Home /News /south-bengal /
Shravan 3rd Somwar 2022: শ্রাবণ মাসের সোমবারে উপলক্ষে দর্শনার্থীদের ঢল বর্ধমানের ১০৮ শিবমন্দিরে

Shravan 3rd Somwar 2022: শ্রাবণ মাসের সোমবারে উপলক্ষে দর্শনার্থীদের ঢল বর্ধমানের ১০৮ শিবমন্দিরে

Representative Image

Representative Image

Shravan 3rd Somwar 2022: এমনিতেই সারা বছর ভিড় লেগে থাকে রাজ আমলের বর্ধমানের এই ১০৮ শিব মন্দিরে। তবে শিবরাত্রির পাশাপাশি এই শ্রাবণ মাসের সোমবারগুলিতে দর্শনার্থীদের ভিড় থাকে সবচেয়ে বেশি।

  • Share this:

    #বর্ধমান: একেই শ্রাবণ মাস, তার উপর সোমবার হওয়ায় দর্শনার্থীদের ব্যাপক ভিড় দেখা গেল বর্ধমানের প্রসিদ্ধ ১০৮ শিব মন্দিরে। ভোর থেকেই মন্দিরে ভিড় জমিয়েছিলেন হাজার হাজার পুণ্যার্থী। স্নান সেরে শুদ্ধ পোশাক পরে হাতে পুজোর ডালি, দুধ গঙ্গাজল নিয়ে মন্দিরে উপস্থিত হয়েছিলেন তাঁরা। এরপর ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে পুজো দিয়ে প্রসাদগ্রহণ করেছেন। অনেকেই আলাদা আলাদা ভাবে ১০৮টি শিব মন্দিরেই ঢুকেও পুজো দিয়েছেন।

    এমনিতেই সারা বছর ভিড় লেগে থাকে রাজ আমলের বর্ধমানের এই ১০৮ শিব মন্দিরে। তবে শিবরাত্রির পাশাপাশি এই শ্রাবণ মাসের সোমবারগুলিতে দর্শনার্থীদের ভিড় থাকে সবচেয়ে বেশি। পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, হুগলি, নদীয়া সহ আশপাশের জেলাগুলি থেকে তো বটেই, রাজ্যের প্রায় সব প্রান্ত থেকেই ভক্তরা আসেন এই মন্দিরে। তবে সংখ্যার বিচারে এ রাজ্যকে টেক্কা দিচ্ছে পাশের উত্তর প্রদেশ, বিহার, ঝাড়খন্ড সহ অন্যান্য রাজ্যের ভক্তরা। চারধাম ভ্রমণে বেরিয়ে অনেকেই ১০৮ শিব মন্দিরে পুজো দিয়ে যাচ্ছেন- এমন অনেক ভক্তের দেখা মিলল।

    আরও পড়ুন: পার্থ-পর্বে বিরাট রদবদল, সংগঠনে আমূল পরিবর্তন তৃণমূলের! বাদ বড় বড় নাম

    আরও পড়ুন: বিরাট খবর, রাজ্যে আরও ৭ নতুন জেলা! ঘোষণা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

    মন্দিরে কুপন কেটে শুকনো প্রসাদ সংগ্রহ করা যায়। কুড়ি টাকার সেই কুপনে প্রসাদ স্বরূপ মিলছে কিসমিস, নকুল দানা। মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দূর দূরান্ত থেকে অনেক ভক্ত আসেন। তাঁরা আত্মীয় পরিজনদের জন্য প্রসাদ নিয়ে যান। দীর্ঘদিন যাতে সেই প্রসাদ ভাল থাকে তা নিশ্চিত করতেই এই প্রসাদের ভাবনা। এছাড়াও মন্দিরে ভক্তদের জন্য ৩০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত মূল্যে নিরামিষ খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে। গত কয়েক বছরে দর্শনার্থীদের স্বাচ্ছন্দ্যের কথা মাথায় রেখে বেশ কিছু কাজ হয়েছে মন্দির চত্বরে। রয়েছে গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা। পরিস্রুত পানীয় জল থেকে বিশ্রামের জায়গা সবই রয়েছে মন্দির চত্বরে। মন্দির জুড়ে সবুজের আধিক্য চোখে পড়ার মতো।

    শরদিন্দু ঘোষ
    Published by:Rachana Majumder
    First published:

    পরবর্তী খবর