ভাঙন আর ধসের জের, শেষমেশ ভাঙন রুখতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজে নামল সেচ দপ্তর ও পুরসভা

ভাঙন আর ধসের জের। যে কোনও মুহুর্তে তলিয়ে যেতে পারত মাথা গোঁজার ঠাঁইটুকুও।

ভাঙন আর ধসের জের। যে কোনও মুহুর্তে তলিয়ে যেতে পারত মাথা গোঁজার ঠাঁইটুকুও।

  • Share this:

    #খড়দহ: ভাঙন আর ধসের জের। যে কোনও মুহুর্তে তলিয়ে যেতে পারত মাথা গোঁজার ঠাঁইটুকুও। প্রতিটা মুহুর্ত প্রবল আতঙ্কে কাটছিল খড়দহের ক্যাম্পেরঘাটের বাসিন্দাদের। ইটিভি নিউজ বাংলায় সেই খবর দেখে উদ্যোগী হলেন সেচমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। ভাঙন রুখতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজে নামল সেচ দপ্তর ও পুরসভা।

    কয়েক বছর ধরেই ভাঙন চলছিল। গত ৪ দিনের টানা বৃষ্টিতে সব বাধা পেরিয়ে একেবারে বাড়ির সামনে চলে আসে গঙ্গা। আর কয়েক ফুট এগোলেই গঙ্গায় তলিয়ে যাবে বাড়ি। আতঙ্কের শেষসীমায় পৌঁছে গিয়েছিল খড়গা পুরসভায় ক্যাম্পঘাটের বাসিন্দারা।

    গত কয়েকদিনের প্রবল বৃষ্টিতে প্রতি মুহুর্তে আতঙ্ক বেড়েছে বাসিন্দাদের।

    কিভাবে হলো এই অবস্থা?

    ২০১৫ সালের ২ অগস্ট বাঁধে ভাঙন ধরা শুরু তখনই পাড়ের বড় অংশ নদীতে তলিয়ে গিয়েছিল এক হাজার বস্তা বালি ফেলে ভাঙন আটকানোর চেষ্টা হয় ২০১৬ সালে বৃষ্টি কম হওয়ায় বড় বিপর্যয় হয়নি গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে ভাঙন আরও বাড়ে বসতি এলাকার কয়েক ফুটের মধ্যে চলে আসে গঙ্গা

    ভাঙনের জেরে বাসিন্দাদের আতঙ্কের খবর তুলে ধরে ইটিভি নিউজ বাংলা। সেই খবর দেখেই দ্রুত ভাঙন রোধে উদ্যোগী হন সেচমন্ত্রী। তাঁর নির্দেশে এলাকায় পৌঁছয় সেচ দফতরের টিম। তালগাছের গুঁড়ি, রিট্রেনাল শেল্টার দিয়ে শুরু হয় ভাঙন আটকানোর কাজ ৷ স্থায়ীভাবে বাঁধ মেরামতির ব্যবস্থা না হলে আবার ফিরতে পারে এই আতঙ্ক। এমন সম্ভাবনাও অবশ্যই থাকছে।

    First published: