Home /News /south-bengal /
বেল্ট দিয়ে প্রৌঢ়ার মুখ বেঁধে চলে গণধর্ষণ !

বেল্ট দিয়ে প্রৌঢ়ার মুখ বেঁধে চলে গণধর্ষণ !

Representational Image

Representational Image

পাড়ায় অসামাজিক কাজ ও মদ্যপানের প্রতিবাদ করায় প্রৌঢ়ার এই নির্মম পরিণতি বলে অভিযোগ পরিবার ও প্রতিবেশীদের।

  • Share this:

    #সন্দেশখালি: নির্ভয়াকাণ্ডের ছায়া সন্দেশখালিতে। গণধর্ষণের পর প্রৌঢ়ার যৌনাঙ্গে লোহার রড ঢুকিয়ে নির্মম অত্যাচার। সাতাশ দিনের লড়াই শেষে কলকাতার ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে মৃত্যু হল নির্যাতিতার। চার অভিযুক্তের মধ্যে রাজেশ্বর মাইতি নামে একজন গ্রেফতার হলেও, বাকিরা এখনও অধরা। পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ পরিবারের।

    ২০১২-র ডিসেম্বরে নির্ভয়াকাণ্ডের ঘটনায় দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবিতে গর্জে উঠেছিল দেশ। ধর্ষকদের শাস্তি দিতে কঠোর হয়েছে আইন। তবুও বদলাচ্ছে না সামাজিক অবক্ষয়ের ছবিটা। সাড়ে চার বছর পর দিল্লির ঘটনার স্মৃতি ফেরাল উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি। এবার কয়েকজন যুবকের বিকৃত লালসার শিকার ৬১ বছরের এক প্রৌঢ়া।

    সন্দেশখালিতে একটি ভাতের হোটেল চালাতেন ওই প্রৌঢ়া। গত ৩ জুলাই রাতে, তার দোকানের কাছেই মদ্যপান করছিল স্থানীয় চার যুবক। প্রতিবাদ করায় বচসা বাঁধে। তখনকার মত গন্ডগোল মিটিয়ে দেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

    অভিযোগ, রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার সময় প্রৌঢ়ার ওপর চড়াও হয় ওই চারজন। প্রৌঢ়াকে মুখ চেপে একটি মাঠে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর বেল্ট দিয়ে প্রৌঢ়ার চোখ বেঁধে চলে ধর্ষণ। তার মধ্যেই রাজেশ্বর মাইতি নামে স্থানীয় এক যুবককে চিনতে পারেন নির্যাতিতা। তবে, ধর্ষণেই থামেনি চার যুবক। প্রৌঢ়ার যৌনাঙ্গে রড ঢুকিয়ে ঘোরানো হয়। যার জেরে ছিঁড়ে যায় নাড়ি। এরপরই গা ঢাকা দেয় দুষ্কৃতীরা। দীর্ঘক্ষণ পর অচৈতন্য অবস্থায় বাড়ির লোকজন ওই প্রৌঢ়াকে উদ্ধার করেন।

    আশঙ্কাজনক অবস্থায় নির্যাতিতাকে প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরদিন তাঁকে কলকাতার ন্যাশনাল মেডিক্যালে ভর্তি করানো হয়। সেখানেই সাতাশ দিন লড়াই করার পর অবশেষে মৃত্যুর কাছে হার মানতে হয় নির্যাতিতাকে। মৃত্যুকালীন জবানবন্দিতে নির্যাতিতা, ঘটনার কথা জানিয়ে গিয়েছেন। এদিকে, এই ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ এনেছেন মৃতার ছেলে।

    পাড়ায় অসামাজিক কাজ ও মদ্যপানের প্রতিবাদ করায় প্রৌঢ়ার এই নির্মম পরিণতি বলে অভিযোগ পরিবার ও প্রতিবেশীদের।

    First published:

    Tags: Gangrape, SandeshKhali, গণধর্ষণ, সন্দেশখালি গণধর্ষণ

    পরবর্তী খবর