• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • রেলের সিদ্ধান্তে ট্যাক্সি ও শাটল চালকদের পৌষ মাস

রেলের সিদ্ধান্তে ট্যাক্সি ও শাটল চালকদের পৌষ মাস

রেলের সিদ্ধান্তে যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়লেও লাভবান হচ্ছেন ট্যাক্সি, শাটল ও ক্যাব চালকরা ৷ যাত্রীদের অসহায়তার ফায়দা তুলে যেমন ইচ্ছে তেমন ভাড়া চাইছেন ট্যাক্সি ও শাটল চালকরা ৷

রেলের সিদ্ধান্তে যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়লেও লাভবান হচ্ছেন ট্যাক্সি, শাটল ও ক্যাব চালকরা ৷ যাত্রীদের অসহায়তার ফায়দা তুলে যেমন ইচ্ছে তেমন ভাড়া চাইছেন ট্যাক্সি ও শাটল চালকরা ৷

রেলের সিদ্ধান্তে যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়লেও লাভবান হচ্ছেন ট্যাক্সি, শাটল ও ক্যাব চালকরা ৷ যাত্রীদের অসহায়তার ফায়দা তুলে যেমন ইচ্ছে তেমন ভাড়া চাইছেন ট্যাক্সি ও শাটল চালকরা ৷

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #সাঁতরাগাছি: রেলের সিদ্ধান্তে যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়লেও লাভবান হচ্ছেন ট্যাক্সি, শাটল ও ক্যাব চালকরা ৷ যাত্রীদের অসহায়তার ফায়দা তুলে যেমন ইচ্ছে তেমন ভাড়া চাইছেন ট্যাক্সি ও শাটল চালকরা ৷ হাওড়ায় এখনও জল না নামায় দক্ষিণ-পূর্ব রেলের এক্সপ্রেস ট্রেনগুলিকে হাওড়া থেকে ছাড়া বা আসার বদলে একদিন সাঁতরাগাছি দিয়ে চালানোই স্থির করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু, সেই সিদ্ধান্তের জেরে দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা।

    সাঁতরাগাছি স্টেশনের পরিকাঠামো ততটা উন্নত না হওয়ায় যাত্রীরা চরম অসুবিধার মধ্যে পড়েছেন। সাঁতরাগাছি থেকে অন্যত্র যোগাযোগের ব্যবস্থা হাওড়ার তুলনায় অনেক খারাপ হওয়ায় সমস্যায় পড়েছেনে যাত্রীরা। সাঁতরাগাছি থেকে বিভিন্ন স্থানে যাওয়ার বাস বা অন্যান্য যানবাহন পাচ্ছেন না অনেকেই। সেই সুযোগে অনেক ট্যাক্সিচালক বেশি টাকা ভাড়া চাইছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। ফলে সব মিলিয়ে যাত্রী দুর্ভোগের চিত্রই সর্বত্র ৷

    বৃষ্টি থামলেও নামছে না জল। এখনও বানভাসি হাওড়ার বেশ কিছু ওয়ার্ড। বৃষ্টি বন্ধ হলেও এখনও দুর্ভোগ কমেনি হাওড়া স্টেশনের যাত্রীদের। টিকিয়াপাড়া কারশেড ও হাওড়া ইয়ার্ডের জল এখনও পুরোপুরি নামেনি। সকালেই বিভিন্ন রুটের ৩১টি লোকাল ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। ডাউন লাইনে ট্রেন চলাচল বেশ খানিকটা স্বাভাবিক হয়েছে। কিন্তু, আপ লাইনে প্রায় এক ঘণ্টা অন্তর ট্রেন চলছে বিভিন্ন রুটে।

    আরআরআই সিস্টেম জলের নীচে থাকায় ম্যানুয়াল সিগনালিংয়ের মাধ্যমেই কাজ চলছে। সকাল থেকেই আরআরআই সিস্টেম সারানোর কাজ শুরু হয়েছে। আর বৃষ্টি না হলে আগামিকাল সকালের মধ্যেই ট্রেন চলাচল শুরু হবে হবে আশ্বাস দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। কারশেডের জমা জল কখনও ৩টি বা কখনও ৪টি পাম্প চালিয়ে বের করার চেষ্টা করেছে রেল। কিন্তু পাম্পের সংখ্যা নেহাতই কম বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃষ্টিতে রেলের এমন অসহায় অবস্থা দেখে ক্ষুব্ধ যাত্রীরা। নিকাশি ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।

    হাওড়ার বদলে বেশ কিছু ট্রেন ছাড়ে সাঁতরাগাছি থেকে। অনেক ট্রেনকে সাঁতরাগাছিতেই থামিয়ে দেওয়া হয়। বাতিল হয়েছে মোট ৪৫ টি লোকাল ট্রেন।

    First published: