নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দুই? ক্রমেই জোরালো মমতার সঙ্গে দ্বৈরথের সম্ভাবনা

নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দুই? ক্রমেই জোরালো মমতার সঙ্গে দ্বৈরথের সম্ভাবনা

সম্মুখসমরে মমতা বনাম শুভেন্দু?

কোথায় লড়বেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একদা স্নেহভাজন অধুনা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী?

  • Share this:

#কলকাতা: গত কাল, মঙ্গলবারই জুট কর্পোরেশনের পদ ছেড়েছেন। ভোটের ঠিক আগে মাত্র দুমাস আগে যোগ দেওয়া পদটি শুভেন্দু অধিকারী ছেড়ে দিতেই শুরু হয়েছে গুঞ্জন, এটা কি তবে বিধানসভা ভোটে লড়াইয়েরই প্রস্তুতি ? এর সাথেই উঠে আসছে পরের প্রশ্নটা, লড়লে কোথায় লড়বেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একদা স্নেহভাজন অধুনা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী? সূত্রের খবর, দল চাইছে শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামেই দাঁড়ান।

নির্বাচনের নির্ঘণ্ট সামনে এলেও এখনও কোনও দলই এখনও প্রার্থীতালিকা দেয়নি, তবে কোথায় সম্ভব্য প্রার্থী কে তা নিয়ে চলছে জল্পনাও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য নিজেই ঘোষণা করে দিয়েছিলেন, নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারে তিনি। শুভেন্দু জবাবে বলেছিলেন, পঞ্চাশ হাজার ভোটে হারাবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। যদিও সেক্ষেত্রে দুটি দরজাই খোলা ছিল, প্রত্যক্ষ ভাবে নির্বাচন লড়া বা মনোনীত প্রার্থীকে লড়াইয়ের ময়দানে সাহায্য করা। তবে সময় যত এগোচ্ছে ততই নন্দীগ্রাম দ্বৈরথে মমতার প্রতিপক্ষ হিসেবে জোরালো হচ্ছে শুভেন্দুর নামই।

মঙ্গলবারই পদ্ম শিবিরের নির্বাচন কমিটির বৈঠক ছিল। আজ বুধবার সকাল থেকেই হেস্টিংসে বসেছে বর্ধিত কোর কমিটির বৈঠক। সূত্রের খবর, জেলা থেকে নন্দীগ্রাম প্রশ্নে শুভেন্দুর নামই এসেছে এই বৈঠকে। দিলীপ ঘোষ সে কথা নিজে মুখে বলেওছেন। যদিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে দিল্লি থেকে, সেখানে প্রতিটি আসনের জন্যেই অন্তত দুটি নাম পাঠানো হবে। তবে আপাত ভাবে মনে করার যথেষ্ট কারণ থাকছে যে, দলই চাইছে এই দ্বৈরথে লড়ুন শুভেন্দু নিজেই।

শেষপর্যন্ত সেক্ষেত্রে লড়াই হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুভেন্দু অধিকারীর। মমতার পতাকা হাতেই শুভেন্দু ২০১৬ সালে নন্দীগ্রামে ৬৭ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছিলেন। কিন্তু এবার লড়াইটা তত মসৃণ নয়, কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যাবতীয় উত্থানের এপিসেন্টার নন্দীগ্রাম। তাঁর নামটাই সেখানে বড় ফ্যাক্টর। তৃণমূলের জনসভায় বোঝাও গিয়েছে সেই জনসমর্থন এখনও টাল খায়নি। সেক্ষেত্রে কী হবে শুভেন্দুর তুরুপের তাস, সেটাই দেখার।

Published by:Arka Deb
First published: