corona virus btn
corona virus btn
Loading

ধেয়ে আসছে ভয়ঙ্কর আমফান, বিপর্যয় মোকাবিলায় কতটা প্রস্তুত প্রশাসন ?

ধেয়ে আসছে ভয়ঙ্কর আমফান, বিপর্যয় মোকাবিলায় কতটা প্রস্তুত প্রশাসন ?

এপ্রিল ও মে মাসে বরাবর ঝড় বা ঘূর্ণি ঝড় তৈরি হয় বঙ্গোপসাগরে। আর তার সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ে দুই ২৪ পরগনা, মেদিনীপুর ও কলকাতাতে।

  • Share this:

#কলকাতা: ২০১৯ শে পর পর দুটো সাইক্লোন আর সুপার সাইক্লোন দেখেছিল এরাজ্য। এপ্রিল ও মে মাসে বরাবর ঝড় বা ঘূর্ণি ঝড় তৈরি হয় বঙ্গোপসাগরে। আর তার সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ে দুই ২৪ পরগনা, মেদিনীপুর ও কলকাতাতে। ২০০৯ এর ২৬ শে মে আয়লার তান্ডবের পর পাল্টে যায় প্রশাসনিক চিন্তাভাবনা। নদী আর খাড়ি বেস্টিত ব-দ্বীপগুলিতে মাল্টি পারপাস সাইক্লোন সেল্টারে তৈরির কাজ শুরু হয়।প্রতিটি মাল্টি পারপাস সাইক্লোন সেল্টারে এক কোটি টাকা ব্যায় করা হয়।

মঙ্গলবার আমফান সুপার সাইক্লোন দরজায় কড়া নাড়ছে সেই সময় উত্তর ২৪ পরগনার জেলা প্রশাসন ৬০ হাজার মানুষকে সরিয়ে ফেলতে পেরেছে।গত বছরের ফনির তান্ডব কিংম্বা বুলবুল সব সময় সুন্দরবন এলাকার আশ্রয় সাইক্লোন সেন্টার। আয়লার পর তৈরি হওয়া,  বহুমুখী সাইক্লোন সেন্টার গুলিতে বসিরহাট মহকুমা  প্রশাসন মানুষকে সরানোর কাজ প্রায় শেষ করে এনেছে। হাসনাবাদ ব্লকের বরুনহাট পঞ্চায়েতের রামেশ্বরপুর সাইক্লোন সেন্টারে ইতিমধ্যে লোকজন আসতে শুরু করেছে।

এই সাইক্লোন সেল্টারে আশ্রয় নেওয়া গৃহবধু রনিতা দাস জানান এলাকার লোকজনের বাড়ি দূর্বল।তাই পঞ্চায়েতের উদ্যোগে তারা সপরিবারে আশ্রয় নিতে চলে এসেছেন  সাইক্লোন সেন্টার এ।পঞ্চায়েত প্রশাসন থেকে তাদের পরিস্কার বলে দেওয়া হয়েছে বাড়ির পশ্য ও গবাদী পশু নিয়ে দ্রুত এই সব সাইক্লোন সেল্টারে চলে যেতে।এধরনের ৬৩ টি মাল্টি পারপাস সাইক্লোন সেল্টারে তৈরি হয়েছে বসিরহাট মহকুমায়। রয়েছে ৫৭ ফ্লাড সেল্টার।আর ৫০০ টি আই সিডিএস সেল্টার ও স্কুলকেও বেছে নেওয়া হয়েছে আমফনের তান্ডব থেকে মানুষকে বাঁচাবার আশ্রয় হিসাবে।

বসিরহাটের মহকুমা শাষক বিবেক ভাসান এদিন জানান এক দিকে করোনা মহামারি তার উপর  আমফনের আতঙ্ক।ফলে সময়টা সবার কাছেই চ্যালেঞ্জিং।তবে তার দাবি প্রশাসন তৈরি যে কোন চ্যালেঞ্জের জন্য।তিনি জানিয়েছেন এন ডি আর এফ এর তিনটি দল বসিরহাটের ধামাখালি,যোগেশগঞ্জ ও হাসনাবাদে মোতায়ন করা হয়েছে।আর রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দলকে মোতায়ন করা হয়েছে ন্যাজাট ও সন্দেশখলি ২ এলাকা।করোনা মহামারিকে মাথায় রেখে প্রতিটি সেল্টার হোমের কর্মীদের জন্য পিপিই কিট মজুত রাখা হয়েছে।৭৫ হাজার মাস্ক ও ১০০ লিটার স্যানিটাইজারও সেল্টারে আসা মানুষের জন্য মজুত রাখা হয়েছে।আর করোনা মহামারি জন্য আগে থেকে খাদ্য শস্য ব্লকগুলিতে পাঠানো আছে।

Published by: Dolon Chattopadhyay
First published: May 19, 2020, 6:21 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर