corona virus btn
corona virus btn
Loading

লকডাউনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ভাগীরথীতে চলছে ঝুঁকির পারাপার !

লকডাউনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ভাগীরথীতে চলছে ঝুঁকির পারাপার !

পূর্ব বর্ধমান বা নদীয়ায় ভাগীরথীর তীরে এমন অনেক এলাকা রয়েছে যেখানের বাসিন্দাদের যাতায়াতের জন্য নৌকোয় পারাপার ছাড়া কোনও উপায় নেই।

  • Share this:

#বর্ধমান: লক ডাউনে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই চলছে ভাগীরথীতে খেয়া পারাপার চলছে। জেলার সীমানা সিল করে দেওয়ার কথা বলা হলেও মোটা টাকার বিনিময়ে পূর্ব বর্ধমানের বিভিন্ন ঘাট থেকে যাত্রীদের নদীয়া জেলায় পারাপার করা হচ্ছে। একইভাবে নদীয়া জেলার দিক থেকে বাসিন্দারা আসছেন পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী, কালনা, কাটোয়ায়। এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, কাটোয়া বা কালনা শহর লাগোয়া ফেরিঘাটে পুলিশের কড়া নজরদারি থাকায় অনেকেই কম গুরুত্বপূর্ণ ঘাটগুলিকে পারাপারের জন্য বেছে নিচ্ছেন।

কালনা মহকুমার পূর্বস্থলীতে লকডাউনের মধ্যেই  ঝুঁকির পারাপার চলছে।পূর্বস্থলীর নতুন দামপাল ঘাটে  বাড়তি যাত্রী নিয়ে ভাগীরথীতে নৌকো চলছে বলে অভিযোগ। পূর্বস্থলী থেকে নদীয়ার চড় কুড়মির মধ্যে চলছে এই ঝুঁকির খেয়া পারাপার।প্রতিবাদ জানিয়েও কাজ হচ্ছে না বলে অভিযোগ স্হানীয়দের। তাঁরা বলছেন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বালাই থাকছে না খেয়া পারাপারে।প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞাকে অমান্য করেই চলছে যাত্রী পরিবহণ। বাসিন্দারা বলছেন, করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে জেলার সীমানা সিল করে দেওয়া হয়েছে। অথচ এই ঘাটে প্রতিনিয়ত নৌকোয় ঠাসাঠাসি করে লোক চাপিয়ে নৌকোয় পারাপার করা হচ্ছে। সেই নৌকোয় যাত্রীরা দাঁড়াচ্ছেন গা ঘেঁষাঘেঁষি করে। সেখানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কোনও সুযোগই থাকছে না। মুখে মাস্কও লাগাচ্ছে না অনেকে। লাইফ জ্যাকেটও নেই। নৌকাডুবি হয়ে গেলে বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটে যেতে পারে। বাসিন্দারা বলছেন, যেভাবে লোকজন যাতায়াত চলছে তাতে করোনার সংক্রমণ রোখা মুসকিল। সাইকেল মোটরসাইকেল, শাক সবজির সঙ্গেই তোলা হচ্ছে পুরুষ মহিলাদের। প্রতিবাদ করলেও ঘাটমালিক কোনও কর্ণপাত করছেন না।

পূর্ব বর্ধমান বা নদীয়ায় ভাগীরথীর তীরে এমন অনেক এলাকা রয়েছে যেখানের বাসিন্দাদের যাতায়াতের জন্য  নৌকোয় পারাপার ছাড়া কোনও উপায় নেই। সেই সব ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ওষুধ আনার জন্য সকালের দিকে দু ঘন্টা ফেরি চলাচলের অনুমতি দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। কিন্তু সেই সুযোগের অপব্যবহার চলছে প্রতি নিয়ত। এ ব্যাপারে কাটোয়ার মহকুমা শাসক সৌরভ সুমন মহান্তি বলেন, শুধুমাত্র ওষুধ আনার জন্য দু ঘন্টা ফেরি চলাচলের অনুমতি রয়েছে। যাত্রী পরিবহণ পুরোপুরি নিষিদ্ধ। কেউ সেই নিষেধাজ্ঞা ভাঙলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

SARADINDU GHOSH

Published by: Piya Banerjee
First published: April 23, 2020, 3:42 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर