লাঠি হাতে কাদের দিকে তেড়ে গেলেন প্রবীণ মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরি!

লাঠি হাতে কাদের দিকে তেড়ে গেলেন প্রবীণ মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরি!

মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী এই কর্মসূচির জন্য বেলা পৌনে দশটা নাগাদ গলসিতে উপস্থিত হন। তার আগে থেকেই অবরোধ শুরু হয়ে গিয়েছিল।

মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী এই কর্মসূচির জন্য বেলা পৌনে দশটা নাগাদ গলসিতে উপস্থিত হন। তার আগে থেকেই অবরোধ শুরু হয়ে গিয়েছিল।

  • Share this:

#বর্ধমান: এই বয়সে লাঠি হাতে কাদের দিকে তেড়ে গেলেন মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী! পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে নয়া কেন্দ্রীয় কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে বুধবার দুই নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধের ডাক দিয়েছিল জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ। সেই কর্মসূচি সফল করতে সংগঠনের কয়েক হাজার সদস্য সকাল থেকেই গলসিতে জাতীয় সড়কের উপর ভিড় করেন। সংগঠনের নেতা তথা মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী সেখানে পৌঁছানোর আগেই পথ অবরোধ শুরু হয়ে যায়। তখনই অবরোধের পক্ষে-বিপক্ষে বাদানুবাদ শুরু হয় বিক্ষোভকারীদের মধ্যে। এরপরেই মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীকে মোটা লাঠি হাতে জাতীয় সড়কে নামতে দেখা যায়। কয়েকজনকে তিনি লাঠি হাতে সরিয়েও দেন। আবার কয়েকজন একরকম মারমুখী হয়ে তার দিকে তেড়ে আসেন। মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লার আশপাশে থাকা কর্মী নেতারা পরিস্থিতি সামাল দেয়।

মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী এই কর্মসূচির জন্য বেলা পৌনে দশটা নাগাদ গলসিতে উপস্থিত হন। তার আগে থেকেই অবরোধ শুরু হয়ে গিয়েছিল।জাতীয় সড়কের পাশে তৈরি মঞ্চে উঠে তিনি কর্মীদের জাতীয় সড়ক থেকে উঠে যাওয়ার পরামর্শ দেন। মঞ্চ থেকে তিনি ঘোষণা করেন, আগে কেন্দ্রীয় কৃষি আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা হবে। সেই সভা থেকেই পরবর্তী কর্মসূচির সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ততক্ষণ পর্যন্ত সকলকে অবরোধ তুলে নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

কিন্তু তার সেই নির্দেশ কর্ণপাত না করেই জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের বেশকিছু কর্মীনেতা দু নম্বর জাতীয় সড়কে বসে পড়েন। ফলে রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সড়কের দুটি লেনেই যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। যান বাহনের লাইন বেশ কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ হয়ে যায়। এরপরেই লাঠি হাতে জাতীয় সড়কে নেমে পড়েন প্রবীণ মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। কয়েকজনকে তিনি লাঠি দিয়ে সরিয়েও দেন। তাতেই ক্ষুব্ধ হয়ে কয়েকজন আবার তাঁর দিকে তেড়ে আসে। সব মিলিয়ে এই কর্মসূচিকে ঘিরে ব্যাপক বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। প্রাথমিকভাবে মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হলেও ফের তিনি জাতীয় সড়কের ওপর একটি ট্রাকের বনেটে লাঠি নিয়ে উঠৈ পড়েন। কর্মীদের সংযত থাকার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি সেখান থেকেই কর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন। কেন্দ্রীয় নয়া কৃষি আইন কি, কোথায় কোথায় তার সমস্যা বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেন মন্ত্রী।

লাঠি হাতে থাকে জাতীয় সড়কে নামতে হলো কেন? এই প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী বলেন, জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের ডাকে এই কর্মসূচি পালন করা হলেও তার মধ্যেই বেশ কিছু বাইরের লোক ঢুকে পড়েছিল। লাঠি হাতে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করছিল তারা। ইট ছোড়ার পরিকল্পনাও ছিল তাদের। সেই পরিবেশ যাতে তৈরি না হয় তা নিশ্চিত করতেই হাতে লাঠি ধরেছিলাম।

Published by:Pooja Basu
First published: