• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • ‘হুমকি’ উপেক্ষা করে ভোট দেওয়ায় মারধর

‘হুমকি’ উপেক্ষা করে ভোট দেওয়ায় মারধর

ভোট পরবর্তী হিংসা এখনও অব্যাহত রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ৷ সরকারি টিউবওয়েল থেকে জল নিতে বাধা দেওয়া হয় সিপিএম সমর্থক পরিবারকে ৷ ক্যানিংয়ের খাসকুমড়োখালির ঘটনা ৷ প্রতিবাদ করায় বেধড়ক মারধর করা হয় বৃদ্ধ দম্পতিকে ৷ মারধর করা হয় তাঁদের নাতিকেও ৷ অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ৷ ওই পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, ভোটের সময় বিরোধীরা তাদের হুমকি দেয় ভোট না দেওয়ার জন্য ৷ কিন্তু তাদের হুমকি উপেক্ষা করে ভোট দিতে যাওয়ায় এদিন তাদের উপর হামলা চালায় তৃণমূল কর্মীরা ৷

ভোট পরবর্তী হিংসা এখনও অব্যাহত রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ৷ সরকারি টিউবওয়েল থেকে জল নিতে বাধা দেওয়া হয় সিপিএম সমর্থক পরিবারকে ৷ ক্যানিংয়ের খাসকুমড়োখালির ঘটনা ৷ প্রতিবাদ করায় বেধড়ক মারধর করা হয় বৃদ্ধ দম্পতিকে ৷ মারধর করা হয় তাঁদের নাতিকেও ৷ অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ৷ ওই পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, ভোটের সময় বিরোধীরা তাদের হুমকি দেয় ভোট না দেওয়ার জন্য ৷ কিন্তু তাদের হুমকি উপেক্ষা করে ভোট দিতে যাওয়ায় এদিন তাদের উপর হামলা চালায় তৃণমূল কর্মীরা ৷

ভোট পরবর্তী হিংসা এখনও অব্যাহত রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ৷ সরকারি টিউবওয়েল থেকে জল নিতে বাধা দেওয়া হয় সিপিএম সমর্থক পরিবারকে ৷ ক্যানিংয়ের খাসকুমড়োখালির ঘটনা ৷ প্রতিবাদ করায় বেধড়ক মারধর করা হয় বৃদ্ধ দম্পতিকে ৷ মারধর করা হয় তাঁদের নাতিকেও ৷ অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ৷ ওই পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, ভোটের সময় বিরোধীরা তাদের হুমকি দেয় ভোট না দেওয়ার জন্য ৷ কিন্তু তাদের হুমকি উপেক্ষা করে ভোট দিতে যাওয়ায় এদিন তাদের উপর হামলা চালায় তৃণমূল কর্মীরা ৷

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #ক্যানিং: ভোট পরবর্তী হিংসা এখনও অব্যাহত রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ৷ সরকারি টিউবওয়েল থেকে জল নিতে বাধা দেওয়া হয় সিপিএম সমর্থক পরিবারকে ৷ ক্যানিংয়ের খাসকুমড়োখালির ঘটনা ৷ প্রতিবাদ করায় বেধড়ক মারধর করা হয় বৃদ্ধ দম্পতিকে ৷ মারধর করা হয় তাঁদের নাতিকেও ৷ অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ৷ ওই পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, ভোটের সময় বিরোধীরা তাদের হুমকি দেয় ভোট না দেওয়ার জন্য ৷ কিন্তু তাদের হুমকি উপেক্ষা করে ভোট দিতে যাওয়ায় এদিন তাদের উপর হামলা চালায় তৃণমূল কর্মীরা ৷

    First published: