‘‘ বসিরহাটে অত্যাধুনিক স্টেডিয়াম গড়তে চাই ’’: দীপেন্দু

এবছর বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার ক্রীড়াজগতে প্রার্থীদের যে একেবারে জয়জয়কার, তা বলা যাবে না ৷ কিন্তু এমন অনেকেই রয়েছেন যাঁরা প্রথমবার নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রীসভায় যাবেন এবার ৷ এদের মধ্যে অবশ্যই একজনের কথা বলতে হয়, তিনি ফুটবলার দীপেন্দু বিশ্বাস ৷ দু’বছর আগে বসিরহাট দক্ষিণের উপনির্বাচনে হেরে গিয়েছিলেন ৷ এবার বিজেপি প্রার্থী শমিক ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধেই আগের বারের হারের বদলা নিতে সফল তিনি ৷ ২৪ হাজারেরও বেশি ভোটে জিতে প্রথমবারের জন্য এবার মন্ত্রীসভায় দীপেন্দু ৷

আরও পড়ুন...
  • Last Updated :
  • Share this:

    #বসিরহাট: এবছর বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার ক্রীড়াজগতে প্রার্থীদের যে একেবারে জয়জয়কার, তা বলা যাবে না ৷ কিন্তু এমন অনেকেই রয়েছেন যাঁরা প্রথমবার নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রীসভায় যাবেন এবার ৷ এদের মধ্যে অবশ্যই একজনের কথা বলতে হয়, তিনি ফুটবলার দীপেন্দু বিশ্বাস ৷ দু’বছর আগে বসিরহাট দক্ষিণের উপনির্বাচনে হেরে গিয়েছিলেন ৷ এবার বিজেপি প্রার্থী শমিক ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধেই আগের বারের হারের বদলা নিতে সফল তিনি ৷ ২৪ হাজারেরও বেশি ভোটে জিতে প্রথমবারের জন্য এবার মন্ত্রীসভায় দীপেন্দু ৷

    ভোটে জিতে স্বভাতই খুশি বাংলার তিন প্রধানেরই প্রাক্তন এই ফুটবলার ৷ তবে একইসঙ্গে তিনি মেনে নিয়েছেন যে ভোটে জয়ের পরেই শুরু হবে আসল কাজ ৷ এলাকার উন্নয়ন এবং রাজ্যের ক্রীড়ার উন্নয়নের বিষয় এখন তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ৷ রয়েছে অনেক ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও ৷ ধীরে ধীরে সেই সমস্ত কাজ করার পথেই নামবেন তিনি ৷ কঠিন একটা নির্বাচনের লড়াই জিতে ওটার পর দীপেন্দু বলেছেন, ‘‘ একটা ফুটবল ম্যাচে মাঠে নেমে পুরো খেলায় আমার নিয়ন্ত্রণ থাকে ৷ কিন্তু নির্বাচন মানেই সবটাই নির্ভর করছে জনতার উপর ৷ প্রচার কাজটা ঠিকঠাক করা ৷ জনগণের কাছে ঠিকঠাক নিজের বার্তাটা পৌঁছে দেওয়া যথেষ্ট কঠিন কাজ ৷ আমি খুশি যে জনগণ আমার উপর আস্থা রেখেছেন এবং আমাকে ভোট দিয়েছেন ৷ ২৪ হাজার ভোটে যে জিতব, ভাবিইনি ! ’’

    বসিরহাট এলাকায় যে তাঁর পরিচিতি আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে ৷ এবং বেশি সংখ্যায় মানুষের কাছে তিনি পৌঁছতে পেরেছেন ৷ এর পিছনে মূল কারণই হল যে বিধানসভা উপনির্বাচনে হারার পরেও দীপেন্দু এলাকার উন্নয়নের কাজে কোনও আপস করেননি ৷ তিনি বলেন, ‘‘ অনেক উন্নয়নই হয়েছে এই এলাকায় ৷ আর সবটাই সম্ভব হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য ৷ আমাকে সেই কাজটা আগেও চালিয়ে যেতে হবে ৷ ’’

    এলাকার উন্নয়ন তো আছেই ৷ পাশাপাশি বাংলার ক্রীড়ার উন্নয়নে কী পরিকল্পনা দীপেন্দুর ? একটুও না ভেবেই তৃণমূলের জয়ী এই প্রার্থী বলেন, বারাসতে একটা ফুটবল মাঠ তৈরি করা তাঁর অনেকদিনের ইচ্ছে ৷ কারণ বারাসতে তিনটে মাঠ থাকলেও একটাও শুধু ফুটবলের জন্য মাঠ নেই ৷ তবে শউদু ফুটবলের জন্যই নয় ৷ বাকি দুটি মাঠ ক্রিকেট এবং অ্যাথলেটিক্সের জন্য হোক, এমনটাই চান দীপেন্দু ৷ আর একটা বিষয় যেটা সবচেয়ে বেশি ভাবাচ্ছে তাঁকে ৷ সেটা হল আইএসএল-কে একনম্বর টুর্নামেন্ট করতে গিয়ে যাতে ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান এবং মহমেডানের মতো ঐতিহ্যশালী ক্লাবগুলিকে দ্বিতীয় সারির লিগে ঠেলে না দেওয়া হয় ৷ ময়দানের দীপু বলেন, ‘‘ ‘‘বিধানসভায় গিয়ে আইএসএল থেকে মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গলকে বাদ দেওয়ার বিষয়টা নিয়ে সরব হব। এই অপচেষ্টা রুখতেই হবে। জানি না শেষপর্যন্ত লিগের গঠন কী করবে ফেডারেশন ৷ তবে এব্যাপারে আমি দিদির সঙ্গে কথা বলব ৷ ’’ আর নিজের কেন্দ্রে খেলাধূলার উন্নয়নে কী করবেন দীপেন্দু ? তিনি বলেন, ‘‘ বসিরহাটেও একটা অত্যাধুনিক স্টেডিয়াম করতে চাই ৷ কারণ এখানে সেরকম কিছুই নেই ৷ এমন মাঠ তৈরি করতে হবে ৷ যেখানে শুধু লিগের ম্যাচ নয় ৷ আন্তর্জাতিক ম্যাচও আয়োজন করা হবে ৷ এমনটা করতে পারলে সত্যি খুশি হব আমি ৷ এলাকার খেলাধূলার উন্নয়নেও আরও কাজ করতে চাই ৷ ’’

    First published:

    Tags: Dipendu Biswas, Footballer, Sports Development, TMC candidate, West Bengal Assembly Election 2016, দীপেন্দু বিশ্বাস