Home /News /south-bengal /
Lockdown| সকাল থেকেই সীতাভোগ মিহিদানা! মিষ্টির দোকান খোলার সময় বাড়ায় খুশি বর্ধমান

Lockdown| সকাল থেকেই সীতাভোগ মিহিদানা! মিষ্টির দোকান খোলার সময় বাড়ায় খুশি বর্ধমান

মিহিদানা ও সীতাভোগ

মিহিদানা ও সীতাভোগ

মুখ্যমন্ত্রী মিষ্টি বিক্রেতাদের দাবি মেনে সময়সীমা আরও কিছুটা শিথিল করেছেন। শুক্রবার বেলা বারোটার বদলে সকাল আটটা থেকেই মিষ্টির দোকান খোলা যাবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

  • Share this:

#বর্ধমান: লক ডাউনে দোকান খোলার সময়সীমা বাড়ায় খুশি বর্ধমানের মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীরা। এর ফলে যাঁরা এতদিন মিষ্টির দোকান বন্ধ রেখেছিলেন তাঁরাও খোলার ব্যাপারে উৎসাহ পাবেন বলে মনে করছেন তাঁরা। অধিকাংশ দোকান না খোলায় পয়লা বৈশাখেও সীতাভোগ মিহিদানা থেকে বঞ্চিত থেকেছেন বর্ধমানে মিষ্টিপ্রিয় বাসিন্দারা।

রসগোল্লা, সন্দেশের মতো সীতাভোগ মিহিদানা, ল্যাংচা পেতে এবার আর কোনও বাধা রইল না বলে মনে করছেন বাসিন্দারা।

লক ডাউনে মিষ্টির দোকান বন্ধ থাকায় চরম সমস্যায় পড়েছিলেন গোপালকরা।ছানার চাহিদা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুধ বিক্রি হচ্ছিল না। দুধ উৎপাদকদের সুবিধা দিতেই শর্তসাপেক্ষে মিষ্টির দোকান খোলার অনুমতি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেক্ষেত্রে শর্ত ছিল শুধুমাত্র বেলা বারোটা থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত খোলা থাকবে মিষ্টির দোকান। মুখ্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্তকে মিষ্টি বিক্রেতারা সমর্থন করলেও তাঁরা সময় পুনর্বিবেচনার দাবি জানান। মিষ্টি বিক্রেতাদের যুক্তি ছিল, সকালে বাজার করে ফেরার পথে মিষ্টি কেনেন বাসিন্দারা। গরমের দুপুরে লক ডাউন ভেঙে মিষ্টি কিনতে বেরবেন না অনেকেই। তার ওপর করোনা ঠেকাতে লক ডাউনের জেরে বাস ট্রেন চলাচল বন্ধ। বাইরের খদ্দেরও নেই। তাই ভর দুপুরে খদ্দেরের দেখা মিলবে না ধরে নিয়ে বর্ধমানে অনেক বড় মিষ্টির দোকান ঝাঁপ বন্ধ রেখেছিল।

মুখ্যমন্ত্রী মিষ্টি বিক্রেতাদের দাবি মেনে সময়সীমা আরও কিছুটা শিথিল করেছেন। শুক্রবার বেলা বারোটার বদলে সকাল আটটা থেকেই মিষ্টির দোকান খোলা যাবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

বর্ধমান মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী সমিতির কর্মকর্তা প্রমোদ সিং বলেন, সকালের দিকে চার ঘন্টা দোকান খোলার সময় বাড়ায় মিষ্টি বিক্রি বাড়বে। এতদিন যাঁরা দোকান বন্ধ রেখেছিলেন তাঁরাও এখন দোকান খোলার ব্যাপারে উৎসাহ পাবেন।

তিনি জানান, বেশিরভাগ দোকানই শুক্রবার থেকে খোলা থাকবে বলে আমরা আশাবাদী। এতে দুধ উৎপাদক, ছানা ব্যবসায়ী, দোকানের কর্মী, কারিগর সকলেই উপকৃত হবেন।

তবে শক্তিগড়ের ল্যাংচা বিক্রেতারা এখনও দোকান খোলার ব্যাপারে দোলাচলে। তাঁরা বলছেন, চব্বিশ ঘন্টা দোকান খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হলেও তাতে আমাদের কিছু সুবিধা হবে না। কারণ, শক্তিগড়ের ল্যাংচা বিক্রি পুরোপুরি দু নম্বর জাতীয় সড়কে যান চলাচলের ওপর নির্ভরশীল। বাস বা অন্যান্য যান চলাচল শুরু না হলে খদ্দের মিলবে না। তাই লক ডাউন না ওঠা পর্যন্ত শক্তিগড়ের ল্যাংচার অধিকাংশ দোকান বন্ধই থাকবে।

Published by:Arindam Gupta
First published:

Tags: Bengal Sweets, Burdwan Sweets, Lockdown

পরবর্তী খবর