corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা সংক্রমণের কোপে শক্তিগড়ের ল্যাংচা! সন্ধ্যার পর হাইওয়েতে দোকান থাকবে বন্ধ

করোনা সংক্রমণের কোপে শক্তিগড়ের ল্যাংচা! সন্ধ্যার পর হাইওয়েতে দোকান থাকবে বন্ধ

জাতীয় সড়ক ব্যবহারকারীদের জন্য সন্ধ্যার পর আপাতত অধরা থাকছে শক্তিগড়ের ল্যাংচা৷

  • Share this:

#শক্তিগড়: এবার করোনার সংক্রমণ রুখতে দোকান বাজার খোলা রাখার বিধি-নিষেধের মধ্যে পড়ল শক্তিগড়ের ল্যাংচা। জেলা প্রশাসন নির্দেশিকা অনুযায়ি, আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে না শক্তিগড়ের ল্যাংচার দোকান। সকাল ন'টা থেকে সন্ধ্যে ছটা পর্যন্ত ল্যাংচার দোকান খোলা থাকবে বলে জেলা প্রশাসন নির্দেশ জারি করছে। জেলা প্রশাসনের এই বিধিনিষেধে ব্যবসা যথেষ্টই মার খাবে বলে মনে করছেন ল্যাংচা বিক্রেতারা।

জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক জানান, সন্ধের পর এলাকার সব দোকানপাট বন্ধ থাকছে। ল্যাংচার দোকানের ক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম হবে না। তাছাড়া বিভিন্ন জেলার বাসিন্দারা ল্যাংচার দোকানে ভিড় করছেন। তা থেকেও করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। তাই ব্যবসা বাণিজ্যে ক্ষতির কথা মাথায় রেখেও দোকান খোলা বন্ধে এই বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বর্ধমান ও তার আশপাশ এলাকায় যেভাবে করোনার সংক্রমণ বেড়ে চলেছে তা নিয়ন্ত্রণে আনা জরুরি। সেজন্যই বিভিন্ন ধরনের দোকান বাজার  খোলার ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। সেই বিধিনিষেধ মেনে দোকান খোলা বন্ধ করতে হবে।  বিধি-নিষেধ কড়াকড়িভাবে মানা হচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করতে  নজরদারি চালাবে পুলিশ।

বর্ধমান শহর লাগোয়া আমড়া গ্রামে দুই নম্বর জাতীয় সড়কের দু'ধারে রয়েছে বেশ কয়েকটি ল্যাংচার দোকান। তা শক্তিগড়ের ল্যাংচা হাব নামে পরিচিত।  চব্বিশ ঘন্টা সেই দোকানগুলি খোলা থাকে। মূলত দুই নম্বর জাতীয় সড়ক ব্যবহারকারী বিভিন্ন গাড়ির যাত্রীরাই সেখান থেকে ল্যাংচা কেনেন, চা জলখাবার খান। দিনের সব সময় সেখানে খদ্দেরের ভিড় লেগেই রয়েছে।

ল্যাংচা বিক্রেতারা বলছেন, করোনা পরিস্থিতি ও লকডাউনের প্রভাব পড়েছে ল্যাংচা বিক্রিতেও। গত ছ মাসে বিক্রি কমেছে অনেকটাই। বাসিন্দা কম বের হচ্ছেন। অনেকে দোকানে ঢোকা এড়িয়ে চলছেন। তার ওপর একটানা লকডাউন ও বর্তমানে রাজ্যের ডাকা লকডাউনের দিনগুলিতে ব্যবসা বন্ধ থাকছে। প্রশাসন দোকান খোলার সময় সীমা সকাল ন টার পর থেকে সন্ধে ছটা পর্যন্ত বেঁধে দোয়ায় বিক্রি মার খাবে।জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এই বিধিনিষেধ চালু থাকবে। এরপর পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সেই বিধি-নিষেধ বাড়ানো হবে কিনা সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আপাতত এই নির্দেশ মেনে দোকান বাজার খোলা বন্ধ রাখতে হবে বিক্রেতাদের।

Saradindu Ghosh

Published by: Debalina Datta
First published: August 24, 2020, 8:30 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर