• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • ফের অনুব্রতকে একহাত নিলেন দলেরই মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরি, কী বললেন তিনি?

ফের অনুব্রতকে একহাত নিলেন দলেরই মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরি, কী বললেন তিনি?

 রাতের অন্ধকারে বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রাখব আবার সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীকে লালচোখ দেখাব - এসব বরদাস্ত করব না। শুক্রবার সন্ধ্যায় বর্ধমান সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের কাছে অনুব্রতর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন রাজ্য সরকারের প্রবীণ এই মন্ত্রী।

রাতের অন্ধকারে বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রাখব আবার সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীকে লালচোখ দেখাব - এসব বরদাস্ত করব না। শুক্রবার সন্ধ্যায় বর্ধমান সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের কাছে অনুব্রতর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন রাজ্য সরকারের প্রবীণ এই মন্ত্রী।

রাতের অন্ধকারে বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রাখব আবার সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীকে লালচোখ দেখাব - এসব বরদাস্ত করব না। শুক্রবার সন্ধ্যায় বর্ধমান সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের কাছে অনুব্রতর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন রাজ্য সরকারের প্রবীণ এই মন্ত্রী।

  • Share this:

#বর্ধমান: ফের তৃণমূল কংগ্রেসের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডলকে একহাত নিলেন দলেরই মন্ত্রী মঙ্গলকোটের বিধায়ক সিদ্দিকুল্লা চৌধুরি। তিনি বলেন, রাতের অন্ধকারে বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রাখব আবার সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীকে লালচোখ দেখাব - এসব বরদাস্ত করব না। শুক্রবার সন্ধ্যায় বর্ধমান সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের কাছে অনুব্রতর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন রাজ্য সরকারের প্রবীণ এই মন্ত্রী।

কয়েকদিন আগেই জেলা পুলিশ সুপার ও জেলা শাসককের সঙ্গে দেখা করে অনুব্রত ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছিলেন সিদ্দিকুল্লা। অনুব্রতর অনুগামীদের মদতে মঙ্গলকোটে বেআইনি বালির রমরমা কারবার চলছে বলে অভিযোগ তুলে এসব বন্ধে পুলিশকে তৎপর হতে বলেছিলেন তিনি। সেইসঙ্গে তাঁর অভিযোগ ছিল, তাঁর অনুগামীদের গাঁজা পাচারের মিথ্যে কেসে ফাঁসানো হচ্ছে।

এদিন ফের তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডলকে একহাত নিলেন মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা। নাম না করে তিনি বলেন, রাতের অন্ধকারে বিজেপির সঙ্গে আলোচনা করা যাবে আর সিদ্দিকুল্লাকে লালচোখ দেখাবে এটা বরদাস্ত করা যাবে না।

অনুব্রতকে উদ্দেশ্য করে সিদ্দিকুল্লা বলেন, এই সময় মারামারি করে কোনও লাভ হবে?তাঁর অভিযোগ, যেখানেই তিনি যাচ্ছেন সেখানেই কর্মীদের হুমকি দিচ্ছে অনুব্রতর অনুগামীরা। তিনি বলেন,সহ্যের একটা সীমা আছে। বীরভূমের গরম হাওয়া মঙ্গলকোটকে গরম করুক আমি চাই না।পূর্ব বর্ধমানের তিন বিধানসভার দায়িত্ব থেকে অনুব্রতকে সরানোরও দাবি তোলেন তিনি।

সিদ্দিকুল্লা বলেন, আমার লোকদের চোখ রাঙানো বরদাস্ত করব না। প্রয়োজনে রোজ মঙ্গলকোট যাব। চাইলে আমি পাঁচশো গাড়ির মিছিল করতে পারি। দলের শৃঙ্খলার কথা ভেবে এতদিন কিছু করিনি। তাই বলে আমাকে দুর্বল ভাবলে ভুল হবে। তিনি বলেন, আমি যেখানে যাচ্ছি সেখানে আমাদের কর্মীদের শাসাচ্ছে।তাদের সাবধান হওয়া উচিত, কারণ এতে দল ও মুখ্যমন্ত্রীর মুখ পুড়ছে।

সিদ্দিকুল্লা বলেন,তিন বছর আগে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সুব্রত বক্সি অনুব্রতকে মিলেমিশে কাজ করতে বলেছিলেন। কিন্তু তিনি তা মানেননি।মুখ বুঝে এতদিন সব সহ্য করেছি, এবার কঠিনভাবে ভাবছি- জানালেন সিদ্দিকুল্লা।শুভেন্দু প্রসঙ্গে বলেন, একদিকে বিশাল একটা দল অন্যদিকে এক ব্যক্তি, ফল কি হবে সময় বলবে।

Saradindu Ghosh

Published by:Elina Datta
First published: