স্কুল খোলেনি, ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্ম থেকে সরস্বতী পুজোর অঞ্জলি দিল পড়ুয়ারা

স্কুল খোলেনি, ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্ম থেকে সরস্বতী পুজোর অঞ্জলি দিল পড়ুয়ারা
বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানিয়েছেন, স্কুলের প্রতিটি ছাত্র ছাত্রী লাইভ এবং অনলাইন পুষ্পাঞ্জলিতে অংশ নিয়েছিল।

বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানিয়েছেন, স্কুলের প্রতিটি ছাত্র ছাত্রী লাইভ এবং অনলাইন পুষ্পাঞ্জলিতে অংশ নিয়েছিল।

  • Share this:

#বর্ধমান: সরস্বতী পুজোয় অনলাইনেই পুষ্পাঞ্জলি দিল পড়ুয়ারা।পুষ্পাঞ্জলির ফুল অনলাইনেই ছুড়ে দিল মা সরস্বতীর পায়ে। করোনার সংক্রমণ রুখতে সারা বছর বন্ধ ছিল স্কুলের দরজা। ভরসা বলতে ছিল অনলাইন ক্লাস। নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত পড়ুয়াদের জন্য ক্লাসরুম খুললেও বাকিরা এখনও একরকম গৃহবন্দি অনলাইনে পড়াশোনা চালাতে হচ্ছে তাদের। এবার সরস্বতী পুজোর অঞ্জলি দিতে যাওয়া হলো না অনেকেরই। ঘরে বসে অনলাইনে মন্ত্রোচ্চারণের পর মায়ের পায়ে পুষ্প অর্পণ করলো তারা।

মহামারি করোনার সংক্রমণ রুখতে গিয়ে বদলে গিয়েছে অনেক কিছুই। নিউ নরমালে বদলেছে স্কুলে প্রথাগত শিক্ষা ব্যবস্থা। এখন ক্লাসরুমে একসঙ্গে পাঠ নেওয়ার বদলে ভার্চুয়াল ক্লাসে অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ পড়ুয়াদের অনেকেই। করোনার সংক্রমণের কারণে স্কুলে যাওয়ার উপায় নাই পড়ুয়াদের। তাই গত বেশ কয়েক মাস ধরে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার মাধ্যম ছিল ভার্চুয়াল ক্লাস। কথোপকথনের সুযোগ না থাকলেও অনলাইন ক্লাসে পড়া বুঝে নিতে হয়েছে শিক্ষকের কাছ থেকে। করোনার সংক্রমণ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আসার পর গত সপ্তাহ থেকেনবম থেকে দ্বাদশ শ্রেনি পর্যন্ত পড়ুয়াদের জন্য স্কুল খুললেও এখনও ব্রাত্য শিশুরা।শিশুমনে সরস্বতী পুজোর আনন্দ দেওয়ার লক্ষে বর্ধমানের একটি ইংরাজি মাধ্যম স্কুলে আয়োজন করা হয়েছে অনলাইনে পুষ্পাঞ্জলির।


স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা বাড়িতে। পুজো হচ্ছে স্কুল চত্বরে।স্কুলে প্রতিমা আনা হয়েছে।পুরোহিত মশাই পুজো করছেন।ফেসবুক ও জুম অ্যাপের মাধ্যমে লাইভ স্টিমিং।বাড়িতে বসেই সরস্বতী পুজোর আনন্দ নেওয়া।এতো গেল পুজো দেখা। কিন্তু পুষ্পাঞ্জলি!!তা থেকে যাতে শিশুরা বাদ না যায় তার জন্য কয়েকজন করে গ্রুপে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে আইডি ও পাশওয়ার্ড।জুম অ্যাপের মাধ্যমে তাতে লগ ইন করে রীতিমত সেজেগুজে পুরোহিত মহাশয়ের মন্ত্র উচ্চারন করলো পড়ুয়ারা।অনলাইনের মাধ্যমে চলল পুষ্পাঞ্জলি।

বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানিয়েছেন, স্কুলের প্রতিটি ছাত্র ছাত্রী লাইভ এবং অনলাইন পুষ্পাঞ্জলিতে অংশ নিয়েছিল। পুষ্পাঞ্জলি ভার্চুয়াল হলেও স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের আগ্রহ-উদ্দীপনা ছিল আগের মতোই। শুধুমাত্র পার্থক্য বলতে পড়ুয়ারা সশরীরে বিদ্যলয়ে উপস্থিত না থেকে অনলাইনে স্কুলের পুজো দেখছে এবং পুষ্পাঞ্জলি দিচ্ছে।সরস্বতীর পুজোর অভাবটা যাতে শিশুমন বুঝতে না পারে তার জন্যই এই উদ্যোগ।

Saradindu Ghosh

Published by:Debalina Datta
First published: