শিকারে বেরিয়ে গর্তে ফেরা হল না বাঘের ভাগ্নের, আশ্রয় চিড়িয়াখানায় 

শিকারে বেরিয়ে গর্তে ফেরা হল না বাঘের ভাগ্নের, আশ্রয় চিড়িয়াখানায় 
প্রতীকী ছবি ৷

সুস্থ হওয়ার পর তাকে দর্শকদের সামনে নিয়ে আসা হবে বলেই জানা গিয়েছে

  • Share this:

#বর্ধমান: শিকার ধরতে বেরিয়িছিল রাতের অন্ধকারে। কিন্তু  বাসায় ফেরা হয়নি। সকাল সকাল সেই বাঘের ভাগ্নের দেখা মিলল বর্ধমানে।  বাসিন্দারা পশুপ্রেমী সংস্থার সাহায্যে তাকে উদ্ধার করে বন দফতরের হাতে তুলে দিল।

বর্ধমানের এগ্রিকালচারাল ফার্ম এলাকার ঘটনা। এদিন সকালে খ্যাঁক শেয়ালটিকে বর্ধমান কালনা রাস্তার ধারে বসে থাকতে দেখেন বাসিন্দারা। তাঁরা বুঝতে পারেন কোনও অসুস্থতার কারণে শেয়ালটি সেই স্হান ছেড়ে পালাতে পারছে না। এরপর তারা পশুপ্রেমী সংস্থা  ভয়েস ফর ভয়েস লেসের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তাদের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে খাঁচাবন্দি করে বর্ধমানের রমনাবাগানে বন দফতরের হাতে তুলে দেয়।

ভয়েস ফর ভয়েস লেসের সম্পাদক অভিজিত মুখোপাধ্যায় বলেন, শেয়ালটির দুটি পায়ে আঘাত রয়েছে। আমাদের ধারনা রাস্তা পারাপারের সময় শেয়ালটি কোনও গাড়ির ধাক্কায় আহত হয়েছিল। সে জন্যই দিনের আলো ফোটার পরও সে পালাতে পারে নি।

বর্ধমান বন বিভাগের রেঞ্জ অফিসার জগবন্ধু দে বলেন, শিয়ালটি বিরল প্রজাতির। আগে এ রাজ্যে প্রচুর সংখ্যক এই প্রজাতির শেয়াল ছিল। কিন্তু বর্তমানে সেই সংখ্যা অনেক কমে এসেছে। লুপ্তপ্রায় প্রজাতির এই শেয়ালটি চিকিৎসা ও খাবার খাওয়ার পর এখন অনেকটাই সুস্থ। তাকে রমনাবাগান মিনি জুতে রাখা হবে। সুস্থ হওয়ার পর তাকে দর্শকদের সামনে নিয়ে আসা হবে।

বাসিন্দারা বলছেন, বাঁকা নদীর ধারে এখনও বেশ কিছু শিয়াল রয়েছে। রাতে তাদের ডাক শোনা যায়। হাঁস মুরগির খোঁজে রাতে তারা গৃহস্থের বাড়ি ঢোকে। বর্ধমানে দামোদরের তীরেও বেশ কিছু শিয়াল রয়েছে। নদীর তীরে, ঝোপ জঙ্গলে গর্তে থাকে তারা।  পশুপ্রেমী সংস্থা ভয়েস ফর ভয়েস লেসের সদস্যরা বলছেন, জনবসতি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই ধরনের জীবজন্তুর সংখ্যা কমে আসছে। তাদের খাদ্যের অভাব দেখা দিচ্ছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খাদ্য সন্ধানে বেরতে হচ্ছে। বিষয়টা বেশ উদ্বেগজনক। তা আমাদের অজান্তেই  ইকো সিস্টেমেও যথেষ্ট ক্ষতি করছে।

Saradindu Ghosh

First published: 08:52:23 PM Jan 15, 2020
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर