• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • স্কুলের চাই নতুন জায়গা, ছাত্রীদের ফেল করানোর ভয় দেখিয়ে তোলা হচ্ছে টাকা

স্কুলের চাই নতুন জায়গা, ছাত্রীদের ফেল করানোর ভয় দেখিয়ে তোলা হচ্ছে টাকা

সরকারের পক্ষ থেকে যেখানে অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে, যেখানে স্কুলছুট গরীব পড়ুয়াদের স্কুলমুখী করতে বিনা পয়সায় মিড ডে মিল দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে সেখানে স্কুলের জায়গা কেনার নাম করে ছাত্রীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা চাঁদা নিয়ে বিতর্কে জড়াল বাঁকুড়ার একটি সরকারি সাহায্য প্রাপ্ত স্কুল।

সরকারের পক্ষ থেকে যেখানে অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে, যেখানে স্কুলছুট গরীব পড়ুয়াদের স্কুলমুখী করতে বিনা পয়সায় মিড ডে মিল দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে সেখানে স্কুলের জায়গা কেনার নাম করে ছাত্রীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা চাঁদা নিয়ে বিতর্কে জড়াল বাঁকুড়ার একটি সরকারি সাহায্য প্রাপ্ত স্কুল।

সরকারের পক্ষ থেকে যেখানে অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে, যেখানে স্কুলছুট গরীব পড়ুয়াদের স্কুলমুখী করতে বিনা পয়সায় মিড ডে মিল দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে সেখানে স্কুলের জায়গা কেনার নাম করে ছাত্রীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা চাঁদা নিয়ে বিতর্কে জড়াল বাঁকুড়ার একটি সরকারি সাহায্য প্রাপ্ত স্কুল।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #বাঁকুড়া: স্কুলের জায়গা কেনার জন্য জোর করে ছাত্রী পিছু মোটা অঙ্কের টাকা তোলার অভিযোগ উঠল  স্কুলের বিরুদ্ধে।  টাকা দিতে অস্বীকার করা হলে মিলছে হয়রান করা হুমকি।

    সরকারের পক্ষ থেকে যেখানে অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে, যেখানে স্কুলছুট গরীব পড়ুয়াদের স্কুলমুখী করতে বিনা পয়সায় মিড ডে মিল দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে সেখানে স্কুলের জায়গা কেনার নাম করে ছাত্রীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা চাঁদা নিয়ে বিতর্কে জড়াল বাঁকুড়ার একটি সরকারি সাহায্য প্রাপ্ত স্কুল। জুন মাসে ওই স্কুলের পরিচালন সমিতি রীতিমত রেজুলেশন করে এই চাঁদা নেওয়ার কথা ঘোষণা করে।

    ছাত্রীপিছু সর্বনিম্ন ২০০ টাকা থেকে সর্বাধিক ৫০০ টাকা চাঁদা ধার্য করা হয়। চাঁদা না দিলে স্কুলের পক্ষ থেকে ছাত্রীদের বিভিন্ন ধরনের হয়রানির অভিযোগও উঠেছে।

    বাঁকুড়ার শিবশংকর বালিকা বিদ্যালয়ের পরিকাঠামোগত সমস্যা দীর্ঘদিনের। স্কুলের জায়গা অপ্রতুল হওয়ার কারনে নানা ধরনের সরকারি অনুদান পাওয়ার সুযোগ থাকলেও তা নিতে পারছে না স্কুল। ফলে ক্রমাগত বাড়তে থাকা ছাত্রীদের ভিড় সামাল দিতে হিমসিম দশা স্কুল কর্তৃপক্ষের।  সম্প্রতি স্কুলের নিজস্ব ভবন সম্প্রসারনের জন্য জায়গা কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ভবন নির্মানের জন্য সরকারি বরাদ্দ মিললেও জায়গা কেনার জন্য সরকারি কোন বরাদ্দ নেই একথা জানার পর স্কুল কর্তৃপক্ষ জায়গা কেনার জন্য ছাত্রীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের চাঁদা আদায়ের সিদ্ধান্ত নেয়।

    অভিযোগ, এর পর ক্লাস ফাইভ থেকে এইট পর্যন্ত ৩০০ টাকা ও ক্লাস নাইন থেকে ক্লাস টুয়েলভ পর্যন্ত ৫০০ টাকা এককালীন চাঁদা ধার্য করা হয়। বিপিএল পরিবারভুক্ত ছাত্রীদের ক্ষেত্রে এই চাঁদায় কিছুটা ছাড় দেওয়া হয়। বিপিএল পরিবারভুক্ত ছাত্রীদের জন্য ক্লাস পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণী ২০০ টাকা ও নবম থেকে দ্বাদশ ৪০০ টাকা করে জমা দেওয়ার কথা বলা হয়।

    এই চাঁদা জমা না দিলে রেজিস্ট্রেশন করা নিয়ে সমস্যা ও পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকিও স্কুলের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়। ভয়ে অনেক ছাত্রী সেই টাকা জমাও করে দেয়। কিন্তু এই টাকার বিনিময়ে কোনোরকম রসিদও দেওয়া হয়নি। অভিভাবকদের একাংশের দাবি, অনেক পরিবারের ওই টাকা দেওয়ার সামর্থ্য নেই। স্কুলের জমি কেনার জন্য ছাত্রীদের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া বাড়তি বোঝা বহু ছাত্রীকে পড়াশোনা ছাড়তে বাধ্য করবে বলেও দাবি অভিভাবকদের একাংশের।

    স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা ও পরিচালন সমিতির সেক্রেটারি এই চাঁদা নেওয়ার কথা স্বিকার করে নিলেও তাদের দাবি চাঁদা না দিলে হুমকির যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে তা ভিত্তিহীন। চাঁদা র পরিবর্তে ছাত্রীদের রসিদ দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেছেন স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা।

    First published: