corona virus btn
corona virus btn
Loading

মিড ডে মিল চালুর নির্দেশ, কিন্তু লকডাউনে স্কুলে যাবেন কী করে? চিন্তায় শিক্ষক শিক্ষিকারা

মিড ডে মিল চালুর নির্দেশ, কিন্তু লকডাউনে স্কুলে যাবেন কী করে? চিন্তায় শিক্ষক শিক্ষিকারা

অনেকেই অনেক দূর থেকে স্কুলে যান। বহু শিক্ষক শিক্ষকা আসেন জেলার বাইরে থেকে। তাঁরা স্কুলে পৌঁছবেন কিভাবে।

  • Share this:

# বর্ধমান: স্কুলে যাবেন কি করে সেই চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন শিক্ষকরা। 20 এপ্রিল থেকে স্কুলগুলিতে পড়ুয়াদের মিড ডে মিলের চাল ও আলু বিতরণ করার নির্দেশ জারি করেছে শিক্ষা দফতর। সেই সঙ্গে জানানো হয়েছে, করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সব ধরনের সাবধানতা বজায় রেখে সেই কাজ করতে হবে। একদিনে সব পড়ুয়া বা অভিভাবকদের হাতে খাদ্য সামগ্রী তুলে দিলে চলবে না। ভিড় এড়াতে কোন দিন কোন ক্লাসের পড়ুয়াদের চাল আলু দিতে হবে তাও নির্দিষ্ট করে দিয়েছে শিক্ষা দফতর। কিন্তু শিক্ষক শিক্ষকারা বলছেন, চাল আলু দেওয়ার প্রয়োজন মানছি। বাস ট্রেন চলছে না। স্কুলে যাব কিভাবে?

পূর্ব বর্ধমান জেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিদর্শক স্কুলগুলিকে জানিয়েছে, 20 এপ্রিল থেকে 23 এপ্রিল চারদিন ছাত্র ছাত্রীদের মাথাপিছু তিন কেজি করে চাল ও তিন কেজি করে আলু দিতে হবে। 19 এপ্রিলের মধ্যে তার প্রস্তুতি সম্পূর্ণ করতে হবে। 20 এপ্রিল পঞ্চম শ্রেণী, 21 এপ্রিল ষষ্ঠ শ্রেণী, 22 এপ্রিল সপ্তম শ্রেণী ও 23 এপ্রিল অষ্টম শ্রেণীর পড়ুয়াদের তা বিতরণ করতে হবে। একই ভাবে ওই চারদিন প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণী পর্যন্ত পড়ুয়াদের চাল আলু বিলির নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

কিন্তু এই পরিস্থিতি সেই কর্মসূচি কিভাবে পালন করা সম্ভব তা নিয়ে চিন্তায় শিক্ষক শিক্ষিকারা। তাঁরা বলছেন, অনেকেই অনেক দূর থেকে স্কুলে যান। বহু শিক্ষক শিক্ষকা আসেন জেলার বাইরে থেকে। তাঁরা স্কুলে পৌঁছবেন কিভাবে। বেশিরভাগ শিক্ষক শিক্ষিকাই স্কুলে যান বাসে ট্রেনে। তাঁরা চাল আলু দিতে স্কুলে পৌঁছনোর কোনও উপায় ভেবে পাচ্ছেন না। অনেকে একসঙ্গে চারচাকা গাড়িতে স্কুলে যান। লক ডাউনে সেই গাড়ি চলাচলেরও অনুমতি নেই।

শিক্ষক শিক্ষিকারা বলছেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে বলা হচ্ছে। কিন্তু আমরা এতো হ্যান্ড গ্লাভস পাবো কোথায়? শিক্ষক শিক্ষকাদের কাছে পর্যাপ্ত মাস্ক নেই। সামাজিক দূরত্ব না হয় বজায় রাখা যাবে, কিন্তু খাদ্য সামগ্রী তুলে দেওয়ার আগে ছাত্র ছাত্রী বা অভিভাবকদের হাত তো স্যানিটাইজারে পরিষ্কার করাতে হবে। প্রতিটি স্কুলেই এক দেড় হাজার করে ছাত্রছাত্রী। এতো হ্যান্ড স্যানিটাইজার মিলবে কোথায়। প্রতিটি স্কুলেই পর্যাপ্ত পরিমাণে সাবান পাঠানো হবে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছিল। অনেক স্কুলেই সেই সাবান পৌঁছয়নি।

শিক্ষক শিক্ষকরা বলছেন, মিড ডে মিলে খাদ্য সামগ্রী বিতরণের জন্য স্কুলগুলিতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, গ্লাভস ও ফেস কভার পাঠানো হোক। সেই সঙ্গে শুধুমাত্র শিক্ষক শিক্ষিকাদের জন্য বিভিন্ন রুটে বাস বা গাড়ি দেওয়া হোক। তাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে স্কুলে পৌঁছনো যাবে।

First published: April 17, 2020, 3:46 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर