২০১৪ সাল থেকে শয্যাশায়ী, বিশেষজ্ঞদের আশায় নতুন বাঁচার আলো দেখছে শুভেন্দু

Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Jan 29, 2019 09:22 AM IST
২০১৪ সাল থেকে শয্যাশায়ী, বিশেষজ্ঞদের আশায় নতুন বাঁচার আলো দেখছে শুভেন্দু
নিজস্ব চিত্র
Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Jan 29, 2019 09:22 AM IST

#পূর্ব মেদিনীপুর: ছেলে আছে। কিন্তু, থেকেও যেন নেই। পথ দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার পর পাঁচ বছর ধরে বিছানায় শোয়া পূর্ব মেদিনীপুরে শুভেন্দু মাজি। প্রায় কোটি টাকা খরচ করে চিকিৎসা হয়েছে। কিন্তু, তাতেও সাড়া মেলেনি। নিউজ এইটিন বাংলায় এই খবর সম্প্রচার হওয়ার পর গ্রামে যান দুই নিউরোথেরাপি বিশেষজ্ঞ। তাঁদের আশা, থেরাপির মাধ্যমে সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন শুভেন্দু।

গত পাঁচ বছর ধরে দিন-রাত মা-বাবার শুধু একটাই আর্তি। একবার যদি ছেলেটা উঠে বসে। পূর্ব মেদিনীপুরের জগন্নাথপুরের শুভেন্দু মাজি। দুর্ঘটনার জেরে শয্যাশায়ী। সোমবার গ্রামে যান দুই নিউরোথেরাপি বিশেষজ্ঞ। শুভেন্দুকে পরীক্ষা করে দেখেন তাঁরা।

২০১৪ সালে মোটরবাইকে বিয়েবাড়ি থেকে ফেরার সময় হলদিয়া-মেচেদা রাজ্য সড়কে দুর্ঘটনা ঘটে শুভেন্দু মাজির। একমাত্র ছেলে শুভেন্দুকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন ছিল মা-বাবার। ছেলে ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করে হলদিয়াতে চাকরিও পান। বিয়ে করেন। ২০১৪ সালে বাবাও হন শুভেন্দু। আর সে বছরই ভয়ঙ্কর পথ দুর্ঘটনা।

তারপর থেকে বিছানায় শুয়ে শুভেন্দু। নিথর। জ্ঞানহীন। চিকিৎসার অনেক ব্যবস্থা হয়েছে। কিন্তু, প্রায় কোটি টাকা খরচ হয়ে গেলেও সাড়া দেননি শুভেন্দু। ছেলের যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে গত তেইশে জানুয়ারি জন্মদিনেই স্বেচ্ছামৃত্যুর জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লেখেন শুভেন্দুর বাবা-মা। তাঁদের ভেঙে পড়ার মাঝেই আশার আলো নিয়ে বাড়িতে হাজির দুই নিউরোথেরাপি বিশেষজ্ঞ। তাঁদের আশ্বাস, চিকিৎসা হলে সুস্থও হয়ে উঠতে পারেন শুভেন্দু।

প্রাথমিকভাবে শুভেন্দুর শরীরে মিলেছে স্পন্দন। তাতেই তিল তিল করে মৃত্যু পথযাত্রী শুভেন্দুকে নিয়ে আশার আলো দেখছেন তাঁর বাবা-মাও।

Loading...

একসময় শুভেন্দুর বাবা-মা সব আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন। ছেলের স্বেচ্ছামৃত্যুর পর অঙ্গদানের সিদ্ধান্তও নেন তাঁরা। এবার কলকাতায় চিকিৎসা করালে যদি সত্যিই ভাল হয়ে ওঠে ছেলে। সেই আশাতেই দিন গুণছেন শুভেন্দুর বাবা-মা।

First published: 09:22:13 AM Jan 29, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर