corona virus btn
corona virus btn
Loading

সিরিয়াল কিলার 'চেন ম্যান' কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য! মিটার রিডিং দেখতে বাড়িতে ঢুকেই সারতো অপারেশন

সিরিয়াল কিলার 'চেন ম্যান' কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য! মিটার রিডিং দেখতে বাড়িতে ঢুকেই সারতো অপারেশন

এক ডজনেরও বেশি মহিলাকে চেন ও রড দিয়ে একই কায়দায় খুন করার কথা নিজে মুখে স্বীকার করেছে কামরুজ্জামান।

  • Share this:

#কালনা: মিটার রিডিং দেখতে এসেছি বলে বাড়িতে ঢুকতো চেনম্যান কামরুজ্জামান। বাড়িতে মহিলারা একা আছে বুঝে অপারেশন চালাতো সে। মোটর সাইকেলে এসে বিদ্যুত দফতরের কর্মী পরিচয় দিয়ে অনায়াসে বাড়িতে ঢুকে যেত। একলা থাকা মহিলা পিছু ঘুরলেই সঙ্গে থাকা চেন পেছন থেকে গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করতো সে। এরপর তার ওপর বিকৃত যৌন লালসা মিটিয়ে হাতের কাছে টাকা গয়না যা কিছু পেত তা নিয়ে চম্পট দিত । কালনার সিঙ্গের কোনে নাবালিকার ঘরে ঢুকে তাঁকে খুন ধর্ষণের ঘটনায় আগেই কালনা আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়েছে কামরুজ্জামান। সোমবার তার কী সাজা ঘোষনা হয় সে দিকেই এখন তাকিয়ে আক্রান্তদের আত্মীয় পরিজন জেলার বাসিন্দারা সকলেই।

তবে ধরা পড়ার প্রথম দিনের মতোই ভাবলেশহীন এই 'সিরিয়াল কিলার'। দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরও সে একই রকম স্বাভাবিক। তদন্তকারী পুলিশ অফিসারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, প্রথম থেকেই পুলিশের কাছে গড়গড় করে সব তথ্য জানিয়ে এসেছে কামরুজ্জামান। কবে কোথায় কোন মহিলাকে খুন করেছে, সেই এলাকার রাস্তা ঘাট সব কিছু পুলিশকে অকপটে জানিয়েছিল সে। তাকে জেরা করে নিত্য নতুন তথ্য পেয়েছে পুলিশ। সে পুলিশকে জানিয়েছিল, ২০১৩ সালের পয়লা জানুয়ারি সে প্রথম খুন করে। ওই বছরই একই দিনে দুই মহিলাকে খুন করে চেন্নাই পালিয়ে যায় সে। সেখানে রাজমিস্ত্রির পরিচয়ে গা ঢাকা দেয়। কয়েক মাস সেখানে থাকার পর ফিরে এসে ফের অপারেশন শুরু করে। এক ডজনেরও বেশি মহিলাকে সে চেন ও রড দিয়ে একই কায়দায় খুন করার কথা কামরুজ্জামান নিজে মুখে স্বীকার করেছে বলে পুলিশের দাবি।

দীর্ঘদিন ধরেই চুরির ঘটনায় জড়িত ছিল সিরিয়াল কিলার কামরুজ্জামান। হুগলির বলাগড়ে চুরির অভিযোগে ধরা পড়ে গনধোলাই খেয়েছিল সে। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করলে সেখান থেকে সে চম্পট দেয়। মুর্শিদাবাদের জলঙ্গিতে চুরির অভিযোগে ধরা পড়ে জেল খেটেছিল সে। অন্য একটি ঘটনায় বহরমপুর সংশোধনাগারে ছিল তিন মাস। গত বছর কালনা মহকুমা জুড়ে একই কায়দায় একের পর এক মহিলা খুনের ঘটনায় অস্বস্তিতে পড়ে পুলিশ। আততায়ীর হদিশ পেতে বিশেষ টিম তৈরি হয়। আটঘাঁট বেঁধৈ শুরু হয় তল্লাশি। নাইলনের ব্যাগ ঝোলানো, মাথায় লাল হেমমেট পরা মোটর সাইকেলে বসে থাকা ব্যক্তির ছবি ছড়িয়ে দেওয়া হয় সিভিক ভলান্টিয়ারদের মধ্যে। অবশেষে বুলবুলি তলা ফাঁড়ি এলাকায় সে ধরা পড়ে সে।

Saradindu Ghosh

Published by: Shubhagata Dey
First published: July 5, 2020, 4:56 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर