জিভে জল আনছে নলেন গুড়! শীতের হাত ধরে বাজার দখল করছে ভাল মানের গুড়

জিভে জল আনছে নলেন গুড়! শীতের হাত ধরে বাজার দখল করছে ভাল মানের গুড়

ক্রেতারা বলছেন, নলেন গুড়ের রসগোল্লা কিংবা বাসমতি চাল দিয়ে নলেন গুড়ের পায়েসের স্বাদের কোনও ভাগ হবে না।

ক্রেতারা বলছেন, নলেন গুড়ের রসগোল্লা কিংবা বাসমতি চাল দিয়ে নলেন গুড়ের পায়েসের স্বাদের কোনও ভাগ হবে না।

  • Share this:

#বর্ধমান: শীত জাঁকিয়ে পড়তেই বর্ধমানের বাজারের দখল নিতে শুরু করেছে নলেন গুড়৷ বর্ধমানের কার্জন গেট লাগোয়া কোর্ট কম্পাউন্ড এলাকায় এখন সার দিয়ে পসরা সাজিয়েছেন নলেন গুড় বিক্রেতারা। ভাল মানের সুগন্ধযুক্ত নলেন গুড়ে রসনা তৃপ্ত করতে সেই বিক্রেতাদের কাছে ভিড় জমাচ্ছেন অনেকেই।

গত কয়েকদিন ধরেই বর্ধমান সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে ঘোরাঘুরি করছে। তাপমান যন্ত্রের মাত্রা অনুযায়ী তেমন শীত না পড়লেও কুয়াশার কারণে সূর্যের তেজ তেমন না থাকায় শীতের আমেজ ভালই টের পাওয়া যাচ্ছে ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহেই। সেই শীতকে আরও উপভোগ্য করে তুলতে অনেকের কাছেই নলেন গুড়ের বিকল্প নেই। গুড় কেনার পাশাপাশি বয়স্কদের অনেকেই ছোটবেলার বরফ ঠান্ডা খেজুর রস খাবার স্মৃতিচারণ করছেন। কুয়াশামাখা কনকনে শীত। সেই শীতে সূর্য ওঠার আগে খেঁজুর গাছ থেকে নামিয়ে আনা হয় শীতল রসে ভর্তি মাটির হাড়ি। সেই রস ফুটিয়ে তৈরি হয় নলেন গুড়।

ক্রেতারা বলছেন, নলেন গুড়ের রসগোল্লা কিংবা বাসমতি চাল দিয়ে নলেন গুড়ের পায়েসের স্বাদের কোনও ভাগ হবে না। শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে রসনায় লাগাম টানতে হয়েছে যাদের তাঁরাও এই সময় নলেন গুড়ের স্বাদ নিতে ভুল করেন না। পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়া ও কালনা মহকুমায় ব্যাপকভাবে খেঁজুর রস পাওয়া যায়। সেখানেই তৈরি করা হয় নলেন গুড়। সেই গুড় তরল অবস্থায় বা পাটালি করে নিয়মিত আসে বর্ধমান শহরে। বিক্রেতারা জানালেন সারা বছর নলেন গুড়ের পাটালির কমবেশি চাহিদা থাকলেও এই সময় সেই চাহিদা অনেকটাই বেড়ে যায়। চাহিদার কারণে এখন খেঁজুর গুড় তৈরির ব্যস্ততাও তুঙ্গে।

তাঁরা বলছেন, কুয়াশা কাটলেই কনকনে ঠাণ্ডা পড়বে। তখন যে রস মিলবে তার স্বাদ গন্ধ আরও উৎকৃষ্টমানের হবে। তবে এবার কিছুটা আগেই শীতের অনুভব মেলায় খুশি গুড় প্রস্তুতকারকরা। তাঁরা বলছেন, ভালো মানের গুড়ের দাম কিছুটা বেশি। তবে ক্রেতাদের অনেকেই ভালো দাম দিয়েই উৎকৃষ্টমানের গুড়ের খোঁজ করেন। শীত থাকায় তাদের সেই চাহিদা মেটানো যাচ্ছে।

Published by:Pooja Basu
First published: