• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • West Bengal News: জ্ঞান হারাচ্ছে স্ত্রী, মেয়ের মুখে শুধু 'বাবা', মণিপুর থেকে ফিরছে শহিদের দেহ

West Bengal News: জ্ঞান হারাচ্ছে স্ত্রী, মেয়ের মুখে শুধু 'বাবা', মণিপুর থেকে ফিরছে শহিদের দেহ

শোকে পাথর পরিবার

শোকে পাথর পরিবার

West Bengal News: মণিপুরে জঙ্গি হানায় মৃত্যু মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামের শ্যামল দাসের। শোকের ছায়া পরিবারে।

  • Share this:

#মুর্শিদাবাদ: মণিপুরে জঙ্গি হানায় শহিদ শ্যামল দাসের সঙ্গে শনিবার সকালে শেষ কথা হয়েছিল স্ত্রী'র। সেই সময় সে স্ত্রী-কে বলেছিল, ''চিন্তা করবে না, ফিরে যাব।'' কিন্তু আর ফেরা হল না আর ফোনও আসেনি শ্যামল দাসের। শনিবার রাতে অসম রাইফেল থেকে পরিবারকে জানানো হয় মনিপুরে জঙ্গি হানায় নিহত হয়েছেন পরিবারের একমাত্র ছেলে শ্যামল দাস।

পরিবারে বাবা, মা, স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। শনিবারের এই ঘটনার পর গোটা এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। এগারো বছর আগে অসম রাইফেল যোগদান করেছিল বাড়ির একমাত্র রোজগেরে ছিল সেই, তার রোজগারেই সংসার চলত। বর্তমানে আট বছরে একটি কন্যা সন্তান রয়েছে শ্যামল দাসের।

আরও পড়ুন: কোভিড হাসপাতালে হাতির হানা, জারি ১৪৪ ধারা! বেনজির দৃশ্য জলপাইগুড়ি শহরে

শনিবার মণিপুরে অসম রাইফেলে কর্মরত জওয়ানের মৃত্যুর ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে মুর্শিদাবাদ জেলার খড়গ্রাম ব্লকের কীর্তিপুর গ্রামে। কীর্তিপুর গ্রামের দাসপাড়া গ্রামে বাড়ি শ্যামল দাসের। পিতার নাম ধীরেন দাস। মণিপুরে জঙ্গি হানা হয় শনিবার সকালে।

আরও পড়ুন: ছিল সারি-সারি, হঠাৎ রাণীনগরের সব 'সম্পত্তি' উধাও! তুমুল চাঞ্চল্য

শনিবার সকালে মায়ানমার সীমান্তবর্তী চূড়াচাঁদপুর জেলায় জঙ্গিহানায় অসম রাইফেলসের এক কমান্ডিং অফিসার-সহ ছ’জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ওই অফিসারের স্ত্রী এবং সন্তান রয়েছেন বলে পুলিশ সূত্রের খবর। নিহতদের মধ্যে ছিলেন ওই অফিসারের গাড়ির চালক শ্যামল দাস এবং অসম রাইফেলসের দুই কর্মী। জঙ্গিদের হানায় মৃত্যু হয় শ্যামল দাসের।

তাঁর স্ত্রী সুপর্ণা দাস বলেন, ''আর আমাকে কেউ ফোন করবে না। পোস্টে গিয়েছিল। সকালে ফোন করে জানাল আমরা ফিরছি। সে আর ফিরে আসবে না।'' বলতে বলতেই জ্ঞান হারান  সুপর্ণা। আট বছরের কন্যা রিয়া মা-কে ও ঠাকুমাকে সান্ত্বনা দেয়ার চেষ্টা করছে। বুঝতে পারছে, ফিরে আসবে না বাবা। এই খবর প্রশাসনের পক্ষ থেকে শনিবার রাতে বাড়িতে জানাতেই শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা পরিবার জুড়ে। রবিবার সকাল থেকে গ্রাম জুড়ে শুধু কান্না ও বিষাদের সুর। দুর্গাপুজোর আগে বাড়ি এসেছিলেন শ্যামল। পঞ্চমীর দিন ফিরে যান কর্মস্থলে। নবান্ন উৎসবে আসবে বলেছিল সে। ২০০৯ সালে অসম রাইফেল যোগদান করা শ্যামল দাসের মরদেহ কখন ফিরে আসবে, সেই অপেক্ষায় দিন গুনছেন পরিবারের সদস্যরা।

Published by:Suman Biswas
First published: