• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • দেদার বিকোচ্ছে নকল ঘি, পচা মিষ্টি ! অজান্তেই শরীরে ঢুকছে ‘বিষ’

দেদার বিকোচ্ছে নকল ঘি, পচা মিষ্টি ! অজান্তেই শরীরে ঢুকছে ‘বিষ’

বাসিন্দারা বলছেন, এখনও বিক্রি হয়ে চলা পচা মিষ্টি, মিষ্টির রস কোন কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে তা খতিয়ে দেখুক প্রশাসন।

বাসিন্দারা বলছেন, এখনও বিক্রি হয়ে চলা পচা মিষ্টি, মিষ্টির রস কোন কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে তা খতিয়ে দেখুক প্রশাসন।

বাসিন্দারা বলছেন, এখনও বিক্রি হয়ে চলা পচা মিষ্টি, মিষ্টির রস কোন কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে তা খতিয়ে দেখুক প্রশাসন।

  • Share this:

#বর্ধমান: নকল ঘি কারখানার হদিশ মেলার পরও আগের মতোই বিক্রি হচ্ছে পচা মিষ্টি ও মিষ্টির পচা রস। কোনও হেলদোলই নেই প্রশাসনের। আর তাতেই চোখ কপালে বর্ধমানের বাসিন্দাদের।  ঠিকমতো অভিযান হলে এই ধরনের নকল ঘি বা ভোজ্যতেল তৈরির আরও কারখানার হদিশ মিলবে - শহরজুড়ে গুঞ্জন এমনটাই।

বাসিন্দারা বলছেন, এখনও বিক্রি হয়ে চলা পচা মিষ্টি, মিষ্টির রস কোন কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে তা খতিয়ে দেখুক প্রশাসন।

শহরের বাসিন্দা শাশ্বতী মজুমদার বলছিলেন, জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সব কাজেই ঘিয়ের প্রয়োজন। পুজো থেকে শবদাহ সবেতেই ঘিয়ের ব্যবহার। রান্নার স্বাদ বাড়াতে ঘিয়ের বিকল্প নেই। স্বাস্থ্যকর খাদ্য হিসেবেও ঘি, বনস্পতি তেলের বহুল ব্যবহার রয়েছে। সেই ঘিয়ের নামে বিষ খাচ্ছি ভেবেই আতঙ্ক হচ্ছে। তার ওপর সেই পচা মিষ্টি, পচা রস থেকে নকল চকোলেট, বেবফুড তৈরি হচ্ছে- কি করছে প্রশাসন।

যে প্রশাসনের তৎপরতা বৃদ্ধি প্রয়োজন বলে দাবি তুলছে বাসিন্দারা সেই জেলা প্রশাসনের মধ্যে এখনও কোনও হেলদোল নেই। জেলাশাসক বিজয় ভারতী বলেন, পুলিশের কাছ থেকে বা অন্য কোনও সূত্রে কোনও অভিযোগ মেলেনি। অভিযোগ পেলে তা খতিয়ে দেখা হবে।

নকল ঘি বা বেবি ফুড তৈরির কারখানার হদিশে রাজ্য জুড়ে শোরগোল পড়ে গেলেও তা জানেনই না জেলার ফুড সেফটি অফিসার। খাদ্য তৈরিতে গুনমান বজায় থাকছে কিনা তা নিয়মিত খতিয়ে দেখাই কাজ ওই দফতরের। অথচ সর্বশেষ কবে তিনি বা তাঁর দফতর সে কাজ করেছেন তা জানাতে পারলেন না ফুড সেফটি অফিসার অসিতকুমার রায়।

প্রশাসনের গাফিলতির সুযোগে মিষ্টির দোকান থেকে গাদ বিক্রি অব্যাহত। নকল কারখানার হদিশ মেলার পরও অবাধে সেই গাদ কেনাবেচা চলছে। মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, দেড়শ টাকা টিন দরে বিক্রি হয় গাদ। অনেকে পচে যাওয়া মিষ্টিও বেচে দেন। সেই গাদ থেকে পাওয়া তেলে সাবান তৈরি হয় বলেই জানা ছিল। কিন্তু তা থেকে যে নকল ঘি তৈরি হচ্ছে তা জানা ছিল না বলেই দাবি মিষ্টি ব্যবসায়ীদের।

শহরের বাসিন্দা শেখ আলহাজউদ্দিন বলেন, এখনও মিষ্টির দোকান থেকে দেদার গাদ বিক্রি হলে তা কোথায় যাচ্ছে প্রশাসনের খতিয়ে দেখা উচিত। এই ধরনের কারখানা থেকে থাকলে অবিলম্বে তা বন্ধ করা দরকার। সেইসঙ্গে নকল কারবারে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক।

Saradindu Ghosh

Published by:Siddhartha Sarkar
First published: