স্বামী বিবেকানন্দের পৈতৃক ভিটে বর্ধমানের কোথায় জানেন কি?

স্বামী বিবেকানন্দের পৈতৃক ভিটে বর্ধমানের কোথায় জানেন কি?

ইতিহাস প্রেমীরা বলছেন, স্বামীজীর পরিবারের স্মৃতি বিজড়িত এই স্থানকে সুন্দর ভাবে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে পরিচিত করা উচিত।

  • Share this:

Saradindu Ghosh

#বর্ধমান: পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনা শহর লাগোয়া গ্রাম দত্ত দ্বারিয়াটন। এই গ্রামেই বাস করতেন স্বামী বিবেকানন্দের পূর্ব পুরুষরা। কলকাতার আগে এই গ্রামেই থাকতেন ভূপেন্দ্রনাথ দত্তের আদি পুরুষরা। ছোটবেলায় বাড়িতে সে কথা শুনে দ্বারিয়াটন গ্রামে যান ভূপেন্দ্রনাথ। তিনি পূর্ব পুরুষদের ভিটে চিহ্নিত করেন।

পূর্ব বর্ধমানের কালনা শহর থেকে মাত্র চার কিলোমিটার। কালনা বৈঁচি যাওয়ার রাস্তায় হাজরা পাড়া মোড় বাসস্ট্যান্ড। সেখান থেকে কিছুটা এগোলেই দ্বারিয়াটন গ্রাম।

ইতিহাসের গবেষক সর্বজিত যশ বলেন, একসময় কালনার কাছে দ্বারিয়াটন গ্রামে দত্ত পরিবারের বসবাস ছিল। ভূপেন্দ্রোনাথ দত্তের লেখায় সেই প্রসঙ্গের উল্লেখও আছে। আমার কথা অমর কথা বইয়ে তিনি সেকথা বিস্তারিত লিখেছেন। পরবর্তী সময়ে দত্ত পরিবার কলকাতা শহরে চলে যায়।

3299_IMG-20200112-WA0001

গত ৪০-৪৫ বছর আগেও সেখানে একটি দোতলা বাড়ির ভগ্নাংশ ছিল। সেই বাড়ির একটি প্রাচীরও ছিল। পরবর্তী সময়ে দত্ত পরিবারের নামেই এই জায়গার নাম হয় দত্ত দ্বারিয়াটন। পরবর্তী সময়ে নটী বিনোদিনী যাত্রা পালার জন্য গ্রামের দত্ত পরিবারের বাড়ির এই অংশের পাঁচিল ভেঙে সমতল করা হয়েছিল। তারপর থেকে বিবেকানন্দের পৈতৃক ভিটে একপ্রকার ফাঁকাই ছিল।

বর্তমানে ওই স্থানে একটি ঘর তৈরি করা হয়েছে। সেখানে স্বামীজীর মূর্তি রাখা আছে। ইতিহাস প্রেমীরা বলছেন, স্বামীজীর পরিবারের স্মৃতি বিজড়িত এই স্থানকে সুন্দর ভাবে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে পরিচিত করা উচিত। সেখানে পর্যটকদের জন্য গ্রন্থাগার, সংগ্রহশালা তৈরি করা যেতে পারে।

3299_IMG-20200112-WA0000

বাসিন্দাদের দাবি বাস স্টপেজের নাম স্বামীজীর নামে করা হোক। সেইসঙ্গে পর্যটন মানচিত্রে ঐতিহাসিক এই স্থানকে পাকাপাকি জায়গা করে দিতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিক প্রশাসন। কালনা মহকুমার বাাসিন্দা প্রানী সম্পদ বিকাল মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর কালনার পর্যটন স্থলগুলি সাজিয়ে তোলা হয়েছে । স্বামী বিবেকানন্দের পৈতৃক ভিটের নতুন করে সাজিয়ে তোলা হবে। ইতিমধ্যেই এ ব্যাপারে মহকুমা প্রশাসন উদ্যোগী হয়েছে।

First published: 07:25:57 PM Jan 12, 2020
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर