদর ডাক পড়ে। নিরাপদ সেই সাপ ধরে নিয়ে এসে বাড়িতেই রেখে,পরিচর্যা করে,খাইয়ে দাইয়ে আবার জঙ্গলে ছেড়ে দিয়ে আসে।এটাকে অনেকে পাগলামি বলেন। ওর ফোন নম্বর গ্রামের পর গ্রামে প্রত্যেকের কাছে আছে। এই রকম বিপদ ঘটলেই,ব্যাস নিরাপদ বাবু পোঁছে যান। যার কাজ, মাছ ধরে খাওয়া সেই ষাটোর্ধ্ব প্রৌঢ় যেভাবে মানুষের উপকার করছেন নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে, হাতের কায়দাতে বিষধর গোখরোদের নিয়ে ছেলে খেলা করছেন, তাতে অনেকের মধ্যে একটা আশঙ্কা রয়েছে। কাজটা আইনি কিংবা বে - আইনি সেটা উনি জানেন না।তবে এইরকম মানুষকে কুর্নিশ জানান অনেকে। আমাদের সামনে একটি, খীরিশ কেউটে নিয়ে যেভাবে খেলা দেখালেন,তাতে মনে হল উনি সাপ ধরার কাজে বেশ পটু হয়ে উঠেছেন।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: