দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

'আমার বুকটা ফেটে যায', বিচারের অপেক্ষায় তাপসী মালিকের বাবা

'আমার বুকটা ফেটে যায', বিচারের অপেক্ষায় তাপসী মালিকের বাবা
মেয়ের জন্য় বিচার চান তাপসীর বাবা মনোরঞ্জন মালিক৷
  • Share this:

#কলকাতা: ঘটনার পর কেটে গিয়েছে ১৪ বছর৷ রাজ্য রাজনীতি ছাড়িয়ে গোটা দেশের নজর কেড়ে নিয়েছে সিঙ্গুর৷ রাজ্যে পরিবর্তনও হয়েছে৷ সিঙ্গুর আন্দোলনের একেবারে শুরুর দিকে গোটা রাজ্যকে নাড়িয়ে দিয়েছিল তাপসী মালিকের হত্যাকাণ্ডের ঘটনা৷ রাজ্যে আরও একটি নির্বাচনের আগে সেই তাপসী মালিকের বাবা মনোরঞ্জন মালিক বলছেন, এখনও মেয়ের খুনের বিচার পাননি তিনি৷ যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরেই আস্থা রাখছেন মনোরঞ্জন৷

বিধানসভা নির্বাচনের আগে ফের একবার শিরোনামে সিঙ্গুর৷ সিঙ্গুর নিয়ে শাসক দলও বেশ চাপে৷ যদিও তাপসী মালিকের বাবা মনোরঞ্জন মালিক আস্থা রাখছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরেই৷

তাপসী মালিককে ধর্ষণ এবং খুনের অভিযোগ উঠেছিল কয়েকজন সিপিএম নেতার বিরুদ্ধে৷ সিঙ্গুরে টাটাদের প্রস্তাবিত ন্যানো কারখানার জমির ভিতর থেকেই উদ্ধার হয়েছিল তাপসীর দগ্ধ দেহ৷ প্রথমে গ্রেপ্তার করা হলেও পরে জামিনে মুক্তি পান দুই সিপিএম নেতা সুহৃদ দত্ত এবং দেবু মালিক৷ তার পরে অবশ্য সেই মামলা আর বিশেষ এগোয়নি৷ যার ফলে হতাশ তাপসীর বাবা মনোরঞ্জন৷

হতাশ মনোরঞ্জন বলছেন, '২০০৬-এর ১৮ ডিসেম্বর আমার মেয়েকে সিপিএম নেতারা খুন করে৷ তারা এখন আমার সামনে দিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে৷ আমার সামনে দেবু মালিক ঘুরে ফিরে বেড়ায়, আমার বুক ফেটে যায়৷'

যদিও অভিযুক্ত সিপিএম নেতা সুহৃদ দত্তের দাবি, 'এখন আর ওটা নিয়ে খুব বেশি ভাবিনা৷ কারণ আমাকে রাজনৈতিক ভাবে ফাঁসিয়েছে৷' আদালত থেকে সিপিএম নেতারা জামিন পেলেও তা মানুতে নারাজ তাপসী মালিকের বাবা৷ মনোরঞ্জন বলেন, 'উনিই মূল অপরাধী৷ সিবিআই তদন্ত করে সাজা দিয়েছিল৷ এখন বলছে নির্দোষ৷'

দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়েও মুখ খুলেছেন মনোরঞ্জন৷ তাঁর কথায়, 'গোষ্ঠীদ্বন্দের জন্যই দলের ক্ষতি হচ্ছে৷ মানুষ দিদির পাশে আছে৷ দিদিকে বলব কেসটা নিয়ে কী হল৷ তাপসীকে নিয়ে রাজনীতি হয়েছে বলতে পারব না৷ তাপসীর ঘটনা নিয়ে দিদি মুখ্যমন্ত্রী হয়েছে এটা ঠিক৷ শুধু তাপসী নয়, এদিকে তাপসী, ওদিকে নন্দীগ্রাম৷ আমার মতো নন্দীগ্রামে যাঁরা শহিদ হয়েছিলেন, তাঁদের সবার চোখের জলে সাড়া দিয়ে মানুষ দিদিকে মুখ্যমন্ত্রী করেছে৷'

Eron Roy Burman/Rana Karmakar
Published by: Debamoy Ghosh
First published: January 2, 2021, 6:44 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर