corona virus btn
corona virus btn
Loading

একের পর এক উ‌ৎসবের দিন যাচ্ছে পেরিয়ে!‌ ভক্ত শূন্য দক্ষিণেশ্বর মন্দির খাঁ খাঁ করছে

একের পর এক উ‌ৎসবের দিন যাচ্ছে পেরিয়ে!‌ ভক্ত শূন্য দক্ষিণেশ্বর মন্দির খাঁ খাঁ করছে

অক্ষয় তৃতীয়ার দিন যে ছবি দেখে অভ্যস্ত গোটা দক্ষিণেশ্বর, করোনাভাইরাস আতঙ্ক ও লকডাউনের জেরে সেই ছবিটাই বদল হতে চলেছে।

  • Share this:

#‌কলকাতা:‌ নববর্ষের পর অক্ষয় তৃতীয়ার দিন জনশূন্য থাকতে চলেছে দক্ষিণেশ্বর মন্দির। প্রত্যেক বছর এই দিনে কয়েক লক্ষ দর্শনার্থীর সমাগম হয় দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে। আগের দিন রাত থেকেই প্রচুর ভক্ত লাইন দিতে থাকেন পুজো দেওয়ার জন্য। অনেকেই মনে করেন, মা ভবতারিণীর কাছে অক্ষয় তৃতীয়ার দিন এলে অনেক মনের ইচ্ছা পূরণ হবে ও ব্যবসার সিদ্ধিলাভ হবে। কিন্তু এ বছর সেই ছবিটা কার্যত বিপরীত হতে চলেছে।

অক্ষয় তৃতীয়ার দিন যে ছবি দেখে অভ্যস্ত গোটা দক্ষিণেশ্বর, করোনাভাইরাস আতঙ্ক ও লকডাউনের জেরে সেই ছবিটাই বদল হতে চলেছে। আগামী রবিবার ফাঁকা থাকতে চলেছে গোটা দক্ষিণেশ্বর মন্দির। যদিও নববর্ষের দিনে মন্দির বন্ধ থাকলেও হালখাতা করার জন্য অনেকেই নিজেকে ঘরবন্দী করে রাখতে পারেননি। তার জন্য মন্দিরের গেটে হালখাতা ছুঁয়ে ও ফুল দিয়ে পূজা করেছিলেন অনেক ব্যবসায়ী। মনে হচ্ছে, অক্ষয় তৃতীয়ার দিনেও মন্দিরের গেট বন্ধ থাকবে এবং বাইরে থেকেই অনেকে হালখাতা ছুঁয়ে পুজো করে চলে যাবেন। তবে মন্দির বন্ধ থাকলেও প্রত্যেক দিনের মতো নিয়ম মেনেই রবিবারেও মা ভবতারিণীর পুজো হবে।

এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের অছি ও সম্পাদক কুশল চৌধুরী বলেন, ‘‌‌এই দিনে প্রচুর দর্শনার্থীর ভিড় হয়। কিন্তু এবছর নিয়ম মেনে বন্ধ থাকবে দক্ষিণেশ্বর মন্দির।’‌ তবে রবিবার অক্ষয় তৃতীয়ার দিনেও কড়া পুলিশি নজরদারি থাকবে গোটা মন্দির চত্বর জুড়ে।

সাধারণত প্রত্যেক বছর এই অক্ষয় তৃতীয়ার দিন পুজো দেওয়ার জন্য ভোর বেলা থেকেই লাইন পড়ে যায় ভক্তদের। পরিসংখ্যান বলছে পা ফেলার পর্যন্ত জায়গা থাকে না অক্ষয় তৃতীয়ার দিন। অনেকে আবার বাইরে থেকেই অক্ষয় তৃতীয়ার দিন পূজো সেরে নেন। কিন্তু এবছর ছবিটা ‌একেবারে বিপরীত।

নববর্ষের পর এই অক্ষয় তৃতীয়ার দিনেও তাকিয়ে থাকেন পুরোহিতরাও। তবে শুধু পুরোহিতরাই নয়, মন্দিরের কাছে রয়েছে একাধিক প্যাড়ার দোকান। অক্ষয় তৃতীয়ার দিনের তাকিয়ে থাকেন এই দোকানের ব্যবসায়ীরা। কিন্তু এবছর কার্যত দোকান বন্ধ থাকায় অনেকটাই অনিশ্চিত ও আর্থিক সংকটে পড়েছেন এই ব্যবসায়ীরা। এক মিষ্টি ব্যবসায়ী বলেন ‘‌এমনিতেই আমাদের নববর্ষের ব্যবসা গেল। তার উপরে অক্ষয় তৃতীয়া আমরা পাচ্ছি না। আগামী দিনে আমরা কিভাবে সংসার কাটাবো তা বুঝতে পারছি না।’‌

সোমরাজ বন্দোপাধ্যায়

First published: April 23, 2020, 5:02 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर