corona virus btn
corona virus btn
Loading

ঝাড়গ্রামে সরকারি অনুষ্ঠানে গেলেন না মন্ত্রী  শুভেন্দু অধিকারী!

ঝাড়গ্রামে সরকারি অনুষ্ঠানে গেলেন না মন্ত্রী  শুভেন্দু অধিকারী!
শুভেন্দু অধিকারী। ফাইল চিত্র

বিশ্ব আদিবাসী দিবস উদযাপন কমিটির অনুষ্ঠানে যোগ দিলেও মেরেকেটে তিন কিলোমিটার দূরের সরকারি অনুষ্ঠানে শুভেন্দুর না আসা নিয়ে জল্পনায় রাজনৈতিক ইন্ধন জোগালো।

  • Share this:

#ঝাড়গ্রাম: হুল দিবসের পর এবার বিশ্ব আদিবাসী দিবস। ঝাড়গ্রামে থেকেও ফের রাজ্য সরকারি অনুষ্ঠান এড়ালেন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সরকারি বিজ্ঞাপনে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর নাম যদিও ছাপা হয়েছিল। তবে বিশ্ব আদিবাসী দিবস উদযাপন কমিটির অনুষ্ঠানে যোগ দিলেও মেরেকেটে তিন কিলোমিটার দূরের সরকারি অনুষ্ঠানে শুভেন্দুর না আসা নিয়ে জল্পনায় রাজনৈতিক ইন্ধন জোগালো।

ঝাড়গ্রাম জেলায় দলীয় পর্যবেক্ষক ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি সংগঠন জোরদার করলেও তাঁর সঙ্গে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে এই জেলায় পর্যবেক্ষক হিসেবে জুড়ে দেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর থেকেই ঝাড়গ্রামে দলের সংগঠনের কাজ থেকে গুটিয়ে নিতে থাকেন শুভেন্দু। এমনকি লকডাউনে পার্থ ও শুভেন্দু দু'জনেই আলাদাভাবে খাদ্যসামগ্রী পাঠিয়েছেন। জেলা নেতৃত্ব দুই হেভিওয়েটের মধ্যে ঠান্ডা লড়াইয়ে বেজায় অস্বস্তিতে। এর প্রভাব আগামী দিনে পড়ার আশঙ্কাও করছেন তাঁরা।

হুল দিবসেও সরকারি অনুষ্ঠানের মতো রবিবার ৯ আগস্ট বিশ্ব আদিবাসী দিবসের অনুষ্ঠানে ঝাড়গ্রামের সিধু-কানু হলেপার্থ চট্টোপাধ্যায়, বেশ কয়েকজন বিধায়ক, জেলাসভাধিপতি, জেলাশাসক, পুলিশ সুপার প্রমুখ। তৃণমূলের জেলা চেয়ারম্যানও ছিলেন।

এর আগে বহুদিন ধরে পলিথিনে মোড়া ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের আবক্ষ মূর্তি উন্মোচন করেন শিক্ষামন্ত্রী। যদিও কিছুদিন আগেও প্রশাসনিক মহলের খবর ছিল, এই মূর্তিটি শুভেন্দু অধিকারীর হাত দিয়ে উন্মোচিত হবে। কিন্তু তা হল না। তিন কিলোমিটার দূরে থেকেও শুভেন্দুর সরকারি অনুষ্ঠান এড়ানো নিয়ে প্রশ্নের জবাবে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, "কেন আসেননি বলতে পারব না। তবে এলে ভালো হতো। এদিন সকালে শুভেন্দু অধিকারী বিয়াল্লিশের ভারত ছাড়ো আন্দোলনের ৭৮তম বর্ষপূর্তিতে শহিদ-তীর্থ মহিষাদলের শহিদ বেদিতে মাল্যদান করে স্বাধীনতা আন্দোলনের শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন। সেখান থেকে ঝাড়গ্রাম। তাঁকে স্বাগত জানাতে বিশাল বাইক মিছিল হয় তৃণমূলের পতাকা ছাড়াই।

অরাজনৈতিক অনুষ্ঠানে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "ঘৃণা, বিদ্বেষ, হিংসা, খুনোখুনি নয়। সকলে মিলে জঙ্গলমহলের শান্তি বজায় রাখতে হবে, যাতে কাউকে খুন বা অনাথ হতে না হয়। আদিবাসী, বনবাসী মানুষজনের এগিয়ে চলা, শিক্ষা, সংস্কৃতির বিকাশ, শিক্ষিত যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানে সাধ্যমতো পাশে থাকব। বিশ্ব আদিবাসী দিবস উদযাপন কমিটির এই অনুষ্ঠানে গত দশ বছর ধরে আসছি। পায়ে হেঁটে বা মোটর সাইকেলে চেপে গোটা জেলা ঘুরেছি। এখানকার মানুষের আন্তরিকতা অভূতপূর্ব। তাই ব্যস্ততা থাকলেও এই অনুষ্ঠানে প্রতি বছর আসি। এখান থেকে তমলুকে ভারত ছাড়ো আন্দোলনের বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানে যাব। মনে রাখবেন, যে কোনও প্রয়োজনে শুভেন্দু অধিকারী আপনাদের পাশে থাকবে। লকডাউনের মধ্যেও আমার সাধ্যমতো ফ্যামিলি রেশন, মাস্ক, স্যানিটাইজার বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া জেলায় লোধা, শবর পরিবারগুলির জন্য পাঠিয়েছি।"

তিরন্দাজ মণিকা সোরেনকে কন্টাই কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কে ও ফুটবলার  লক্ষ্মী মান্ডিকে বিদ্যাসাগর সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কে চাকরি করে দেওয়ার কথাও এদিন জানান মন্ত্রী। বিগত ১০ বছরের মতো এই বছরেও বিশ্ব আদিবাসী দিবস উদযাপন উপলক্ষে ৫০টি ক্লাবকে ক্রীড়া সরঞ্জাম ও ১০টি লোকসংস্কৃতি গাঁওতাকে ধামসা মাদল বিতরণ করেন তিনি।

*SUJIT BHOWMIK*Su

Published by: Arka Deb
First published: August 12, 2020, 7:11 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर