corona virus btn
corona virus btn
Loading

বৃষ্টির আকাল দক্ষিণবঙ্গে, মাথায় হাত কৃষকদের

বৃষ্টির আকাল দক্ষিণবঙ্গে, মাথায় হাত কৃষকদের
Photo- Video Grab

দ্রুত বৃষ্টি না হলে চাষের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা।

  • Share this:

#মেদিনীপুর: দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির অভাব। ক্ষতিগ্রস্ত পূর্ব মেদিনীপুর, বীরভূমের ধান চাষ। অতিরিক্ত গরমে ক্ষতির মুখে উত্তর চব্বিশ পরগনার পোলট্রি ব্যবসায়ীরাও।বৃষ্টির দেখা নেই। বীরভূমের অধিকাংশ চাষের জমি কার্যত খালি। মে থেকে অগাস্ট। এই চার মাস বৃষ্টিতে চাষ হয়। বীরভূম জেলায় অন্য বছর জুন মাসে দুশো চৌত্রিশ দশমিক দুই মিলিমিটার বৃষ্টি হয়. সেখানে এবার বৃষ্টি হয়েছে পঁয়ষট্টি দশমিক তিন মিলিমিটার. জুলাই মাসে অন্য বছর বৃষ্টি হয় তিনশো চব্বিশ দশমিক পাঁচ মিলিমিটার. সেখানে এবছর জুলাই মাসে বৃষ্টি একশো তিরানব্বই দশমিক তিন চার মিলিমিটার৷ বৃষ্টি না হওয়ায় দুশ্চিন্তায় কৃষক থেকে শুরু করে জেলার কৃষি আধিকারিকরা। মরসুমে যতটুকু চাষ হয়েছে তা সেচের জল বা সাব মার্সিবেল পাম্পের সাহায্যে। দ্রুত বৃষ্টি না হলে চাষের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা।

বৃষ্টির অভাবে পূর্ব মেদিনীপুরের ধান চাষেও প্রভাব পড়েছে। বছরের এই সময়তে ধানের চারা রোপন করে ফেলেন কৃষকরা। বর্ষার বৃষ্টি যার জন্য ভাল। কিন্তু জুলাই মাস শেষ হতে চললেও এখনও বৃষ্টির দেখা নেই দক্ষিণবঙ্গে। ক্ষতির আশঙ্কায় জেলার ধানচাষীরা৷ ব্যবসা মার খাচ্ছে উত্তর চব্বিশ পরগনার পোলট্রি মালিকদেরও। পোলট্রি মুরগির জন্য আদর্শ তাপমাত্রা আটাশ ডিগ্রি। কিন্তু তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করছে চল্লিশ থেকে বিয়াল্লিশ ডিগ্রির মধ্যে। গরমে বিভিন্ন ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে মুরগি। যেখানে পঁচিশ দিনে একটি মুরগির ওজন এক কেজি হয়ে যায়। সেখানে এক মাস পেরিয়ে গেলেও মুরগির ওজন পৌঁছচ্ছে নশো গ্রামে। ভাইরাসের আতঙ্কে অনেকেই ফার্ম ফাঁকা করে দিচ্ছেন। বাজারেও যোগান কম।

এরইমধ্যে শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গের কিছু জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে। আগামী দু'দিন বৃষ্টির সতর্কতাও রয়েছে। সেই বৃষ্টির দিকেই চাতক পাখির মত চেয়ে কৃষকরা।

First published: July 26, 2019, 3:53 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर