দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

বর্ধমানসহ জেলার বেশ কিছু এলাকায় টানা লকডাউনের কথা ভাবা হচ্ছে , জানালেন জেলাশাসক

বর্ধমানসহ জেলার বেশ কিছু এলাকায় টানা লকডাউনের কথা ভাবা হচ্ছে , জানালেন জেলাশাসক

বর্ধমান শহরের পাশাপাশি কালনা, কাটোয়া, মেমারি পৌরসভা এলাকাতেও লকডাউন হতে পারে।

  • Share this:

#বর্ধমান: আগামীকাল বুধবার থেকে বর্ধমান শহর সহ জেলার কয়েকটি পৌর শহর ও গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় একটানা লকডাউন হতে চলেছে। আজ তেমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক বিজয় ভারতী। বর্ধমান শহর সহ জেলার বেশ কিছু এলাকায় করোনার সংক্রমণ এতটাই ব্যাপক আকার ধারণ করেছে যে তা রুখতে ফের লকডাউন ছাড়া অন্য কোন উপায় নেই বলেই মনে করছে জেলা প্রশাসন। তাই ফের পুরোপুরি লকডাউন করে বাসিন্দাদের গৃহবন্দি রেখে সংক্রমণের হার কমিয়ে আনার ভাবনা চিন্তা করছে প্রশাসন। মঙ্গলবার জেলাশাসক বিজয় ভারতী জানান, বর্ধমান শহরে প্রায় সবকটি ওয়ার্ডেই করোনার সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। এছাড়াও জেলার বেশ কিছু অংশে করোনার সংক্রমণ উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। তাই বুধবারের পর দিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার থেকে টানা সাত দিন লকডাউন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে।

বর্ধমান শহরের পাশাপাশি কালনা, কাটোয়া, মেমারি পৌরসভা এলাকাতেও লকডাউন হতে পারে। লকডাউন করা হবে বেশ কয়েকটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকাতেও। তবে এখনও এ ব্যাপারে কোনও নির্দেশিকা জারি করা হয়নি বলে জানিয়েছেন জেলাশাসক। আগামীকাল অর্থাৎ বুধবার সন্ধ্যায় এ ব্যাপারে নির্দেশিকা জারি করা হতে পারে বলে জেলাশাসক জানিয়েছেন। এমনিতেই আগামীকাল বুধবার রাজ্যজুড়ে লকডাউন। পরদিন থেকে সাত দিন টানা লক ডাউন হলে বর্ধমান শহর সহ জেলার বেশ কিছু এলাকায় টানা আট দিন লকডাউন হবে। জেলাশাসক জানান, বর্ধমান শহরে লকডাউনের পরিকল্পনা একরকম চূড়ান্ত। এছাড়াও জেলার আর কোন কোন পুর শহর ও গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় লকডাউন প্রয়োজন তা তথ্য বিশ্লেষন করে দেখে নেওয়া হচ্ছে। কালনা কাটোয়া ও মেমারি পুরসভা এলাকা ও তার আশপাশ এলাকায় করোনার সংক্রমণ উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। তাই বর্ধমানের পাশাপাশি এই তিন পুরসভা এলাকাতেও লকডাউন করা হতে পারে। এছাড়া বর্ধমান শহর লাগোয়া বর্ধমান এক ও দুই নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত, জামালপুর, ভাতার, মেমারি শহর লাগোয়া কিছু এলাকা লকডাউনের আওতায় আসতে পারে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

SARADINDU GHOSH 

Published by: Piya Banerjee
First published: August 5, 2020, 12:30 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर