কান্দিতে জনসভায় বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকার, সভা থেকে একযোগে আক্রমন

কান্দিতে জনসভায় বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকার, সভা থেকে একযোগে আক্রমন

মুখ্যমন্ত্রী কে যত দেখবে তত ভোট কমবে- দাবি শুভেন্দুর৷

মুখ্যমন্ত্রী কে যত দেখবে তত ভোট কমবে- দাবি শুভেন্দুর৷

  • Share this:

#বহরমপুর:  মুর্শিদাবাদ জেলাতে মুখ্যমন্ত্রী আছেন, ভোট পরিচালনা করবেন। মুখ্যমন্ত্রী যখন বহরমপুরে বসে আছেন তখন মুর্শিদাবাদ জেলাতে তিনটি জনসভা করলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। কান্দি, খড়গ্রাম ও বড়ঞা বিধানসভাতে একযোগে কোভিড বিধি মেনেই জনসভা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার দুপুরে কান্দি বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী গৌতম রায়ের সমর্থনে কান্দি হ্যালিফক্স মাঠে বিজেপির জনসভায় উপস্থিত ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

সভা মঞ্চ থেকে এক যোগে শুভেন্দু অধিকারী আক্রমণ করে বলেন, এখনও পর্যন্ত যা সংখ্যা গরিষ্ঠাতা জন্য ১৪৮ জন আসন হয়ে গেছে। তৃণমূল এখন কোম্পানি দল, তোলাবাজ ভাইপো সহ দেড় জন মিলে এই দল পরিচালনা করে। এই মুখ্যমন্ত্রী বর্তমানে বহরমপুরে বসে থাকলেও কোন লাভ হবে না, বিজেপি পাবে আর কিছু আসন জোট পাবে। এই জেলায় কত জন সমর্থন আছে তা আমি ভালো জানি, এবারে মুখ্যমন্ত্রী বসতে পারবেন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা টাকা ছাড়া নেতারা কতটা ঘৃনত বস্তু এবং চিটিং বাজ বিভিন্ন জায়গা থেকে এসে তৃণমূল দলে গিয়েছে। মুর্শিদাবাদ জেলাতে পুলিশ ছাড়া তৃণমূল দল শুন্য, নিজেরা গুতো গুতি করে মরছে, জাকির হোসেন জখম হচ্ছেন আর ডাক পড়ল ইমানী বিশ্বাসের। গরূ পাচারের এনামূল নাম জড়িয়ে পড়ছে আর তৃণমূল নাম তা হল তৃণমূল। কান্দি মহকুমা সব নদী ফাক করে দিয়ে দিচ্ছে বিনয় মিশ্র মধ্যে দিয়ে। প্যাড দেখলে ছেড়ে দেয় তোলাবাজ ভাইপো কাছে ত্রু দিয়ে। একটা মুখ্যমন্ত্রী কোন চাকরি হিসেব দেননি, প্রথম দেখালেন পা তারপর শিতলকুচি তারপর বলছে ফুটবল এখন বলছে খেলা হবে। মোদীজি বলছে খেল খতম বিকাশ শুরু, পশ্চিমবঙ্গ কে বাংলাদেশ বানাতে চাইছে, এই মুখ্যমন্ত্রী যে স্লোগান দেন তা বাংলাদেশ থেকে ধার করে নেওয়া। আমরা খেলা হবৈ বলি না পদ্ম ফুলের মেলা হবে আর তৃণমূল কে ফেলা হবে।

মুখ্যমন্ত্রী কে যত দেখবে তত ভোট কমবে, নিজে কি জিতবে নন্দীগ্রামে, আমি ৭:১৬ থেকে ভোট দিয়ে মাঠে। একটা বুথে গিয়ে দুঘন্টা বসে ছিলেন হিজাব লাগিয়ে। ওনাকে ঘিরে দুই হাজার লোক। নন্দীগ্রামে খেলা শেষ এবং নন্দীগ্রামে হেরে গিয়েছে।তৃণমূলের প্রার্থী অপূর্ব সরকার কে কটাক্ষ করে বলেন, কান্দি মানুষ কাছে রিজেক্ট হয়েছে। একজন পৌরসভা একজন গ্রাম ভাগ করে নিয়েছে। কান্দি এলাকায় সীমাহিন দুর্নীতি সাথে যুক্ত, পঞ্চায়েত ভোট করতে দেওয়া হয়নি, আজকে কলেজে ছাত্র সংসদের ভোট মাননীয়া করতে দেইনি। কংগ্রেস শহীষ্্যু শক্তি এখানে, কান্দি শহরে বিধায়ক নেতৃত্বে কিভাবে তান্ডব হয়েছে আমরা দেখেছি, গত ১০বছরে দুই কোটি বেকার শিল্প জিরো, কোভিড নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বড় বড় কথা বলছেন। মাননীয়া কোভিড নিয়ে কোন সভা করেননি, ১২০০ কোটি টাকা খরচ করলেন ইমাম কাছে দিলেন কিন্তু অক্সিজেন প্ল্যান্ট কেন করা হল না, স্বাস্থ্য মন্ত্রক হিসেবে গোটা রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ধ্বংস করছেন মুখ্যমন্ত্রী। মোদীজী কার্পু্রন্য করৈননি, পশ্চিমবঙ্গ আলাদা দেশ সেই দেশের প্রধানমন্ত্রী ভাবেন মুখ্যমন্ত্রী। পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ধ্বংস করছেন। মুর্শিদাবাদ জেলা থাকলেও মুখ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী সাথে ভিডিও কনফারেন্স যোগদান করেননি। গুজরাট থেকে অক্সিজেন আসছে তাহলে সেটাকে বহিরাগত বলবেন না তো মুখ্যমন্ত্রী।

Pranab Kumar Banerjee

Published by:Debalina Datta
First published:

লেটেস্ট খবর