বিজেপি নেতার দোকানে আগুন লাগাকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার! অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে

বিজেপি নেতার দোকানে আগুন লাগাকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার! অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে

বুধবার সকালে বর্ধমান কাটোয়া রাস্তার ধারে বাজেপ্রতাপপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এক বিজেপি নেতার দোকানের একাংশ পোড়া অবস্থায় পাওয়া যায়।

বুধবার সকালে বর্ধমান কাটোয়া রাস্তার ধারে বাজেপ্রতাপপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এক বিজেপি নেতার দোকানের একাংশ পোড়া অবস্থায় পাওয়া যায়।

  • Share this:

#বর্ধমান: বিজেপি নেতার দোকানে আগুন লাগাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ালো বর্ধমানে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে আগুন লাগানোর অভিযোগ তুলেছে বিজেপি।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্ধমানের বাজেপ্রতাপপুরে দিনভর উত্তেজনা রয়েছে। বিজেপি করার জন্যই দোকানে আগুন লাগানো হয়েছে বলে দাবি দোকান মালিকের। প্রতিবাদে বর্ধমান কাটোয়া রোড অবরোধ করে বিজেপি। টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ। ঘটনায় তাদের কর্মী সমর্থকদের জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব।

বুধবার সকালে বর্ধমান কাটোয়া রাস্তার ধারে বাজেপ্রতাপপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এক বিজেপি নেতার দোকানের একাংশ পোড়া অবস্থায় পাওয়া যায়। বিজেপি করার অপরাধে নিত্যানন্দ দাস নামে ওই বিজেপি নেতার দোকানে আগুন লাগানো হয়েছে বলে অভিযোগ তোলা হয়। এলাকার তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা রাতের অন্ধকারে এই আগুন লাগিয়েছে বলে বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়। খবর পেয়ে বিজেপির জেলা নেতারা ঘটনাস্থলে যায়। এরপরে তারা এই ঘটনার প্রতিবাদে ও দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে দোকানের সামনে বর্ধমান কাটোয়া রোড অবরোধ করে। টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয়। অবরোধ বিক্ষোভের জেরে গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তায় ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।

বুধবার ভোরে বর্ধমানের বাজেপ্রতাপপুরে বিজেপি নেতা নিত্যানন্দ দাসের হোটেলে আগুন লাগে। নিত্যানন্দ দাস বিজেপির মণ্ডল সভাপতি। তাঁর অভিযোগ, এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা হোটেলে আগুন ধরানোর কাজে জড়িত। নিত্যানন্দ দাস বলেন, মাস দুয়েক আগে এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা নুরুল আলম তাঁকে তৃণমূল পার্টি অফিসে ডেকে হুমকি দেন। বিজেপি করা যাবে না বলে শাসানো হয়। গতকালও নুরুল আলম রাতে শাসিয়ে গিয়েছিল। দোকান আগুনে জ্বলছে বলে আজ ভোরে এলাকার একজন টোটো চালক খবর দেয়।

তিনি বলেন, গতকাল সন্ধ্যায় বিজেপি কর্মী সমর্থকরা এখানে মিটিং করার জন্য জড়ো হয়েছিল। তখন তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা জমায়েত হয়।বর্ধমান থানায় খবর দিলে পুলিশ আসে। কোনও অশান্তি না হলেও তৃণমূল নেতা নুরুল আলম ও তাঁর অনুগামীরা হুমকি দেয়। হোটেলে আগুন লাগার জন্য হোটেল লাগোয়া বিদ্যুতের টান্সফর্মারেও আগুন লেগে যায়।

যদিও এই সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল নেতা নুরুল আলম। তিনি বলেন, পার্টির কাজকর্ম সেরে অনেক রাতে বাড়ি ফিরেছি।এই সব ঘটনার কথা জানা নেই। এখানে বিজেপির কোনও সংগঠনই নেই। নিজেরাই আগুন লাগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের ঘাড়ে দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে বিজেপি।

Saradindu Ghosh 

Published by:Swaralipi Dasgupta
First published: