corona virus btn
corona virus btn
Loading

একটা মুগডালে ভারতের ম্যাপ! তাক লাগিয়ে রেকর্ডবুকে বাঁকুড়ার রূপম

একটা মুগডালে ভারতের ম্যাপ! তাক লাগিয়ে রেকর্ডবুকে বাঁকুড়ার রূপম

রূপমের বাড়ি বাঁকুড়া জেলার দিগপাড় গ্রামে। গ্রাজুয়েশন শেষ করে আপাতত চাকরির খোঁজে রূপম।

  • Share this:

#বাঁকুড়া: একটা ডালের মধ্যে ভারতের ম্যাপ। হ্যাঁ ঠিকই পড়ছেন। একটা মাত্র মুগ ডালের মধ্যে রং তুলি দিয়ে ভারতের ম্যাপ এঁকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন বাঁকুড়ার রূপম রায়। একটা ডালের সাইজ পয়েন্ট 0. 3 সেমি 0.4 সেমি। সেই ডালের ওপর গেরুয়া, সাদা, সবুজ রং দিয়ে জাতীয় পতাকা এঁকেছেন রূপম। এই সূক্ষ্ম কাজ করতে রূপমের সময় লেগেছে মাত্র দশ মিনিট। ডালে ভারতের ম্যাপ তৈরি করে ইতিমধ্যেই রুপম নাম তুলেছেন ইন্ডিয়ান বুক অফ রেকর্ডে।

 রূপমের বাড়ি বাঁকুড়া জেলার দিগপাড় গ্রামে। গ্রাজুয়েশন শেষ করে আপাতত চাকরির খোঁজে রূপম। ছোটবেলা থেকেই শখ ছবি আঁকার। অন্য কিছু করার তাড়নায় ব্যতিক্রমী আর্টফর্ম বেছে নিয়েছেন রূপম। শাল পাতার মধ্যে ইতিমধ্যেই একের পর এক বিখ্যাত মানুষের মুখের অবয়ব ফুটিয়ে তুলেছেন। প্রথমে ছবি এঁকে শাল পাতার ওপর সেটা রেখে ব্লেড দিয়ে কেটে কেটে তৈরি হয় রূপমের শিল্প। বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর সৌরভকে তাঁর মুখের অবয়ব বটপাতাতে এঁকে তুলে দিয়েছেন রূপম। বছর 22 এর ছেলের কাজ দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক। শুধু সৌরভ নন, একাধিক মানুষের মুখের অবয়ব বট পাতায় নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন রূপম। ঠাকুর,দেবতার ছবিও জায়গা পেয়েছে রূপমের এই কাজে। এবার ক্ষুদ্র একটি ডালের মধ্যে ভারতের ম্যাপ এঁকে অন্যরকম কাজের নজির গড়লেন রূপম।

একটি ক্ষুদ্র ডাল নিয়ে সেটার ওপর ফেব্রিক রং আর তুলি দিয়ে ভারতের পুরো ম্যাপ তৈরি করেছেন রূপম। কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী পুরোটাই জায়গা পেয়েছে পয়েন্ট 0. 3 সেমি- 0.4 সেমির একটি ডালে। খাওয়ার ডালের মধ্যে এরকম কাজের পরিকল্পনা কোথা থেকে পেলেন রূপম? টেলিফোনে বাঁকুড়া থেকে রূপম বলেন, "ব্যতিক্রমী কাজ করতে সবসময় ভালো লাগে। কয়েক মাস আগে যখন শাল পাতার মধ্যে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের মুখ  এঁকে উপহার দিয়েছিলাম, তখন দাদার থেকে প্রশংসায় আরও উদ্বুদ্ধ হই। তারপর থেকেই ভাবতে থাকি অন্যরকম কী কাজ করা যায়। একদিন মাকে ডাল ধুতে দেখে মাথায় আইডিয়া আসে। তারপরই এই কাজটা করি।" খালি চোখেই কাজটা করা কতটা কঠিন? রূপম বলেন," কাজটা করার সময় ম্যাগনিফাইন গ্লাস ব্যবহার করিনি। পরে কাজ হওয়ার পর আতস কাঁচ দিয়ে দেখে বুঝতে পেরেছিলাম কেমন হয়েছে।" রেকর্ড বুকে নাম দেখে কেমন লাগছে? রূপম বলেন, কাজের স্বীকৃতি পেলে উৎসাহ আরও বেড়ে যায়। আগামী দিনে আরও ভালো কিছু করার চেষ্টা করব। তবে আপাতত একটা চাকরির খোঁজে আছি। এইসব কাজের স্বীকৃতি পাওয়া যায় কিন্তু আর্থিক দিক থেকে লড়তে গেলে একটা চাকরির প্রয়োজন। আমাদের আর্থিক অবস্থাা ভালো না। বাবা চাষ করেন। ইতিমধ্যেই সরকারি চাকরির পরীক্ষায় বসার প্রস্তুতি শুরু করেছেন রূপম। আগামী দিনে নিজের সৃষ্টির মাধ্যমে নিজের নাম গিনেস বুকে তুলতে চান তিনি। আপাতত চাকরি খোঁঁজার পাশাপাশি চলছে নতুন সৃষ্টির ভাবনা।

ERON ROY BURMAN 

Published by: Piya Banerjee
First published: March 21, 2020, 11:06 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर