corona virus btn
corona virus btn
Loading

দীর্ঘ লকডাউনের জেরে আর্থিক ক্ষতির মুখে দিঘা মোহনার শুঁটকি মাছের ব্যবসা !

দীর্ঘ লকডাউনের জেরে আর্থিক ক্ষতির মুখে দিঘা মোহনার শুঁটকি মাছের ব্যবসা !
ফাইল ছবি

দিঘা মোহনার পাশাপাশি শংকরপুর, জলধা, তাজপুর-সহ পুর্ব মেদিনীপুরের সমুদ্র উপকূলবর্তী অঞ্চলের কয়েক হাজার শুঁটকি মাছ ব্যবসায়ী এই সমস্যায় পড়েছেন।

  • Share this:

#দিঘা: দীর্ঘ লকডাউনের জেরে বিশাল আর্থিক ক্ষতির মুখে দিঘা মোহনার শুঁটকি মাছের ব্যবসা! এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ী থেকে কর্মচারী, সমস্যায় পড়েছেন সকলেই। তাঁরা সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন টানা প্রায় ৫ মাস। দিঘা মোহনার পাশাপাশি শংকরপুর, জলধা, তাজপুর-সহ পুর্ব মেদিনীপুরের সমুদ্র উপকূলবর্তী অঞ্চলের কয়েক হাজার শুঁটকি মাছ ব্যবসায়ী এই সমস্যায় পড়েছেন।

শুঁটকি মাছ প্রস্তুত করেও তাঁরা তা বিক্রি করতে পারছেন না। জেল ছেড়ে ভিন রাজ্য, এমনকী বাংলাদেশের মতো ভিন দেশেও এই শুঁটকি মাছ রফতানি করতেন তাঁরা। একদিকে যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ। অন্যদিকে করোনা থাবার আতঙ্ক। শুঁটকি মাছ কিনতে চাইছেন না কেউই। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা যেসব ব্যবসায়ীরা শুঁটকি মাছ পাইকারি বাজারে নিয়ে যেতেন, তাদেরও এখন দেখা মিলছে না। অথচ প্রতি বছরের মতো এবারও মোহনার শুঁটকি ব্যবসায়ীরা মহাজনের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা  নিয়ে কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে কাঁচা মাছ নগদে কিনে শুটকি প্রস্তুত করে ফেলে রেখেছেন। পড়ে পড়ে সেসব নষ্টও হয়ে যাচ্ছে। এরমধ্যে টুকটাক যা বিক্রি হচ্ছে তা অল্প দামে, ক্ষতিই হচ্ছে। লাভ আর হচ্ছে না।

মোহনার এই খুচরো শুঁটকি মাছ বাজারে দিঘায় আসা পর্যটকরাও শুটকি মাছ কিনতে ভিড় জমাতেন, তাদেরও আর দেখা নেই। বিশেষ করে ইলিশ, বোমলা,ফিতে, রুলি,চিংড়ি, তপসে, ট্যাঁরা, ভেটকি, ভোলা, পটল, মাছের শুঁটকি পর্যটকদের কাছে বেশি বিক্রি হতো। ভিন রাজ্যেও সরবরাহ হতো। কিন্তু বর্তমানে সবকিছুই পড়ে পড়ে নষ্ট হচ্ছে। বড়সড় ক্ষতির মুখে দাঁড়িয়ে এই ব্যবসার মালিকরা কর্মচারীদের বেতন দিতে পারছেন না। পুরুষদের পাশাপাশি এই শুটকি মাছের ব্যবসায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন প্রচুর মহিলা শ্রমিক কর্মচারীরাও। সংসারের হাল টানতে তাঁরাও এই কাজ করেন। ব্যবসার অবস্থা খারাপ হয়ে পড়ায় সমস্যায় পড়েছেন তাঁরাও। শুটকি মাছের কারবারের সঙ্গে যুক্ত সমস্যায় পড়া সকলেই চাইছেন, সরকার তাদের পাশে দাঁড়াক।

তথ্য- সুজিত ভৌমিক

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: July 27, 2020, 10:54 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर