• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • স্কুলে বরাদ্দের থেকে অনেক কম দেওয়া হচ্ছে চাল, ডাল, অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ অভিভাবকদের

স্কুলে বরাদ্দের থেকে অনেক কম দেওয়া হচ্ছে চাল, ডাল, অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ অভিভাবকদের

সেন্টারের মোট ৭৪ জন ছাত্রছাত্রী আছে। এই ছাত্রছাত্রীদের জন্য জন প্রতি বরাদ্দ ২ কেজি চাল ও ৩০০ গ্রাম করে ডাল। অভিযোগ, এই চাল ও ডালই ওজনে কম দেওয়া হচ্ছিল।

সেন্টারের মোট ৭৪ জন ছাত্রছাত্রী আছে। এই ছাত্রছাত্রীদের জন্য জন প্রতি বরাদ্দ ২ কেজি চাল ও ৩০০ গ্রাম করে ডাল। অভিযোগ, এই চাল ও ডালই ওজনে কম দেওয়া হচ্ছিল।

সেন্টারের মোট ৭৪ জন ছাত্রছাত্রী আছে। এই ছাত্রছাত্রীদের জন্য জন প্রতি বরাদ্দ ২ কেজি চাল ও ৩০০ গ্রাম করে ডাল। অভিযোগ, এই চাল ও ডালই ওজনে কম দেওয়া হচ্ছিল।

  • Share this:

Saradindu Ghosh

#বর্ধমান: রেশনে চাল কম দেওয়ার অভিযোগ ওঠে মাঝেমধ্যেই। এ বার স্কুলের শিশুদের মাসের পর মাস চাল, ডাল কম দেওয়ার অভিযোগ উঠল।শিশু শিক্ষা কেন্দ্রে চাল ও ডাল ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা দেখা দিল পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে। অভিভাবকদের অভিযোগ, শিশুরা প্রতিবাদ করবে না ধরে নিয়ে তাদের জন্য যে পরিমাণ খাদ্য সামগ্রী বরাদ্দ তার অনেক কম চাল, ডাল দেওয়া হচ্ছিল। যদিও সে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্কুলের শিক্ষিকারা। তাঁদের দাবি, ওজন মাপার যন্ত্রের ভুলে এই ঘটনা ঘটেছে। পরে আবার সঠিক পরিমানে চাল, ডাল দিয়ে দেওয়া হয়েছে।

পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের জৌগ্রামের কলুপুকুর ৪৫০ নম্বর শিশু শিক্ষা কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটেছে। বারে বারে পড়ুয়াদের কম পরিমানে চাল ডাল দেওয়া হচ্ছে বলে এদিন ওই শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের সামনে জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ দেখান অভিভাবকরা। এই বিক্ষোভের সূত্র ধরে বিষয়টি প্রশাসনের সামনে আসে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, গত চার মাস ধরেই ওই সেন্টার থেকে চাল ও ডাল ওজনে কম দেওয়া হচ্ছে।এর আগেও সেন্টারের দায়িত্ব প্রাপ্ত দিদিমনিকে জানিয়েও কোনও সুরাহা মেলেনি। এ বারও কম চাল ডাল দেওয়া হলে বাধ্য হয়েই তাঁরা প্রতিবাদ করেন।

সেন্টারের মোট ৭৪ জন ছাত্রছাত্রী আছে। এই ছাত্রছাত্রীদের জন্য জন প্রতি বরাদ্দ ২ কেজি চাল ও ৩০০ গ্রাম করে ডাল। অভিযোগ, এই চাল ও ডালই ওজনে কম দেওয়া হচ্ছিল। এরপরেই বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। বিক্ষোভের খবর পেয়ে এলাকায় যায় জামালপুর থানার পুলিশ। দু পক্ষের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে তারা।

অভিযোগ স্বীকারও করে নেন সেন্টারের দিদিমনি ও তাঁর সহায়িকা। তাঁদের পাল্টা দাবি, ওজনের কাঁটাতে গন্ডগোল হওয়াতেই চাল ও ডাল কম দেওয়া হয়েছে। যারা কম পেয়েছে, তাদের বাকি পাওনা মিটিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা হচ্ছে।

Published by:Simli Raha
First published: